Maaa afaaa`al laahu `alaa Rasoolihee min ahlil quraa falillaahi wa lir Rasooli wa lizil qurbaa wal yataamaa walmasaakeeni wabnis sabeeli kai laa yakoona doolatam bainal aghniyaaa`i minkum; wa maaa aataakumur Rasoolu fakhuzoohu wa maa nahaakum `anhu fantahoo; wattaqul laaha innal laaha shadeedul-`iqaab
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আল্লাহ জনপদবাসীদের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যা দিয়েছেন, তা আল্লাহর, রসূলের, তাঁর আত্নীয়-স্বজনের, ইয়াতীমদের, অভাবগ্রস্তদের এবং মুসাফিরদের জন্যে, যাতে ধনৈশ্বর্য্য কেবল তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যেই পুঞ্জীভূত না হয়। রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
तो जो माल ख़ुदा ने अपने रसूल को देहात वालों से बे लड़े दिलवाया है वह ख़ास ख़ुदा और उसके रसूल और (रसूल के) क़राबतदारों और यतीमों और मोहताजों और परदेसियों का है ताकि जो लोग तुममें से दौलतमन्द हैं हिर फिर कर दौलत उन्हीं में न रहे, हाँ जो तुमको रसूल दें दें वह ले लिया करो और जिससे मना करें उससे बाज़ रहो और ख़ुदा से डरते रहो बेशक ख़ुदा सख्त अज़ाब देने वाला है
مَا أَفَاءَ اللهُ (মা আফাআল্লাহু): যে সম্পদ আল্লাহ তাঁর রাসূলকে দান করেছেন কোনো যুদ্ধ-বিগ্রহ ছাড়াই, শান্তিপূর্ণভাবে।
أَهْلِ الْقُرَى (আহলিল কুরা): জনপদের অধিবাসী, অর্থাৎ কাফির সম্প্রদায় যাদের কাছ থেকে যুদ্ধ ছাড়াই সম্পদ পাওয়া গেছে।
دُولَةً (দূলাতান): এমন সম্পদ যা কেবল ধনীদের মধ্যে ঘোরাফেরা করে, গরিবরা তা থেকে বঞ্চিত থাকে।
ابْنِ السَّبِيلِ (ইবনুস সাবিল): মুসাফির যার পথে খরচ শেষ হয়ে গেছে এবং সে নিজ দেশে ফিরে যেতে অক্ষম।
وَاتَّقُوا اللَّهَ (ওয়াত্তাকুল্লাহ): আল্লাহর আদেশ পালন ও নিষেধ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে আল্লাহকে ভয় করা।
তাফসীর:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, যুদ্ধ ছাড়া শান্তিপূর্ণ উপায়ে যে সম্পদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতে এসেছে—তা এককভাবে কোনো ব্যক্তি বা গোত্রের সম্পত্তি নয়। বরং তা আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী বণ্টন করা হবে। এই সম্পদের মালিকানা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের, এবং তা বণ্টন করা হবে রাসূলের নিকটাত্মীয়, এতিম, দরিদ্র ও পথহারা মুসাফিরদের মধ্যে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—সম্পদ যেন কেবল ধনীদের হাতে কুক্ষিগত না থাকে, বরং সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরাও যেন এর থেকে উপকৃত হয়। এটি ইসলামের ন্যায়বিচার ও সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠার একটি মহান দৃষ্টান্ত।
এরপর আল্লাহ তাআলা মুমিনদের জন্য একটি সর্বজনীন নীতি ঘোষণা করেছেন: রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম) যা কিছু দেবেন, তা গ্রহণ করতে হবে; আর যা থেকে নিষেধ করবেন, তা থেকে বিরত থাকতে হবে। এটি শুধু সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রেই নয়, বরং দ্বীনের সকল বিষয়ে রাসূলের আনুগত্যের একটি মৌলিক নির্দেশ। কারণ রাসূলের আদেশ-নিষেধ আল্লাহর পক্ষ থেকেই নির্ধারিত। যারা এই নির্দেশ অমান্য করবে, তাদের জন্য রয়েছে আল্লাহর কঠিন শাস্তি।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি—ইসলামে সম্পদের সুষম বণ্টন এবং সমাজের দুর্বল শ্রেণির প্রতি যত্ন নেওয়া কত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ চান না যে, সমাজের সকল সম্পদ কেবল কয়েকজন ধনীর হাতে জমা থাকুক। তাই আমাদের উচিত নিজেদের সম্পদে গরিব-দুঃখী, এতিম ও অসহায়দের অধিকার আদায় করা এবং রাসূলের দেখানো পথে চলা। যারা আল্লাহর এই নির্দেশ মেনে চলে, তাদের জন্য রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ; আর যারা অমান্য করে, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। আল্লাহ আমাদের সকলকে তাঁর নির্দেশ মেনে চলার এবং রাসূলের আনুগত্য করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
আল্লাহ জনপদবাসীদের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যা দিয়েছেন, তা আল্লাহর, রসূলের, তাঁর আত্নীয়-স্বজনের, ইয়াতীমদের, অভাবগ্রস্তদের এবং মুসাফিরদের জন্যে, যাতে ধনৈশ্বর্য্য কেবল তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যেই পুঞ্জীভূত না হয়। রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।
আল্লাহ বনু-বনুযায়রের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যে ধন-সম্পদ দিয়েছেন, তজ্জন্যে তোমরা ঘোড়ায় কিংবা উটে চড়ে যুদ্ধ করনি, কিন্তু আল্লাহ যার উপর ইচ্ছা, তাঁর রসূলগণকে প্রাধান্য দান করেন। আল্লাহ সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
আল্লাহ জনপদবাসীদের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যা দিয়েছেন, তা আল্লাহর, রসূলের, তাঁর আত্নীয়-স্বজনের, ইয়াতীমদের, অভাবগ্রস্তদের এবং মুসাফিরদের জন্যে, যাতে ধনৈশ্বর্য্য কেবল তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যেই পুঞ্জীভূত না হয়। রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।
এই ধন-সম্পদ দেশত্যাগী নিঃস্বদের জন্যে, যারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টিলাভের অন্বেষণে এবং আল্লাহ তাঁর রসূলের সাহায্যার্থে নিজেদের বাস্তুভিটা ও ধন-সম্পদ থেকে বহিস্কৃত হয়েছে। তারাই সত্যবাদী।
যারা মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে মদীনায় বসবাস করেছিল এবং বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, তারা মুহাজিরদের ভালবাসে, মুহাজিরদেরকে যা দেয়া হয়েছে, তজ্জন্যে তারা অন্তরে ঈর্ষাপোষণ করে না এবং নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও তাদেরকে অগ্রাধিকার দান করে। যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।