Tilka hudoodul laah; wa mai yuti`il laaha wa Rasoolahoo yudkhilhu Jannaatin tajree min tahtihal anhaaru khaalideena feehaa; wa zaalikal fawzul `azeem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের আদেশমত চলে, তিনি তাকে জান্নাত সমূহে প্রবেশ করাবেন, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এ হল বিরাট সাফল্য।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
यह ख़ुदा की (मुक़र्रर की हुई) हदें हैं और ख़ुदा और रसूल की इताअत करे उसको ख़ुदा आख़ेरत में ऐसे (हर भरे) बाग़ों में पहुंचा देगा जिसके नीचे नहरें जारी होंगी और वह उनमें हमेशा (चैन से) रहेंगे और यही तो बड़ी कामयाबी है
এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের আদেশমত চলে, তিনি তাকে জান্নাত সমূহে প্রবেশ করাবেন, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এ হল বিরাট সাফল্য।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
حُدُودُ اللهِ – আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা, অর্থাৎ শরিয়তের বিধানসমূহ।
উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, ইয়াতিম, নারী ও মিরাস (উত্তরাধিকার) সম্পর্কে যে বিধানসমূহ এ সূরায় বর্ণনা করা হয়েছে, সেগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। অর্থাৎ এগুলো এমন আইন, যা আল্লাহ নিজ জ্ঞান ও হিকমত দ্বারা নির্ধারণ করেছেন এবং মানুষের জন্য আবশ্যক করে দিয়েছেন। এ সীমারেখার মধ্যে থাকা প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য, আর এ সীমা লঙ্ঘন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এরপর আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে—অর্থাৎ আল্লাহর আদেশসমূহ পালন করবে এবং নিষেধসমূহ থেকে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। সেই জান্নাতের বর্ণনায় বলা হয়েছে, এর নিচ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হবে। এ জান্নাতের সৌন্দর্য, প্রশান্তি ও নেয়ামতের কোনো তুলনা নেই। মুমিনরা সেখানে চিরকাল থাকবে—কখনো মৃত্যু হবে না, কখনো বের হতে হবে না, কোনো ক্লান্তি বা দুঃখ সেখানে পৌঁছাবে না। এই চিরস্থায়ী সাফল্যই হলো প্রকৃত ও মহান সাফল্য, যার সামনে দুনিয়ার সব অর্জন নগণ্য।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহর নির্ধারিত বিধানসমূহ মানবজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; এগুলোকে তুচ্ছ মনে করা বা লঙ্ঘন করা কঠিন গুনাহ।
প্রকৃত সাফল্য দুনিয়ার সম্পদ, পদমর্যাদা বা ক্ষমতায় নয়; বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্যের মাধ্যমে জান্নাত লাভই সর্বশ্রেষ্ঠ সাফল্য।
জান্নাতের নেয়ামত চিরস্থায়ী; তাই মুমিনের উচিত দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী সুখের পেছনে না ছুটে আখিরাতের স্থায়ী সুখের জন্য চেষ্টা করা।
আনুগত্যের পুরস্কার আল্লাহ নিজ হাতে দেবেন, যা কোনো মানুষের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়—এতে মুমিনের অন্তরে আল্লাহর প্রতি ভরসা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়।
এই আয়াত মুমিনদের জন্য আশার বাণী; যারা ভুল-ত্রুটি করেও তওবা করে সঠিক পথে ফিরে আসে, তাদের জন্য জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত।
আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর অংশের সমান। অতঃপর যদি শুধু নারীই হয় দু' এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে। যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর, যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।
আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়; ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর। স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ, যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর। যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে। আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর, যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে। এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের আদেশমত চলে, তিনি তাকে জান্নাত সমূহে প্রবেশ করাবেন, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এ হল বিরাট সাফল্য।
আর তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচারিণী তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য থেকে চার জন পুরুষকে সাক্ষী হিসেবে তলব কর। অতঃপর যদি তারা সাক্ষ্য প্রদান করে তবে সংশ্লিষ্টদেরকে গৃহে আবদ্ধ রাখ, যে পর্যন্ত মৃত্যু তাদেরকে তুলে না নেয় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন পথ নির্দেশ না করেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।