Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
কয়েকটি শব্দের অর্থ:
- বাল (بَلْ): বরং, প্রকৃতপক্ষে।
- আয়াতুন বাইয়্যিনাত (آيَاتٌ بَيِّنَاتٌ): সুস্পষ্ট ও পরিষ্কার নিদর্শনসমূহ।
- ফী সুদূরিল্লাযীনা উতুল-‘ইলম (فِي صُدُورِ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمِ): যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে তাদের অন্তরে/বক্ষে।
- ইয়াজহাদু (يَجْحَدُ): অস্বীকার করে, প্রত্যাখ্যান করে।
- য়়-য়়ালিমূন (الظَّالِمُونَ): সীমালঙ্ঘনকারী, অন্যায়কারী।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা কুরআন মজীদের মর্যাদা ও তার সংরক্ষণের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। কাফিররা যখন বলত যে, এ কিতাব তো আগের কোনো কিতাব থেকে নকল করা, অথবা এটা কোনো জাদুকরের কথা, তখন আল্লাহ তা‘আলা এর জবাবে বলেন— বরং এই কুরআন তো সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ, যা জ্ঞানপ্রাপ্তদের অন্তরে সংরক্ষিত। অর্থাৎ এই কিতাবের আয়াতগুলো এতই স্পষ্ট ও প্রমাণপূর্ণ যে, এগুলো মুখস্থ করার প্রয়োজনও পড়ে না; বরং যাদেরকে আল্লাহ জ্ঞান দান করেছেন, তাদের অন্তরেই এগুলো গভীরভাবে প্রোথিত থাকে। তারা এগুলোকে হৃদয় দিয়ে ধারণ করে, বুঝে এবং অন্যদের কাছে পৌঁছে দেয়। এটি একটি বড় মু‘জিযা যে, উম্মী (নিরক্ষর) নবী (সা.)-এর উপর অবতীর্ণ এই কিতাবটি হৃদয়ে সংরক্ষিত থেকে যুগে যুগে অপরিবর্তিতভাবে বর্তমান রয়েছে।
আর যারা এই স্পষ্ট আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে, তারা মূলত নিজেদেরই ক্ষতি করে। কারণ তারা জেনে-বুঝে সত্যকে গোপন করে এবং অন্যায়ভাবে তা প্রত্যাখ্যান করে। আল্লাহ বলেন, “আমার আয়াতসমূহকে কেবল তারাই অস্বীকার করে, যারা সীমালঙ্ঘনকারী (যালিম)।” অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে তারা জানে যে, এটি সত্য, তবুও অহংকার ও হঠকারিতার কারণে তারা তা মেনে নেয় না। যেমনটি ইয়াহুদী পণ্ডিতদের অবস্থা ছিল, যারা কুরআনের সত্যতা সম্পর্কে অবগত ছিল, কিন্তু হিংসা ও ক্ষমতার লোভে তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- কুরআন মজীদ আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা একটি জীবন্ত মু‘জিযা, যা জ্ঞানীদের অন্তরে সংরক্ষিত। এটি প্রমাণ করে যে, কুরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব আল্লাহ নিজেই নিয়েছেন, তাই কোনো শত্রুই এর বিন্দুমাত্র পরিবর্তন করতে সক্ষম নয়।
- প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে অন্তর আলোকিত হয় এবং কুরআনের সত্যতা উপলব্ধি করা সহজ হয়। যে ব্যক্তি আন্তরিকভাবে জ্ঞান অন্বেষণ করে, আল্লাহ তাকে সত্য বুঝার তাওফীক দেন।
- সত্য জানার পর তা অস্বীকার করা চরম অন্যায় ও জুলুম। আমাদের উচিত সত্যকে মেনে নেওয়া এবং নিজের ভুল স্বীকার করতে দ্বিধা না করা, কারণ এটিই মুমিনের বৈশিষ্ট্য।
- এই আয়াত আমাদেরকে কুরআন মুখস্থ করা, বুঝা এবং তা অনুযায়ী আমল করার প্রতি উৎসাহিত করে। যারা কুরআনকে অন্তরে ধারণ করে, তারা আল্লাহর কাছে সম্মানিত।
- ইসলামের দাওয়াত সবসময় প্রমাণ ও যুক্তির উপর ভিত্তি করে। কুরআনের আয়াতগুলো এতই স্পষ্ট যে, কোনো নিরপেক্ষ জ্ঞানী ব্যক্তি তা পড়ে সত্যকে অস্বীকার করতে পারে না।
📜 আয়াত 47-51 — সূরা আল-আঙ্কাবুত
অনুবাদ — আল-আঙ্কাবুত 49
সূরা আল-আঙ্কাবুত আয়াত 49 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : বরং যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তাদের অন্তরে ইহা (কোরআন) তো…সূরা আয়াত 49/69 — সূরা আল-আঙ্কাবুত العنكبوت (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-আঙ্কাবুত শুনুন, সূরা আল-আঙ্কাবুত অনুবাদ, সূরা আল-আঙ্কাবুত mp3, সূরা আল-আঙ্কাবুত pdf. আয়াত 47–51. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-আঙ্কাবুত
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


