Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ:
- আয়াত (এখানে): নিদর্শন, প্রমাণ, মু'জিযা।
- কিবলা: যে দিকে মুখ করে নামায পড়া হয়। মুসলমানদের কিবলা হলো কা'বা শরীফ।
- আহওয়া (أهواء): মনগড়া ইচ্ছা, প্রবৃত্তির অনুসরণ, কুপ্রবৃত্তি।
- যুলম (ظلم): সীমালঙ্ঘন করা, অন্যায় করা, নিজের ক্ষতি করা।
তাফসীর:
হে নবী! আল্লাহর কসম, আপনি ইহুদী ও খ্রিস্টানদের কাছে সমস্ত নিদর্শন, প্রমাণ ও মু'জিযা পেশ করলেও—যা প্রমাণ করে যে, কা'বার দিকে মুখ করা সত্য এবং আপনার রিসালাত সত্য—তবুও তারা আপনার কিবলা অনুসরণ করবে না। কারণ তাদের এই বিরোধিতা জ্ঞান বা প্রমাণের অভাব থেকে নয়, বরং এটি তাদের জেদ, হঠকারিতা এবং অহংকারের ফল। তারা সত্য জানার পরও তা মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।
অপরদিকে, আল্লাহ আপনাকে যে সত্য ও জ্ঞান দান করেছেন, তার ভিত্তিতে আপনি তাদের কিবলা অনুসরণ করবেন না—এটিই আপনার জন্য নির্ধারিত পথ। আর তাদের নিজেদের মধ্যেও কিবলা সম্পর্কে কোনো ঐক্য নেই; ইহুদীরা জেরুজালেমের দিকে মুখ করে, আর খ্রিস্টানরা পূর্ব দিকে মুখ করে। এমনকি একদল অন্যদলের কিবলাকেও সঠিক বলে মানে না। তাদের নিজেদের মধ্যে এতবড় মতভেদ থাকা সত্ত্বেও তারা আপনার বিরুদ্ধে একমত।
এরপর আল্লাহ তাআলা একটি কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন: হে নবী! যদি আপনি তাদের মনগড়া ইচ্ছা ও প্রবৃত্তির অনুসরণ করেন—কিবলা পরিবর্তনের ব্যাপারে হোক বা ইসলামের অন্যান্য বিধান সম্পর্কে—যে সত্য জ্ঞান ও নিশ্চিত প্রমাণ আপনার কাছে পৌঁছানোর পর, তবে নিশ্চয়ই আপনি যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবেন। অর্থাৎ, আপনি নিজের প্রতি অত্যাচার করবেন এবং সত্য পরিত্যাগ করে অসত্যকে গ্রহণ করবেন।
এই সতর্কবাণী যদিও নবী (সা.)-কে সম্বোধন করে বলা হয়েছে, কিন্তু আল্লাহ তাঁর নবীকে এ পথ থেকে পবিত্র ও রক্ষা করেছেন। প্রকৃতপক্ষে এই আয়াতটি উম্মতের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা। এটি ঘোষণা করে যে, সত্য স্পষ্ট হওয়ার পর কারো মতামত, প্রথা বা প্রবৃত্তির অনুসরণ করা সম্পূর্ণ হারাম এবং এটি যুলুম। ইসলামের কোনো বিধানকে খাটো করে দেখে বা লজ্জিত হয়ে অন্য ধর্ম বা সংস্কৃতির রীতিনীতি অনুসরণ করা—একজন মুমিনের জন্য মারাত্মক অন্যায়।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, সত্যের মাপকাঠি হলো আল্লাহর নির্দেশ ও রাসূলের সুন্নাহ, কোনো সম্প্রদায়ের রায় বা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত নয়। দ্বীনের ব্যাপারে আমাদের দৃঢ় থাকতে হবে, কারো ভয় বা লোভে প্রভাবিত না হয়ে। আল্লাহর পক্ষ থেকে যে জ্ঞান ও হিদায়াত এসেছে, তাতে সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের বৈশিষ্ট্য। আর যে ব্যক্তি সত্য জানার পরও প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, সে নিজের আত্মারই ক্ষতি করে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্যের উপর অবিচল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।
📜 আয়াত 143-147 — সূরা আল-বাকারা
অনুবাদ — আল-বাকারা 145
সূরা আল-বাকারা আয়াত 145 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : যদি আপনি আহলে কিতাবদের কাছে সমুদয় নিদর্শন উপস্থাপন করেন, তবুও…সূরা আয়াত 145/286 — সূরা আল-বাকারা البقرة (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-বাকারা শুনুন, সূরা আল-বাকারা অনুবাদ, সূরা আল-বাকারা mp3, সূরা আল-বাকারা pdf. আয়াত 143–147. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-বাকারা
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


