অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- تَنزِيلٌ – অবতীর্ণ করা হয়েছে, নাযিলকৃত।
- الرَّحْمَٰنِ – দয়াময় (যিনি সৃষ্টিজগতের প্রতি অসীম দয়া ও অনুগ্রহশীল)।
- الرَّحِيمِ – পরম দয়ালু (যিনি মুমিনদের প্রতি বিশেষ দয়া ও ক্ষমাশীল)।
তাফসির:
এই পবিত্র কুরআন আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। এটি এমন মহান সত্তার কিতাব, যিনি ‘রাহমান’ (দয়াময়) এবং ‘রাহিম’ (পরম দয়ালু)। অর্থাৎ, এই কিতাবের প্রেরক সেই সত্তা, যাঁর দয়া সৃষ্টিজগতের সকল প্রাণীকে পরিবেষ্টন করে আছে এবং যাঁর বিশেষ রহমত মুমিন বান্দাদের প্রতি বর্ষিত হয়। এই আয়াতে আল্লাহ নিজেকে ‘রাহমান’ ও ‘রাহিম’ নামে পরিচয় দিয়ে বোঝাচ্ছেন যে, কুরআন নাযিল করা তাঁরই পক্ষ থেকে, যা তাঁর অসীম দয়া ও করুণারই বহিঃপ্রকাশ। তিনি এই কিতাবকে পাঠিয়েছেন তাঁর নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি, যাতে মানুষ সঠিক পথ খুঁজে পায় এবং দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য লাভ করে। এই ঘোষণা দ্বারা আল্লাহ তাআলা বান্দাদের মনে এই প্রত্যয় সৃষ্টি করছেন যে, এই কিতাব কোনো মানুষের রচনা নয়, বরং এটি বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ এক মহা অনুগ্রহ।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
- কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ একটি ঐশী গ্রন্থ, যা মানবজাতির জন্য হিদায়াতের উৎস।
- আল্লাহর ‘রাহমান’ ও ‘রাহিম’ নাম দুটি তাঁর দয়া ও করুণার পরিচায়ক, যা আমাদেরকে তাঁর কাছে আশা রাখতে শেখায়।
- এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহর দয়া এতই ব্যাপক যে, তিনি মানুষকে পথভ্রষ্টতার অন্ধকার থেকে বের করে আনার জন্য কিতাব নাযিল করেছেন।
- কুরআনের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রাখা প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য, কারণ এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার।
- এই ঘোষণা মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি আনে যে, যে কিতাব আমরা অনুসরণ করি, তা কোনো মানুষের তৈরি নয়, বরং মহান দয়াময় সত্তার পক্ষ থেকে প্রেরিত, তাই এর নির্দেশনা অনুসরণ করাই আমাদের সাফল্যের চাবিকাঠি।
📜 আয়াত 1-4 — ফুসসিলাত
অনুবাদ — ফুসসিলাত 2
সূরা ফুসসিলাত আয়াত 2 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : এটা অবতীর্ণ পরম করুণাময়, দয়ালুর পক্ষ থেকে।সূরা আয়াত 2/54 — ফুসসিলাত فصلت (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: ফুসসিলাত শুনুন, ফুসসিলাত অনুবাদ, ফুসসিলাত mp3, ফুসসিলাত pdf. আয়াত 1–4. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
পবিত্র কুরআন
Tuesday, August 18, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না








