Wa laatankihul mushrikaati hattaa yu`minn; wa la amatum mu`minatun khairum mim mushrikatinw wa law a`jabatkum; wa laa tunkihul mushrikeena hattaa yu`minoo; wa la`abdummu`minun khairum mimmushrikinw wa law `ajabakum; ulaaa`ika yad`oona ilan Naari wallaahu yad`ooo ilal Jannati walmaghfirati biiznihee wa yubaiyinu Aayaatihee linnaasi la`allahum yatazakkaroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और (मुसलमानों) तुम मुशरिक औरतों से जब तक ईमान न लाएँ निकाह न करो क्योंकि मुशरिका औरत तुम्हें अपने हुस्नो जमाल में कैसी ही अच्छी क्यों न मालूम हो मगर फिर भी ईमानदार औरत उस से ज़रुर अच्छी है और मुशरेकीन जब तक ईमान न लाएँ अपनी औरतें उन के निकाह में न दो और मुशरिक तुम्हे कैसा ही अच्छा क्यो न मालूम हो मगर फिर भी ईमानदार औरत उस से ज़रुर अच्छी है और मुशरेकीन जब तक ईमान न लाएँ अपनी औरतें उन के निकाह में न दो और मुशरिक तुम्हें क्या ही अच्छा क्यों न मालूम हो मगर फिर भी बन्दा मोमिन उनसे ज़रुर अच्छा है ये (मुशरिक मर्द या औरत) लोगों को दोज़ख़ की तरफ बुलाते हैं और ख़ुदा अपनी इनायत से बेहिश्त और बख़्शिस की तरफ बुलाता है और अपने एहकाम लोगों से साफ साफ बयान करता है ताकि ये लोग चेते
আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
মুশরিকাত (مشرکات): যারা আল্লাহর সাথে অন্য কিছুকে শরিক করে, বিশেষত মূর্তিপূজক নারীগণ।
আমাতুন (أمة): দাসী বা ক্রীতদাসী।
আবদুন (عبد): দাস বা ক্রীতদাস।
আ‘জাবাতকুম (أعجبتكم): তোমাদের কাছে চমৎকার বা আকর্ষণীয় মনে হয়েছে।
ইয়াদ‘ঊনা (يدعون): ডাকে, আহ্বান করে।
লাইয়াতাযাক্কারূন (لعلهم يتذكرون): যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
তাফসীর:
হে মুমিনগণ! তোমরা মুশরিক (আল্লাহর সাথে শরিককারিণী) নারীদেরকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে এবং ইসলাম গ্রহণ করে। মনে রেখো, একজন ঈমানদার দাসী—যার কাছে সম্পদও নেই, বংশমর্যাদাও নেই—তবুও সে একজন মুশরিক স্বাধীন নারীর চেয়ে উত্তম, যদিও সেই মুশরিক নারী তার সৌন্দর্য, সম্পদ বা বংশমর্যাদায় তোমাদের মুগ্ধ করে। কারণ ঈমানের মূল্য সম্পদ বা বংশের চেয়ে অনেক বেশি।
অনুরূপভাবে, তোমরা তোমাদের মুসলিম নারীদেরকে (স্বাধীন হোক বা দাসী) মুশরিক পুরুষদের সাথে বিবাহ দিও না, যতক্ষণ না তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর ঈমান আনে। আর একজন ঈমানদার দাস—দারিদ্র্য সত্ত্বেও—একজন মুশরিক স্বাধীন ব্যক্তির চেয়ে উত্তম, যদিও সেই মুশরিক ব্যক্তি তোমাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়। কেননা ঈমানই আসল মর্যাদার মানদণ্ড।
এই মুশরিক পুরুষ ও নারীরা তাদের কথা ও কাজের মাধ্যমে মানুষকে এমন পথে ডাকে যা জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, আল্লাহ তাঁর রাসূলদের মাধ্যমে মানুষকে জান্নাত ও ক্ষমার পথে আহ্বান করেন। আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহে যাকে চান তাকে তাওফীক দেন। তিনি মানুষের জন্য তাঁর বিধান ও নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে মানুষ উপদেশ গ্রহণ করে এবং সঠিক পথ বেছে নেয়।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
ঈমানই মানুষের প্রকৃত মর্যাদার মাপকাঠি। বংশ, সম্পদ বা সৌন্দর্য নয়—ঈমান ও তাকওয়াই আল্লাহর কাছে সর্বোচ্চ সম্মানের কারণ।
বিবাহের ক্ষেত্রে ধর্মীয় সামঞ্জস্য অপরিহার্য। একজন মুসলিমের জন্য জীবনসঙ্গী নির্বাচনে ঈমানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
ইসলাম দাস-দাসীদের মানবিক মর্যাদা দিয়েছে এবং তাদেরকে স্বাধীন ব্যক্তির চেয়ে ঈমানের কারণে উত্তম বলে ঘোষণা করেছে—এটাই ইসলামের ন্যায়বিচার ও সমতার প্রমাণ।
ভালো-মন্দের পথ স্পষ্ট। মুশরিক ও খারাপ মানুষ যেখানে জাহান্নামের দিকে ডাকে, আল্লাহ সেখানে জান্নাত ও ক্ষমার দিকে আহ্বান করেন। তাই বুদ্ধিমান ব্যক্তির উচিত আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়া।
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, ইসলাম নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য পবিত্রতা ও নৈতিকতা রক্ষার নির্দেশ দেয় এবং একটি সুস্থ, ঈমানভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্ব দেয়।
তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দাও, এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ। আর মানুষের জন্যে উপকারিতাও রয়েছে, তবে এগুলোর পাপ উপকারিতা অপেক্ষা অনেক বড়। আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও, নিজেদের প্রয়োজনীয় ব্যয়ের পর যা বাঁচে তাই খরচ করবে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্দেশ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা করতে পার।
দুনিয়া ও আখেরাতের বিষয়ে। আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, এতীম সংক্রান্ত হুকুম। বলে দাও, তাদের কাজ-কর্ম সঠিকভাবে গুছিয়ে দেয়া উত্তম আর যদি তাদের ব্যয়ভার নিজের সাথে মিশিয়ে নাও, তাহলে মনে করবে তারা তোমাদের ভাই । বস্তুতঃ অমঙ্গলকামী ও মঙ্গলকামীদেরকে আল্লাহ জানেন। আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তোমাদের উপর জটিলতা আরোপ করতে পারতেন। নিশ্চয়ই তিনি পরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞ।
আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয (ঋতু) সম্পর্কে। বলে দাও, এটা অশুচি। কাজেই তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রীগমন থেকে বিরত থাক। তখন পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হবে না, যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়। যখন উত্তম রূপে পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে, তখন গমন কর তাদের কাছে, যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে হুকুম দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।
তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর। আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্থা কর এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক। আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে। আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।