Yaaa aiyuhal lazeena aamanoo laa tadkhuloo bu yootan Nabiyyi ilaaa ai yu`zana lakum ilaa ta`aamin ghaira naazireena inaahu wa laakin izaa du`eetum fadkhuloo fa izaa ta`imtum fantashiroo wa laa mustaaniseena lihadees; inna zaalikum kaana yu`zin Nabiyya fa yastahyee minkum wallaahu laa yastahyee minal haqq; wa izaa sa altumoohunna mataa`an fas`aloohunna minw waraaa`i hijaab; zaalikum atharu liquloobikum wa quloobihinn; wa maa kaana lakum an tu`zoo Rasoolal laahi wa laaa an tankihooo azwaajahoo mim ba`diheee abadaa; inna zaalikum kaana `indal laahi `azeema
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ऐ ईमानदारों तुम लोग पैग़म्बर के घरों में न जाया करो मगर जब तुमको खाने के वास्ते (अन्दर आने की) इजाज़त दी जाए (लेकिन) उसके पकने का इन्तेज़ार (नबी के घर बैठकर) न करो मगर जब तुमको बुलाया जाए तो (ठीक वक्त पर) जाओ और फिर जब खा चुको तो (फौरन अपनी अपनी जगह) चले जाया करो और बातों में न लग जाया करो क्योंकि इससे पैग़म्बर को अज़ीयत होती है तो वह तुम्हारा लैहाज़ करते हैं और खुदा तो ठीक (ठीक कहने) से झेंपता नहीं और जब पैग़म्बर की बीवियों से कुछ माँगना हो तो पर्दे के बाहर से माँगा करो यही तुम्हारे दिलों और उनके दिलों के वास्ते बहुत सफाई की बात है और तुम्हारे वास्ते ये जायज़ नहीं कि रसूले खुदा को (किसी तरह) अज़ीयत दो और न ये जायज़ है कि तुम उसके बाद कभी उनकी बीवियों से निकाह करो बेशक ये ख़ुदा के नज़दीक बड़ा (गुनाह) है
غَيْرَ نَاظِرِينَ إِنَاهُ – অর্থাৎ, খাবারের পাকার বা প্রস্তুত হওয়ার অপেক্ষা না করা।
فَانتَشِرُوا – অর্থাৎ, খাওয়া শেষ হলে চলে যাও, বসে থেকে গল্প-গুজব করো না।
مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ – অর্থাৎ, কথাবার্তায় মশগুল থেকে আনন্দ লাভের উদ্দেশ্যে অবস্থান করা।
مَتَاعًا – অর্থাৎ, ঘরের ব্যবহার্য জিনিসপত্র, যেমন পাত্র ইত্যাদি।
حِجَابٍ – অর্থাৎ, পর্দা বা আড়াল।
তাফসীর:
হে ঈমানদারগণ! তোমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে প্রবেশ করো না, যতক্ষণ না তোমাদেরকে খাবারের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। আর খাবারের জন্য ডাকা হলে এমনভাবে প্রবেশ করো না যে, খাবার রান্না হওয়ার অপেক্ষায় বসে থাকবে। বরং যখন তোমাদেরকে দাওয়াত দেওয়া হয়, তখন প্রবেশ করো, আর খাওয়া শেষ হলে সাথে সাথে বেরিয়ে যাও, খাওয়ার পর সেখানে থেকে কথাবার্তায় মশগুল হয়ে সময় কাটাবে না। কারণ, তোমাদের এই অবস্থান নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কষ্ট দিত, আর তিনি লজ্জাবশত তোমাদেরকে কিছু বলতেন না। কিন্তু আল্লাহ সত্য প্রকাশ করতে লজ্জা করেন না, তাই তিনি তোমাদেরকে এই আদেশ দিয়েছেন।
আর যখন তোমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীদের কাছে কোনো জিনিস চাইবে, যেমন পাত্র বা অন্য কিছু, তখন পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এই বিধান তোমাদের অন্তর ও তাদের অন্তরের জন্য অধিক পবিত্র। কারণ, সরাসরি দেখা-সাক্ষাতের মাধ্যমে শয়তান অন্তরে কুমন্ত্রণা দিতে পারে। আর তোমাদের জন্য উচিত নয় যে, তোমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কষ্ট দেবে, এবং তার ইন্তেকালের পর তার স্ত্রীদেরকে বিয়ে করা তোমাদের জন্য চিরতরে হারাম। কেননা, তারা তোমাদের মা। এই কাজগুলো আল্লাহর কাছে অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।
শিক্ষা ও উপদেশ:
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শন করা প্রত্যেক মুমিনের ঈমানের দাবি। তার ব্যক্তিগত জীবন ও ঘর-সংসারকে সম্মান করা আমাদের কর্তব্য।
ইসলাম শিষ্টাচার ও ভদ্রতার শিক্ষা দেয়। কারো ঘরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ না করা, খাওয়ার পর দ্রুত চলে যাওয়া এবং অন্যের কষ্ট না দেওয়া — এসবই ইসলামের সৌন্দর্য।
পর্দার বিধান ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি সমাজের পবিত্রতা রক্ষা করে এবং নারী-পুরুষের সম্পর্ককে সতীত্ব ও মর্যাদার ভিত্তিতে গড়ে তোলে।
আল্লাহর রাসূলের প্রতি ভালোবাসা ঈমানের অংশ। তাকে কষ্ট দেওয়া এবং তার সম্মানহানি করা মারাত্মক গুনাহ। মুমিনের উচিত সর্বদা রাসূলের আদর্শ অনুসরণ করা এবং তার প্রতি ভালোবাসা পোষণ করা।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে।
হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।
আপনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা দূরে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা কাছে রাখতে পারেন। আপনি যাকে দূরে রেখেছেন, তাকে কামনা করলে তাতে আপনার কোন দোষ নেই। এতে অধিক সম্ভাবনা আছে যে, তাদের চক্ষু শীতল থাকবে; তারা দুঃখ পাবে না এবং আপনি যা দেন, তাতে তারা সকলেই সন্তুষ্ট থাকবে। তোমাদের অন্তরে যা আছে, আল্লাহ জানেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ নজর রাখেন।
হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।
নবী-পত্নীগণের জন্যে তাঁদের পিতা পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নি পুত্র, সহধর্মিনী নারী এবং অধিকার ভুক্ত দাসদাসীগণের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে গোনাহ নেই। নবী-পত্নীগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ব বিষয় প্রত্যক্ষ করেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।