Yaaa ayyuhan nabbiyyu izaa jaaa`akal mu`minaau yubaai naka `alaaa allaa yushrikna billaahi shai `anw wa laa yasriqna wa laa yazneena wa laa yaqtulna awlaadahunna wa laa yaateena bibuhtaaniny yaftaree nahoo baina aydeehinna wa arjulihinna wa laa ya`seenaka fee ma`roofin fabaayi`hunna wastaghfir lahunnal laaha innnal laaha ghafoorur raheem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
হে নবী, ঈমানদার নারীরা যখন আপনার কাছে এসে আনুগত্যের শপথ করে যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদেরকে হত্যা করবে না, জারজ সন্তানকে স্বামীর ঔরস থেকে আপন গর্ভজাত সন্তান বলে মিথ্যা দাবী করবে না এবং ভাল কাজে আপনার অবাধ্যতা করবে না, তখন তাদের আনুগত্য গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল অত্যন্ত দয়ালু।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) जब तुम्हारे पास ईमानदार औरतें तुमसे इस बात पर बैयत करने आएँ कि वह न किसी को ख़ुदा का शरीक बनाएँगी और न चोरी करेंगी और न जेना करेंगी और न अपनी औलाद को मार डालेंगी और न अपने हाथ पाँव के सामने कोई बोहतान (लड़के का शौहर पर) गढ़ के लाएँगी, और न किसी नेक काम में तुम्हारी नाफ़रमानी करेंगी तो तुम उनसे बैयत ले लो और ख़ुदा से उनके मग़फ़िरत की दुआ माँगो बेशक बड़ा ख़ुदा बख्शने वाला मेहरबान है
يُبَايِعْنَكَ – আপনার কাছে বাইয়াত (আনুগত্যের শপথ) গ্রহণ করবে।
بُهْتَانٍ – মিথ্যা অপবাদ, মনগড়া কথা।
يَفْتَرِينَهُ – যা তারা নিজেরা রচনা করে।
بَيْنَ أَيْدِيهِنَّ وَأَرْجُلِهِنَّ – অর্থাৎ সন্তানকে নিজের গর্ভজাত বলে স্বামীর কাছে উপস্থাপন করা; কারণ সন্তান জন্মের সময় মায়ের সামনে (হাতের কাছে) এবং পায়ের কাছে পড়ে।
مَعْرُوفٍ – শরিয়তসম্মত ভালো কাজ, যা আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
হে নবী! যখন আপনার কাছে ঈমানদার নারীরা এসে বাইয়াত গ্রহণের ইচ্ছা পোষণ করে—যেমনটি মক্কা বিজয়ের দিন ঘটেছিল—তখন তাদের কাছ থেকে এই শর্তগুলোতে অঙ্গীকার নিন:
তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে না; একমাত্র তাঁরই ইবাদত করবে।
তারা চুরি করবে না।
তারা ব্যভিচার করবে না।
তারা নিজেদের সন্তানদের হত্যা করবে না—জাহিলি যুগের মতো কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া বা গর্ভপাতের মাধ্যমে সন্তান নষ্ট করা।
তারা এমন মিথ্যা অপবাদ রচনা করবে না যার মাধ্যমে স্বামীর ঘরে পরপুরুষের সন্তানকে নিজের সন্তান বলে চালিয়ে দেবে—এটি জঘন্য প্রতারণা ও চরিত্রহীনতার পরিচয়।
তারা কোনো ভালো কাজে আপনার অবাধ্য হবে না—অর্থাৎ যে কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও শরিয়তের নির্দেশ রয়েছে, তাতে তারা আপনার আদেশ মানবে; যেমন মৃতের জন্য বিলাপ করা, চুল ছেঁড়া, গালে চপেটাঘাত করা ইত্যাদি জাহিলি প্রথা থেকে বিরত থাকা।
যখন তারা এই শর্তগুলোতে আপনার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করবে, তখন আপনি তাদের বাইয়াত গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল—তিনি তাঁর তাওবাকারী বান্দাদের গুনাহ মাফ করেন—এবং পরম দয়ালু—তিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম দয়া প্রদর্শন করেন।
দাওয়াতি বার্তা:
এই আয়াতটি ইসলামের পবিত্রতা ও নারীর মর্যাদা রক্ষার এক উজ্জ্বল দলিল। ইসলাম নারীকে এমন উচ্চ মর্যাদায় আসীন করেছে যে, তার কাছ থেকে সরাসরি পবিত্র জীবনযাপনের অঙ্গীকার নেওয়া হয়েছে। এই বাইয়াতের মাধ্যমে ইসলাম নারীকে চুরি, ব্যভিচার, সন্তান হত্যা, প্রতারণা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক সুদৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। আজকের যুগে নারীরা যখন নানা অনৈতিকতার শিকার, তখন এই আয়াত তাদের জন্য আলোকবর্তিকা—যে পথে চললে দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য নিশ্চিত। আল্লাহর রহমতের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত; তিনি তাওবাকারীকে ভালোবাসেন এবং তার গুনাহ মাফ করে দেন। আসুন, আমরা সবাই এই পবিত্র অঙ্গীকারকে নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করি এবং আল্লাহর ক্ষমা ও দয়া লাভের চেষ্টা করি।
হে নবী, ঈমানদার নারীরা যখন আপনার কাছে এসে আনুগত্যের শপথ করে যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদেরকে হত্যা করবে না, জারজ সন্তানকে স্বামীর ঔরস থেকে আপন গর্ভজাত সন্তান বলে মিথ্যা দাবী করবে না এবং ভাল কাজে আপনার অবাধ্যতা করবে না, তখন তাদের আনুগত্য গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল অত্যন্ত দয়ালু।
মুমিনগণ, যখন তোমাদের কাছে ঈমানদার নারীরা হিজরত করে আগমন করে, তখন তাদেরকে পরীক্ষা কর। আল্লাহ তাদের ঈমান সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জান যে, তারা ঈমানদার, তবে আর তাদেরকে কাফেরদের কাছে ফেরত পাঠিও না। এরা কাফেরদের জন্যে হালাল নয় এবং কাফেররা এদের জন্যে হালাল নয়। কাফেররা যা ব্যয় করেছে, তা তাদের দিয়ে দাও। তোমরা, এই নারীদেরকে প্রাপ্য মোহরানা দিয়ে বিবাহ করলে তোমাদের অপরাধ হবে না। তোমরা কাফের নারীদের সাথে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রেখো না। তোমরা যা ব্যয় করেছ, তা চেয়ে নাও এবং তারাও চেয়ে নিবে যা তারা ব্যয় করেছে। এটা আল্লাহর বিধান; তিনি তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।
তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যদি কেউ হাতছাড়া হয়ে কাফেরদের কাছে থেকে যায়, অতঃপর তোমরা সুযোগ পাও, তখন যাদের স্ত্রী হাতছাড়া হয়ে গেছে, তাদেরকে তাদের ব্যয়কৃত অর্থের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান কর এবং আল্লাহকে ভয় কর, যার প্রতি তোমরা বিশ্বাস রাখ।
হে নবী, ঈমানদার নারীরা যখন আপনার কাছে এসে আনুগত্যের শপথ করে যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদেরকে হত্যা করবে না, জারজ সন্তানকে স্বামীর ঔরস থেকে আপন গর্ভজাত সন্তান বলে মিথ্যা দাবী করবে না এবং ভাল কাজে আপনার অবাধ্যতা করবে না, তখন তাদের আনুগত্য গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল অত্যন্ত দয়ালু।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।