Hattaaa izaa balagha maghribash shamsi wajadahaaa taghrubu fee `aynin hami`a tinw wa wajada `indahaa qawmaa; qulnaa yaa Zal Qarnaini immaaa an tu`az ziba wa immaaa an tattakhiza feehim husnaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
यहाँ तक कि जब (चलते-चलते) आफताब के ग़ुरूब होने की जगह पहुँचा तो आफताब उनको ऐसा दिखाई दिया कि (गोया) वह काली कीचड़ के चश्में में डूब रहा है और उसी चश्में के क़रीब एक क़ौम को भी आबाद पाया हमने कहा ऐ जुलकरनैन (तुमको एख्तियार है) ख्वाह इनके कुफ्र की वजह से इनकी सज़ा करो (कि ईमान लाए) या इनके साथ हुस्ने सुलूक का शेवा एख्तियार करो (कि खुद ईमान क़ुबूल करें)
অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
مَغْرِبَ الشَّمْسِ: সূর্যাস্তের স্থান, অর্থাৎ পশ্চিম দিকের প্রান্তসীমা।
عَيْنٍ حَمِئَةٍ: কর্দমাক্ত কালো কাদাযুক্ত জলপ্রস্রবণ বা ঝরনা।
قَوْمًا: এক সম্প্রদায় বা জাতি।
تُعَذِّبَ: শাস্তি দেওয়া (যেমন হত্যা বা অন্য শাস্তি)।
حُسْنًا: সদ্ব্যবহার, ক্ষমা বা সৎকাজ।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
আল্লাহ তাআলা বর্ণনা করছেন যে, যুল-কারনাইন পৃথিবীর পশ্চিম প্রান্তে পৌঁছে দেখলেন—চোখের দৃষ্টিতে মনে হলো সূর্য একটি কর্দমাক্ত কালো কাদাযুক্ত জলাশয়ে অস্ত যাচ্ছে। এটি ছিল তার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এমনটি দেখা, অর্থাৎ সমুদ্র বা কর্দমাক্ত প্রান্তে সূর্যাস্তের দৃশ্য। সেখানে তিনি এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন যারা কাফির ছিল। তখন আল্লাহ তাকে ইখতিয়ার দিলেন—হে যুল-কারনাইন! তুমি চাইলে তাদেরকে শাস্তি দিতে পারো (যদি তারা তাওহীদ মেনে না নেয়), অথবা তাদের প্রতি সদয় হতে পারো—অর্থাৎ তাদেরকে হেদায়াতের দিকে ডাকতে পারো, ক্ষমা করতে পারো, অথবা ইসলাম গ্রহণের শর্তে তাদেরকে রক্ষা করতে পারো। এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে তাকে ইলহাম বা নির্দেশনা, যাতে তিনি ন্যায়বিচার ও দয়ার মধ্যে ভারসাম্য রাখেন।
ফায়েদা (শিক্ষা ও উপকারিতা):
যুল-কারনাইনের মতো ক্ষমতাবান শাসককেও আল্লাহর নির্দেশের অধীন হতে হয়; ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করেছেন। এটি মুসলিম শাসকদের জন্য শিক্ষা যে, ন্যায়বিচার ও আল্লাহর আইনই সর্বোচ্চ।
শাস্তি ও ক্ষমা—উভয়ই ইসলামে বৈধ, তবে ক্ষমা ও সদ্ব্যবহার উত্তম যখন তা হেদায়াতের কারণ হয়। এটি দয়া ও সহনশীলতার প্রতি উৎসাহ দেয়।
দুনিয়ার কোনো স্থানই আল্লাহর ক্ষমতার বাইরে নয়; সূর্যাস্তের প্রান্তেও আল্লাহর বান্দা ও তাঁর বিধান কার্যকর। এটি আল্লাহর সর্বব্যাপী ক্ষমতার প্রতি বিশ্বাস জাগায়।
কাফিরদের সাথে আচরণে কঠোরতা ও নমনীয়তা—উভয় নীতি পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রযোজ্য; ইসলামে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সাথে সিদ্ধান্ত নেওয়ার শিক্ষা রয়েছে।
এই আয়াত মুমিনদের মনে এই আস্থা জাগায় যে, আল্লাহ তাঁর ন্যায়পরায়ণ বান্দাদেরকে সঠিক পথ দেখান এবং তাদের কর্মে বরকত দেন।
অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।