আল-বাকারা · 231/286
অনুবাদ উচ্চারণ — আল-বাকারা
وَإِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَأَمْسِكُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ أَوْ سَرِّحُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ ۚ وَلَا تُمْسِكُوهُنَّ ضِرَارًا لِّتَعْتَدُوا ۚ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُ ۚ وَلَا تَتَّخِذُوا آيَاتِ اللَّهِ هُزُوًا ۚ وَاذْكُرُوا نِعْمَتَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ وَمَا أَنزَلَ عَلَيْكُم مِّنَ الْكِتَابِ وَالْحِكْمَةِ يَعِظُكُم بِهِ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ ۝٢٣١
Wa izaa tallaqtumun nisaaa`a fabalaghna ajala hunna fa amsikoohunna bima`roofin law sarrihoo hunna bima`roof; wa laa tumsikoo hunna diraa rallita`tadoo; wa mai yaf`al zaalika faqad zalama nafsah; wa laa tattakhizooo aayaatillaahi huzuwaa; wazkuroo ni`matal laahi `alaikum wa maaa anzala `alaikum minal kitaabi wal ikmati ya`izukum bih; wattaqul laaha wa`lamooo annal laaha bikulli shai`i `Aleem
📖 বাংলা অর্থ
আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, অতঃপর তারা নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্ত করে নেয়, তখন তোমরা নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে রেখে দাও অথবা সহানুভুতির সাথে তাদেরকে মুক্ত করে দাও। আর তোমরা তাদেরকে জ্বালাতন ও বাড়াবাড়ি করার উদ্দেশ্যে আটকে রেখো না। আর যারা এমন করবে, নিশ্চয়ই তারা নিজেদেরই ক্ষতি করবে। আর আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করো না। আল্লাহর সে অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যা তোমাদের উপর রয়েছে এবং তাও স্মরণ কর, যে কিতাব ও জ্ঞানের কথা তোমাদের উপর নাযিল করা হয়েছে যার দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দান করা হয়। আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ যে, আল্লাহ সর্ববিষয়েই জ্ঞানময়।
📜

অনুবাদ — Tafsir

### معاني الكلمات:

  • فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ: অর্থাৎ তাদের ইদ্দত (নির্দিষ্ট অপেক্ষার সময়কাল) শেষ হওয়ার কাছাকাছি সময়ে পৌঁছেছে।
  • فَأَمْسِكُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ: তাদেরকে সৎ ও ন্যায়সংগত পদ্ধতিতে ফিরিয়ে নাও (রুজু করা)।
  • أَوْ سَرِّحُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ: অথবা তাদেরকে সৎ ও ন্যায়সংগত পদ্ধতিতে ছেড়ে দাও, অর্থাৎ ইদ্দত সম্পন্ন হতে দাও।
  • ضِرَارًا: ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে।
  • لِتَعْتَدُوا: যাতে তোমরা তাদের উপর জুলুম করতে পারো।
  • هُزُوًا: ঠাট্টা-তামাশা বা খেলার বস্তু।

### تفسير الآية:

যখন তোমরা স্ত্রীদের তালাক দাও এবং তারা তাদের ইদ্দতের শেষ প্রান্তে পৌঁছে যায়, তখন তোমাদের জন্য দুটি পথ উন্মুক্ত: হয় তাদেরকে সৎ ও ন্যায়সংগতভাবে ফিরিয়ে নাও (রুজু করো), অথবা তাদেরকে সৎ ও ন্যায়সংগতভাবে ছেড়ে দাও যেন ইদ্দত সম্পন্ন হয় এবং তারা নিজেদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে স্বাধীন হয়। তবে খেয়াল রেখো, তাদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে বা তাদের ওপর জুলুম করার জন্য তাদের ফিরিয়ে নিও না। জাহেলিয়াতের যুগে যেমনটি করা হতো—স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ইদ্দত শেষ হওয়ার কাছাকাছি সময়ে ফিরিয়ে নেওয়া হতো, আবার তালাক দেওয়া হতো, যাতে তার ইদ্দত দীর্ঘায়িত হয় এবং সে কষ্টে থাকে। এই আচরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যে ব্যক্তি এমন করবে, সে নিজেরই ক্ষতি করল, কারণ সে আল্লাহর শাস্তির উপযুক্ত হলো।

আর আল্লাহর আয়াতসমূহকে ঠাট্টা-তামাশার বস্তু বানিও না। অর্থাৎ তালাক, রুজু বা বিবাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে খেলার ছলে ব্যবহার করো না, যেমন কেউ তালাক দিয়ে বলে, "আমি তো ঠাট্টা করছিলাম।" আল্লাহর বিধানগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে। তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ করো—তিনি তোমাদের ইসলামের পথ দেখিয়েছেন এবং তোমাদের জন্য বিধানগুলো বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। আর স্মরণ করো সেই কিতাব (কুরআন) এবং হিকমত (সুন্নাহ) যা তিনি তোমাদের উপর নাজিল করেছেন, যার মাধ্যমে তিনি তোমাদের উপদেশ দিচ্ছেন। অতএব, আল্লাহকে ভয় করো এবং জানো যে, আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। তোমাদের গোপন ও প্রকাশ্য কোনো কাজই তাঁর অজানা নয়, এবং তিনি প্রত্যেককে তার কাজের যথাযথ প্রতিদান দেবেন।


### استنباط الفوائد:

  1. স্ত্রীদের সাথে সদাচরণের নির্দেশ: ইসলাম স্ত্রীদের সাথে ন্যায় ও সদাচরণের নির্দেশ দেয় এবং তাদের ক্ষতি করা বা জুলুম করা থেকে কঠোরভাবে নিষেধ করে। এটি ইসলামের নারী-সম্মান ও মানবাধিকারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার প্রমাণ।
  2. বিধান পালনে আন্তরিকতা: আল্লাহর বিধানগুলোকে খেলার বস্তু না বানিয়ে গুরুত্ব সহকারে পালন করা প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য। তালাক-রুজুর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঠাট্টা-তামাশা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
  3. আল্লাহর নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা: কুরআন ও সুন্নাহর মতো মহান নেয়ামত লাভের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা উচিত। এই নেয়ামতই মানুষকে সঠিক পথ দেখায় এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা এনে দেয়।
  4. আল্লাহর জ্ঞান ও তত্ত্বাবধানের সচেতনতা: আল্লাহ সবকিছু জানেন এবং প্রতিটি কাজের হিসাব নেবেন। এই বিশ্বাস মানুষকে সৎকর্মে উদ্বুদ্ধ করে এবং অন্যায় থেকে বিরত রাখে।
  5. সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা: এই আয়াত পারিবারিক জীবনে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করে, যা একটি সুস্থ সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি।
🎧 শুনুন

📜 আয়াত 229-233 — আল-বাকারা

229الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ ۖ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ ۗ وَلَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَأْخُذُوا مِمَّا آتَيْتُمُوهُنَّ شَيْئًا إِلَّا أَن يَخَافَا أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا فِيمَا افْتَدَتْ بِهِ ۗ تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَعْتَدُوهَا ۚ وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللَّهِ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ
তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম।
230فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ
তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কতৃꦣ2453; নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়।
231وَإِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَأَمْسِكُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ أَوْ سَرِّحُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ ۚ وَلَا تُمْسِكُوهُنَّ ضِرَارًا لِّتَعْتَدُوا ۚ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُ ۚ وَلَا تَتَّخِذُوا آيَاتِ اللَّهِ هُزُوًا ۚ وَاذْكُرُوا نِعْمَتَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ وَمَا أَنزَلَ عَلَيْكُم مِّنَ الْكِتَابِ وَالْحِكْمَةِ يَعِظُكُم بِهِ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, অতঃপর তারা নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্ত করে নেয়, তখন তোমরা নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে রেখে দাও অথবা সহানুভুতির সাথে তাদেরকে মুক্ত করে দাও। আর তোমরা তাদেরকে জ্বালাতন ও বাড়াবাড়ি করার উদ্দেশ্যে আটকে রেখো না। আর যারা এমন করবে, নিশ্চয়ই তারা নিজেদেরই ক্ষতি করবে। আর আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করো না। আল্লাহর সে অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যা তোমাদের উপর রয়েছে এবং তাও স্মরণ কর, যে কিতাব ও জ্ঞানের কথা তোমাদের উপর নাযিল করা হয়েছে যার দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দান করা হয়। আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ যে, আল্লাহ সর্ববিষয়েই জ্ঞানময়।
232وَإِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلَا تَعْضُلُوهُنَّ أَن يَنكِحْنَ أَزْوَاجَهُنَّ إِذَا تَرَاضَوْا بَيْنَهُم بِالْمَعْرُوفِ ۗ ذَٰلِكَ يُوعَظُ بِهِ مَن كَانَ مِنكُمْ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ۗ ذَٰلِكُمْ أَزْكَىٰ لَكُمْ وَأَطْهَرُ ۗ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও এবং তারপর তারাও নির্ধারিত ইদ্দত পূর্ন করতে থাকে, তখন তাদেরকে পূর্ব স্বামীদের সাথে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নিয়মানুযায়ী বিয়ে করতে বাধাদান করো না। এ উপদেশ তাকেই দেয়া হচ্ছে, যে আল্লাহ ও কেয়ামত দিনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে। এর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে একান্ত পরিশুদ্ধতা ও অনেক পবিত্রতা। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
233۞ وَالْوَالِدَاتُ يُرْضِعْنَ أَوْلَادَهُنَّ حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ ۖ لِمَنْ أَرَادَ أَن يُتِمَّ الرَّضَاعَةَ ۚ وَعَلَى الْمَوْلُودِ لَهُ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ ۚ لَا تُكَلَّفُ نَفْسٌ إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَا تُضَارَّ وَالِدَةٌ بِوَلَدِهَا وَلَا مَوْلُودٌ لَّهُ بِوَلَدِهِ ۚ وَعَلَى الْوَارِثِ مِثْلُ ذَٰلِكَ ۗ فَإِنْ أَرَادَا فِصَالًا عَن تَرَاضٍ مِّنْهُمَا وَتَشَاوُرٍ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا ۗ وَإِنْ أَرَدتُّمْ أَن تَسْتَرْضِعُوا أَوْلَادَكُمْ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِذَا سَلَّمْتُم مَّا آتَيْتُم بِالْمَعْرُوفِ ۗ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
আর সন্তানবতী নারীরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ন দু’বছর দুধ খাওয়াবে, যদি দুধ খাওয়াবার পূর্ণ মেয়াদ সমাপ্ত করতে চায়। আর সন্তানের অধিকারী অর্থাৎ, পিতার উপর হলো সে সমস্ত নারীর খোর-পোষের দায়িত্ব প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী। কাউকে তার সামর্থাতিরিক্ত চাপের সম্মুখীন করা হয় না। আর মাকে তার সন্তানের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না। এবং যার সন্তান তাকেও তার সন্তানের কারণে ক্ষতির সম্মুখীন করা যাবে না। আর ওয়ারিসদের উপরও দায়িত্ব এই। তারপর যদি পিতা-মাতা ইচ্ছা করে, তাহলে দু’বছরের ভিতরেই নিজেদের পারস্পরিক পরামর্শক্রমে দুধ ছাড়িয়ে দিতে পারে, তাতে তাদের কোন পাপ নেই, আর যদি তোমরা কোন ধাত্রীর দ্বারা নিজের সন্তানদেরকে দুধ খাওয়াতে চাও, তাহলে যদি তোমরা সাব্যস্তকৃত প্রচলিত বিনিময় দিয়ে দাও তাতেও কোন পাপ নেই। আর আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রেখো যে, আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ অত্যন্ত ভাল করেই দেখেন।
আল-বাকারাকুরআন সূচী
286আয়াত
মাদানীRevelation
231আয়াত

অনুবাদ — আল-বাকারা 231

সূরা আল-বাকারা আয়াত 231 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, অতঃপর তারা নির্ধারিত…

সূরা আয়াত 231/286 — আল-বাকারা البقرة (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: আল-বাকারা শুনুন, আল-বাকারা অনুবাদ, আল-বাকারা mp3, আল-বাকারা pdf. আয়াত 229–233. বাংলা অর্থ: हिन्दी.




পবিত্র কুরআন


Tuesday, August 18, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না