Yawma taral mu`mineena walmu`minaati yas`aa nooruhum baina aydeehim wa biaymaanihim bushraakumul yawma jannaatun tajree min tahtihal anhaaru khaalideena feeha; zaalika huwal fawzul `azeem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যেদিন আপনি দেখবেন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীদেরকে, তাদের সম্মুখ ভাগে ও ডানপার্শ্বে তাদের জ্যোতি ছুটোছুটি করবে বলা হবেঃ আজ তোমাদের জন্যে সুসংবাদ জান্নাতের, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তাতে তারা চিরকাল থাকবে। এটাই মহাসাফল্য।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
जिस दिन तुम मोमिन मर्द और मोमिन औरतों को देखोगे कि उन (के ईमान) का नूर उनके आगे आगे और दाहिने तरफ चल रहा होगा तो उनसे कहा (जाएगा) तुमको बशारत हो कि आज तुम्हारे लिए वह बाग़ है जिनके नीचे नहरें जारी हैं जिनमें हमेशा रहोगे यही तो बड़ी कामयाबी है
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিনের একটি চমৎকার দৃশ্য বর্ণনা করেছেন, যখন মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে তাদের ঈমান ও নেক আমলের আলো দিয়ে সম্মানিত করা হবে। সেদিন প্রত্যেক মুমিনকে একটি প্রকৃত নূর (আলো) দেওয়া হবে, যা তাদের সামনে এবং ডান দিকে ছুটে চলবে। এই আলো তাদের পথকে আলোকিত করবে, বিশেষ করে পুলসিরাত পার হওয়ার সময়। তাদের সামনে ও ডান দিকে আলো থাকার অর্থ হলো—তারা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সম্মানের সাথে জান্নাতের পথে অগ্রসর হবে।
সেদিন ফেরেশতারা তাদেরকে সুসংবাদ দিবে: "আজ তোমাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার নিচ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত। সেখানে তোমরা চিরকাল থাকবে।" এটি এমন এক সাফল্য, যার চেয়ে বড় আর কোনো সাফল্য নেই। কারণ এখানে রয়েছে চিরস্থায়ী শান্তি, আরাম ও আল্লাহর সন্তুষ্টি।
এই আয়াতে রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে সম্বোধন করে বলা হয়েছে, তিনি সেদিন মুমিনদের এই সম্মানজনক অবস্থা স্বচক্ষে দেখতে পাবেন। এটি মুমিনদের জন্য এক বিশাল সম্মান ও আনন্দের বিষয়।
শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ:
ঈমান ও নেক আমলের আলো: প্রত্যেক মুমিনের ঈমান ও নেক আমলই তার জন্য প্রকৃত আলো। এই আলো দুনিয়ায় তার অন্তরকে আলোকিত করে এবং আখিরাতে তার পথকে আলোকিত করবে। তাই আমাদের উচিত সর্বদা নেক আমল করে এই আলোকে বৃদ্ধি করা।
আল্লাহর রহমতের সুসংবাদ: এই আয়াত মুমিনদের জন্য এক বিরাট সুসংবাদ। আল্লাহ তার বান্দাদেরকে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা কোনো শর্ত ছাড়াই নয়, বরং ঈমান ও আমলের ভিত্তিতে। এটি আমাদের আশা জাগায় এবং আমলের প্রতি উৎসাহিত করে।
চিরস্থায়ী সাফল্য: দুনিয়ার সব সাফল্য ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু জান্নাতের সাফল্য চিরস্থায়ী। তাই আমাদের উচিত দুনিয়ার অস্থায়ী লাভের পেছনে না ছুটে আখিরাতের স্থায়ী সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করা।
মুমিনের মর্যাদা: এই আয়াত প্রমাণ করে যে, আল্লাহর কাছে মুমিন বান্দাদের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। তাদেরকে সেদিন এমন সম্মান দেওয়া হবে যা দেখে সবাই অবাক হয়ে যাবে। এটি আমাদের ঈমানকে দৃঢ় করে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা বাড়ায়।
আমলের গুরুত্ব: নূরের পরিমাণ আমলের পরিমাণ অনুযায়ী হবে। যার আমল যত বেশি, তার নূর তত বেশি উজ্জ্বল হবে। তাই আমাদের উচিত জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে নেক আমলে ভরিয়ে দেওয়া, যাতে কিয়ামতের দিন আমাদের নূর উজ্জ্বল হয় এবং আমরা জান্নাতের সুসংবাদ শুনতে পাই।
যেদিন আপনি দেখবেন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীদেরকে, তাদের সম্মুখ ভাগে ও ডানপার্শ্বে তাদের জ্যোতি ছুটোছুটি করবে বলা হবেঃ আজ তোমাদের জন্যে সুসংবাদ জান্নাতের, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তাতে তারা চিরকাল থাকবে। এটাই মহাসাফল্য।
তোমাদেরকে আল্লাহর পথে ব্যয় করতে কিসে বাধা দেয়, যখন আল্লাহই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উত্তরাধিকারী? তোমাদের মধ্যে যে মক্কা বিজয়ের পূর্বে ব্যয় করেছে ও জেহাদ করেছে, সে সমান নয়। এরূপ লোকদের মর্যদা বড় তাদের অপেক্ষা, যার পরে ব্যয় করেছে ও জেহাদ করেছে। তবে আল্লাহ উভয়কে কল্যাণের ওয়াদা দিয়েছেন। তোমরা যা কর, আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত।
যেদিন আপনি দেখবেন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীদেরকে, তাদের সম্মুখ ভাগে ও ডানপার্শ্বে তাদের জ্যোতি ছুটোছুটি করবে বলা হবেঃ আজ তোমাদের জন্যে সুসংবাদ জান্নাতের, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তাতে তারা চিরকাল থাকবে। এটাই মহাসাফল্য।
যেদিন কপট বিশ্বাসী পুরুষ ও কপট বিশ্বাসিনী নারীরা মুমিনদেরকে বলবেঃ তোমরা আমাদের জন্যে অপেক্ষা কর, আমরাও কিছু আলো নিব তোমাদের জ্যোতি থেকে। বলা হবেঃ তোমরা পিছনে ফিরে যাও ও আলোর খোঁজ কর। অতঃপর উভয় দলের মাঝখানে খাড়া করা হবে একটি প্রাচীর, যার একটি দরজা হবে। তার অভ্যন্তরে থাকবে রহমত এবং বাইরে থাকবে আযাব।
তারা মুমিনদেরকে ডেকে বলবেঃ আমরা কি তোমাদের সাথে ছিলাম না? তারা বলবেঃ হঁ্যা কিন্তু তোমরা নিজেরাই নিজেদেরকে বিপদগ্রস্ত করেছ। প্রতীক্ষা করেছ, সন্দেহ পোষণ করেছ এবং অলীক আশার পেছনে বিভ্রান্ত হয়েছ, অবশেষে আল্লাহর আদেশ পৌঁছেছে। এই সবই তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারিত করেছে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।