Laa yahillu lakan nisaaa`u mim ba`du wa laaa an tabaddala bihinna min azwaajinw wa law ajabaka husnuhunna illaa maa malakat yameenukk; wa kaanal laahu `alaa kulli shai`ir Raqeeba
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ নজর রাখেন।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) अब उन (नौ) के बाद (और) औरतें तुम्हारे वास्ते हलाल नहीं और न ये जायज़ है कि उनके बदले उनमें से किसी को छोड़कर और बीबियाँ कर लो अगर चे तुमको उनका हुस्न कैसा ही भला (क्यों न) मालूम हो मगर तुम्हारी लौंडियाँ (इस के बाद भी जायज़ हैं) और खुदा तो हर चीज़ का निगरॉ है
لَا يَحِلُّ لَكَ النِّسَاءُ مِن بَعْدُ – অর্থাৎ, এরপর আপনার জন্য নতুন কোনো নারীকে বিয়ে করা বৈধ নয়।
وَلَا أَن تَبَدَّلَ بِهِنَّ مِنْ أَزْوَاجٍ – অর্থাৎ, তাদের (আপনার স্ত্রীগণের) স্থলে অন্য স্ত্রী গ্রহণের জন্য তাদের তালাক দেওয়াও বৈধ নয়।
إِلَّا مَا مَلَكَتْ يَمِينُكَ – তবে আপনার অধিকারভুক্ত দাসীগণ এর ব্যতিক্রম।
رَّقِيبًا – অর্থাৎ, সর্বদা পর্যবেক্ষণকারী, যাঁর দৃষ্টি থেকে কিছুই গোপন থাকে না।
তাফসীর:
হে নবী! আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে জানিয়ে দিচ্ছেন যে, আপনার জন্য বৈধ নয়—আপনার বর্তমান স্ত্রীগণের পর আর কোনো নতুন নারীকে বিয়ে করা, এবং তাদের (স্ত্রীগণের) স্থলে অন্য নারীকে গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে তাদের তালাক দেওয়াও বৈধ নয়। এমনকি যদি সেই নতুন নারীর সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবুও তা জায়েয নয়। তবে আল্লাহ তা‘আলা আপনার জন্য একটি সুযোগ রেখেছেন—আপনার অধিকারভুক্ত দাসীগণ (যুদ্ধবন্দী বা ক্রীতদাসী) থেকে যাকে ইচ্ছা গ্রহণ করতে পারবেন, এতে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।
এই নির্দেশনার মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা উম্মাহাতুল মুমিনীন (নবীজীর স্ত্রীগণ)-এর মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ করেছেন। তাদের সম্মান রক্ষার্থে আল্লাহ তা‘আলা নবীজীর জন্য অন্য বিবাহ এবং তাদের তালাক দেওয়া উভয়ই নিষিদ্ধ করেছেন। এটি তাদের জন্য এক বিশাল সম্মান ও মর্যাদার বিষয়।
আল্লাহ তা‘আলা সর্বদা সবকিছু দেখছেন এবং পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁর জ্ঞান থেকে কোনো কিছুই গোপন নেই। তিনি জানেন কে কী নিয়তে কী কাজ করে। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত আল্লাহর এই পর্যবেক্ষণের কথা স্মরণ রেখে নিজের আমলকে পরিশুদ্ধ করা।
দাওয়াতী বার্তা:
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর প্রিয় নবীকে যে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিলেন, তার স্ত্রীগণ ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত। তাদের প্রতি আল্লাহর বিশেষ রহমত ছিল। আমাদের জন্যও শিক্ষণীয় বিষয় হলো—স্ত্রীদের সম্মান করা, তাদের অধিকার রক্ষা করা এবং তাদের সাথে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ। যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে ভালো ব্যবহার করে এবং তার অধিকার রক্ষা করে, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন। আল্লাহ সবকিছু দেখছেন—আমাদের ভালো কাজও দেখছেন, আর খারাপ কাজও দেখছেন। তাই আসুন, আমরা সবসময় আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলি এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমীন।
এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ নজর রাখেন।
হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
আপনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা দূরে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা কাছে রাখতে পারেন। আপনি যাকে দূরে রেখেছেন, তাকে কামনা করলে তাতে আপনার কোন দোষ নেই। এতে অধিক সম্ভাবনা আছে যে, তাদের চক্ষু শীতল থাকবে; তারা দুঃখ পাবে না এবং আপনি যা দেন, তাতে তারা সকলেই সন্তুষ্ট থাকবে। তোমাদের অন্তরে যা আছে, আল্লাহ জানেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ নজর রাখেন।
হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।