আন-নিসা · 12/176
অনুবাদ উচ্চারণ — আন-নিসা
۞ وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّهُنَّ وَلَدٌ ۚ فَإِن كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌ فَلَكُمُ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ ۚ مِن بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِينَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ ۚ وَلَهُنَّ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّكُمْ وَلَدٌ ۚ فَإِن كَانَ لَكُمْ وَلَدٌ فَلَهُنَّ الثُّمُنُ مِمَّا تَرَكْتُم ۚ مِّن بَعْدِ وَصِيَّةٍ تُوصُونَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ ۗ وَإِن كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَوِ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا السُّدُسُ ۚ فَإِن كَانُوا أَكْثَرَ مِن ذَٰلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ ۚ مِن بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصَىٰ بِهَا أَوْ دَيْنٍ غَيْرَ مُضَارٍّ ۚ وَصِيَّةً مِّنَ اللَّهِ ۗ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَلِيمٌ ۝١٢
Wa lakum nisfu maa taraka azwaajukum il lam yakul lahunna walad; fa in kaana lahunna waladun falakumur rub`u mimmaa tarakna mim ba`di wasiyyatiny yooseena bihaaa aw dayn; wa lahunnar rubu`u mimmaa tarakum il lam yakul lakum walad; fa in kaana lakum waladun falahunnas sumunu mimmaa taraktum; mim ba`di wasiyyatin toosoona bihaaa aw dayn; wa in kaana rajuluny yoorasu kalaalatan awim ra atunw wa lahooo akhun aw ukhtun falikulli waahidim minhumas sudus; fa in kaanooo aksara min zaalika fahum shurakaaa`u fissulusi mim ba`di wasiyyatiny yoosaa bihaaa aw dainin ghaira mudaaarr; wasiyyatam minal laah; wallaahu `Aleemun Haleem
📖 বাংলা অর্থ
আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়; ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর। স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ, যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর। যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে। আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর, যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে। এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
📜

অনুবাদ — Tafsir

শব্দার্থ:

  • كَلَالَةً (কালালাহ): এমন ব্যক্তি যার neither পিতা আছে nor সন্তান; অর্থাৎ যে মৃত ব্যক্তির কোনো পিতা-মাতা বা সন্তান নেই।
  • غَيْرَ مُضَارٍّ (গাইরে মুদারর): যে অসিয়ত উত্তরাধিকারীদের ক্ষতি করে না, যেমন এক-তৃতীয়াংশের বেশি অসিয়ত করা বা জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষতি করা।
  • وَصِيَّةً مِّنَ اللَّهِ (ওয়াসিয়্যাতাম মিনাল্লাহ): এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি নির্দেশনা ও আদেশ।

তাফসির:

হে মুমিনগণ! তোমাদের জন্য বিধান হলো—তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পদের অর্ধেক তোমরা পাবে, যদি তাদের কোনো সন্তান না থাকে (ছেলে বা মেয়ে, তোমাদের থেকে বা অন্য কারো থেকে)। আর যদি তাদের সন্তান থাকে, তাহলে তোমরা পাবে তাদের পরিত্যক্ত সম্পদের এক-চতুর্থাংশ। তবে এই প্রাপ্তি হবে তাদের অসিয়ত পালন করার পর অথবা তাদের ঋণ পরিশোধ করার পর।

অনুরূপভাবে, তোমাদের স্ত্রীদের জন্যও বিধান হলো—তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পদের এক-চতুর্থাংশ তারা পাবে, যদি তোমাদের কোনো সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তাহলে তারা পাবে তোমাদের সম্পদের এক-অষ্টমাংশ। এই প্রাপ্তিও তোমাদের অসিয়ত পালন এবং ঋণ পরিশোধের পর। যদি একাধিক স্ত্রী থাকে, তাহলে তারা এই অংশে সমানভাবে শরিক হবে।

আর যদি কোনো পুরুষ বা নারী মারা যায় এবং তার neither পিতা-মাতা আছে nor সন্তান (অর্থাৎ কালালাহ অবস্থায়), কিন্তু তার মাতৃ-ভাই বা মাতৃ-বোন থাকে, তাহলে তাদের প্রত্যেকে পাবে এক-ষষ্ঠাংশ। যদি মাতৃ-ভাই-বোন একাধিক হয়, তাহলে তারা সবাই মিলে এক-তৃতীয়াংশে সমানভাবে শরিক হবে—পুরুষ ও নারীর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এই প্রাপ্তিও মৃত ব্যক্তির অসিয়ত পালন এবং ঋণ পরিশোধের পর, তবে শর্ত হলো অসিয়তটি এমন হতে হবে যা উত্তরাধিকারীদের ক্ষতি করে না (যেমন এক-তৃতীয়াংশের বেশি অসিয়ত করা বা কোনো উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র করা)।

এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অপরিবর্তনীয় নির্দেশনা। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অবস্থা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত এবং তিনি সহনশীল—তিনি দ্রুত শাস্তি দেন না, বরং মানুষকে তাওবা ও সংশোধনের সুযোগ দেন।


উপকারিতা ও শিক্ষা:

  1. ইসলাম সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ও সুস্পষ্ট বিধান দিয়েছে, যাতে পরিবারে কোনো দ্বন্দ্ব বা হিংসা সৃষ্টি না হয়। প্রত্যেকের প্রাপ্য অংশ আল্লাহ নিজেই নির্ধারণ করে দিয়েছেন, যা অত্যন্ত সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ।
  2. এই বিধান প্রমাণ করে যে, ইসলাম নারীদের সম্পদের অধিকার স্বীকৃতি দিয়েছে—স্ত্রী, মাতৃ-ভাই-বোন সবারই নির্ধারিত অংশ রয়েছে। এটি সেই যুগে একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ ছিল, যখন নারীদের সম্পদের কোনো অধিকারই ছিল না।
  3. অসিয়ত ও ঋণ পরিশোধের কথা উল্লেখ করে ইসলাম মৃত ব্যক্তির দায়িত্ব ও অন্যদের অধিকার রক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। এটি সমাজে আস্থা ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করে।
  4. "غَيْرَ مُضَارٍّ" শর্তটি শিক্ষা দেয় যে, অন্যের ক্ষতি করে নিজের স্বার্থ হাসিল করা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এমনকি অসিয়তের মাধ্যমেও উত্তরাধিকারীদের ক্ষতি করা যাবে না। এটি মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
  5. আল্লাহর গুণাবলি "عَلِيمٌ حَلِيمٌ" (সর্বজ্ঞ ও সহনশীল) আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আল্লাহ আমাদের সকল অবস্থা জানেন এবং তিনি ধৈর্য ধরেন। তাই আমাদের উচিত তাঁর বিধানের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখা এবং ভুল করলে দ্রুত তাওবা করা।
🎧 শুনুন

📜 আয়াত 10-14 — আন-নিসা

10إِنَّ الَّذِينَ يَأْكُلُونَ أَمْوَالَ الْيَتَامَىٰ ظُلْمًا إِنَّمَا يَأْكُلُونَ فِي بُطُونِهِمْ نَارًا ۖ وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيرًا
যারা এতীমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেদের পেটে আগুনই ভর্তি করেছে এবং সত্ত্বরই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে।
11يُوصِيكُمُ اللَّهُ فِي أَوْلَادِكُمْ ۖ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنثَيَيْنِ ۚ فَإِن كُنَّ نِسَاءً فَوْقَ اثْنَتَيْنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَ ۖ وَإِن كَانَتْ وَاحِدَةً فَلَهَا النِّصْفُ ۚ وَلِأَبَوَيْهِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا السُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ إِن كَانَ لَهُ وَلَدٌ ۚ فَإِن لَّمْ يَكُن لَّهُ وَلَدٌ وَوَرِثَهُ أَبَوَاهُ فَلِأُمِّهِ الثُّلُثُ ۚ فَإِن كَانَ لَهُ إِخْوَةٌ فَلِأُمِّهِ السُّدُسُ ۚ مِن بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِي بِهَا أَوْ دَيْنٍ ۗ آبَاؤُكُمْ وَأَبْنَاؤُكُمْ لَا تَدْرُونَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ لَكُمْ نَفْعًا ۚ فَرِيضَةً مِّنَ اللَّهِ ۗ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا
আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর অংশের সমান। অতঃপর যদি শুধু নারীই হয় দু' এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে। যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর, যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।
12۞ وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّهُنَّ وَلَدٌ ۚ فَإِن كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌ فَلَكُمُ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ ۚ مِن بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِينَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ ۚ وَلَهُنَّ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّكُمْ وَلَدٌ ۚ فَإِن كَانَ لَكُمْ وَلَدٌ فَلَهُنَّ الثُّمُنُ مِمَّا تَرَكْتُم ۚ مِّن بَعْدِ وَصِيَّةٍ تُوصُونَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ ۗ وَإِن كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَوِ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا السُّدُسُ ۚ فَإِن كَانُوا أَكْثَرَ مِن ذَٰلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ ۚ مِن بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصَىٰ بِهَا أَوْ دَيْنٍ غَيْرَ مُضَارٍّ ۚ وَصِيَّةً مِّنَ اللَّهِ ۗ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَلِيمٌ
আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়; ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর। স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ, যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর। যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে। আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর, যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে। এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
13تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ ۚ وَمَن يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا ۚ وَذَٰلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ
এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের আদেশমত চলে, তিনি তাকে জান্নাত সমূহে প্রবেশ করাবেন, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এ হল বিরাট সাফল্য।
14وَمَن يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَتَعَدَّ حُدُودَهُ يُدْخِلْهُ نَارًا خَالِدًا فِيهَا وَلَهُ عَذَابٌ مُّهِينٌ
যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের অবাধ্যতা করে এবং তার সীমা অতিক্রম করে তিনি তাকে আগুনে প্রবেশ করাবেন। সে সেখানে চিরকাল থাকবে। তার জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
আন-নিসাকুরআন সূচী
176আয়াত
মাদানীRevelation
12আয়াত

অনুবাদ — আন-নিসা 12

সূরা আন-নিসা আয়াত 12 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা…

সূরা আয়াত 12/176 — আন-নিসা النساء (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: আন-নিসা শুনুন, আন-নিসা অনুবাদ, আন-নিসা mp3, আন-নিসা pdf. আয়াত 10–14. বাংলা অর্থ: हिन्दी.




পবিত্র কুরআন


Tuesday, August 18, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না