Laqad sadaqal laahu Rasoolahur ru`yaa bilhaqq, latadkhulunnal Masjidal-Haraama in shaaa`al laahu aamineena muhalliqeena ru`oosakum wa muqassireena laa takhaafoona fa`alima maa lam ta`lamoo faja`ala min dooni zaalika fathan qareebaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আল্লাহ তাঁর রসূলকে সত্য স্বপ্ন দেখিয়েছেন। আল্লাহ চাহেন তো তোমরা অবশ্যই মসজিদে হারামে প্রবেশ করবে নিরাপদে মস্তকমুন্ডিত অবস্থায় এবং কেশ কর্তিত অবস্থায়। তোমরা কাউকে ভয় করবে না। অতঃপর তিনি জানেন যা তোমরা জান না। এছাড়াও তিনি দিয়েছেন তোমাদেরকে একটি আসন্ন বিজয়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
बेशक ख़ुदा ने अपने रसूल को सच्चा मुताबिके वाक़ेया ख्वाब दिखाया था कि तुम लोग इन्शाअल्लाह मस्जिदुल हराम में अपने सर मुँडवा कर और अपने थोड़े से बाल कतरवा कर बहुत अमन व इत्मेनान से दाख़िल होंगे (और) किसी तरह का ख़ौफ न करोगे तो जो बात तुम नहीं जानते थे उसको मालूम थी तो उसने फ़तेह मक्का से पहले ही बहुत जल्द फतेह अता की
আল্লাহ তাঁর রসূলকে সত্য স্বপ্ন দেখিয়েছেন। আল্লাহ চাহেন তো তোমরা অবশ্যই মসজিদে হারামে প্রবেশ করবে নিরাপদে মস্তকমুন্ডিত অবস্থায় এবং কেশ কর্তিত অবস্থায়। তোমরা কাউকে ভয় করবে না। অতঃপর তিনি জানেন যা তোমরা জান না। এছাড়াও তিনি দিয়েছেন তোমাদেরকে একটি আসন্ন বিজয়।
আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল মুহাম্মদ ﷺ-কে যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা সত্য ছিল এবং তিনি তা পূর্ণ করেছেন। নবী ﷺ স্বপ্নে দেখেছিলেন যে, তিনি ও তাঁর সাহাবাগণ নিরাপদ状态下 মসজিদে হারামে (কাবায়) প্রবেশ করবেন, কেউ মাথা মুণ্ডন করবেন, কেউ চুল ছাঁটবেন এবং তারা কোনো ভয়-ভীতি অনুভব করবেন না। আল্লাহ তাআলা এই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন, তবে তাঁর ইচ্ছা ও হিকমত অনুযায়ী সেটি নির্ধারিত সময়ে।
আল্লাহ তাআলা জানতেন যে, ঐ বছর (হিজরী ৬ষ্ঠ সালে) মক্কায় প্রবেশের মধ্যে যে কল্যাণ ও প্রজ্ঞা ছিল, তা তোমরা জানতে না। তাই তিনি তোমাদের জন্য মক্কা বিজয়ের পূর্বে একটি নিকটবর্তী বিজয় নির্ধারণ করলেন—তা হলো হুদাইবিয়ার সন্ধি এবং খায়বার বিজয়। এই সন্ধির মাধ্যমেই ইসলামের শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তীতে মক্কা বিজয়ের পথ সুগম হয়। অতঃপর আল্লাহর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পরের বছরই নবী ﷺ ও সাহাবাগণ নিরাপদে উমরাহ আদায় করেন এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটার মাধ্যমে ইহরাম থেকে মুক্ত হন।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহর ওয়াদা কখনো ভঙ্গ হয় না; বরং তিনি তা যথাসময়ে পূর্ণ করেন, যদিও তা বিলম্বিত হয়।
মুমিনের কর্তব্য আল্লাহর সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখা, কারণ তিনি যা কিছু করেন তাতে কল্যাণই নিহিত।
স্বপ্নের মাধ্যমে নবী ﷺ-কে আল্লাহ বিশেষ সম্মান দিয়েছেন এবং তা ছিল তাঁর নবুওয়তের প্রমাণ।
ধৈর্য ও আল্লাহর উপর ভরসার মাধ্যমেই সাফল্য অর্জিত হয়; হুদাইবিয়ার সন্ধি ছিল বাহ্যিক দৃষ্টিতে প্রতিকূল, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা ছিল বিরাট বিজয়ের পূর্বাভাস।
আল্লাহর আদব শেখানো—প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সময় "ইন শা আল্লাহ" বলা উচিত, যেমনটি আল্লাহ নিজে তাঁর রাসূলকে শিখিয়েছেন।
ইসলামের ইতিহাসে হুদাইবিয়ার সন্ধি ছিল একটি কৌশলগত বিজয়, যা পরবর্তীকালে মক্কা বিজয়ের পথ সুগম করেছিল—এতে আল্লাহর পরিকল্পনার গভীরতা প্রকাশ পায়।
তারাই তো কুফরী করেছে এবং বাধা দিয়েছে তোমাদেরকে মসজিদে হারাম থেকে এবং অবস্থানরত কোরবানীর জন্তুদেরকে যথাস্থানে পৌছতে। যদি মক্কায় কিছুসংখ্যক ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী না থাকত, যাদেরকে তোমরা জানতে না। অর্থাৎ তাদের পিষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা না থাকত, অতঃপর তাদের কারণে তোমরা অজ্ঞাতসারে ক্ষতিগ্রস্ত হতে, তবে সব কিছু চুকিয়ে দেয়া হত; কিন্তু এ কারণে চুকানো হয়নি, যাতে আল্লাহ তা’আলা যাকে ইচ্ছা স্বীয় রহমতে দাখিল করে নেন। যদি তারা সরে যেত, তবে আমি অবশ্যই তাদের মধ্যে যারা কাফের তাদেরকে যন্ত্রনাদায়ক শস্তি দিতাম।
কেননা, কাফেররা তাদের অন্তরে মূর্খতাযুগের জেদ পোষণ করত। অতঃপর আল্লাহ তাঁর রসূল ও মুমিনদের উপর স্বীয় প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাদের জন্যে সংযমের দায়িত্ব অপরিহার্য করে দিলেন। বস্তুতঃ তারাই ছিল এর অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
আল্লাহ তাঁর রসূলকে সত্য স্বপ্ন দেখিয়েছেন। আল্লাহ চাহেন তো তোমরা অবশ্যই মসজিদে হারামে প্রবেশ করবে নিরাপদে মস্তকমুন্ডিত অবস্থায় এবং কেশ কর্তিত অবস্থায়। তোমরা কাউকে ভয় করবে না। অতঃপর তিনি জানেন যা তোমরা জান না। এছাড়াও তিনি দিয়েছেন তোমাদেরকে একটি আসন্ন বিজয়।
মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল এবং তাঁর সহচরগণ কাফেরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল। আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি তাদেরকে রুকু ও সেজদারত দেখবেন। তাদের মুখমন্ডলে রয়েছে সেজদার চিহ্ন । তওরাতে তাদের অবস্থা এরূপ এবং ইঞ্জিলে তাদের অবস্থা যেমন একটি চারা গাছ যা থেকে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর তা শক্ত ও মজবুত হয় এবং কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে-চাষীকে আনন্দে অভিভুত করে-যাতে আল্লাহ তাদের দ্বারা কাফেরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ওয়াদা দিয়েছেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।