Fa in khiftum farijaalan aw rukbaanan fa izaaa amintum fazkurul laaha kamaa `allamakum maa lam takoonoo ta`lamoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতঃপর যদি তোমাদের কারো ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই পড়ে নাও অথবা সওয়ারীর উপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ কর, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और पूरी नमाज़ न पढ़ सको तो सवार या पैदल जिस तरह बन पड़े पढ़ लो फिर जब तुम्हें इत्मेनान हो तो जिस तरह ख़ुदा ने तुम्हें (अपने रसूल की मआरफत इन बातों को सिखाया है जो तुम नहीं जानते थे
أَمِنتُمْ – যখন তোমরা নিরাপদ বোধ করবে (ভয় দূর হয়ে যাবে)।
فَاذْكُرُوا الله – আল্লাহকে স্মরণ করো (অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গরূপে নামাজ আদায় করো এবং আল্লাহর জিকির করো)।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মতকে নামাজের গুরুত্ব ও তার সহজতার শিক্ষা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, যদি তোমরা শত্রুর ভয়ে থাকো এবং পূর্ণাঙ্গ নিয়মে নামাজ আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে নামাজ ছেড়ে দিও না; বরং পায়ে হেঁটে অথবা সওয়ারে চড়ে—যেভাবেই সম্ভব, যে অবস্থাতেই থাকো—নামাজ আদায় করে নাও। এমনকি প্রয়োজনে কেবল ইশারায় (মাথা বা চোখের ইশারায়) নামাজ আদায় করা জায়েয, এবং কিবলামুখী হওয়া সম্ভব না হলে যে দিকেই সম্ভব সেদিকেই নামাজ পড়বে। এটি শত্রুর ভয় বা যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতিতে নামাজের সহজ বিধান।
এরপর আল্লাহ বলেন, যখন তোমাদের ভয় দূর হয়ে যাবে এবং নিরাপদ বোধ করবে, তখন নামাজকে তার পূর্ণাঙ্গ নিয়ম-পদ্ধতি, রুকন, শর্ত ও আদবসহ আদায় করবে। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে এবং তাঁকে স্মরণ করবে—সব ধরনের জিকির, তাসবিহ, তাহমিদ এবং পূর্ণাঙ্গ নামাজের মাধ্যমে। কারণ আল্লাহই তোমাদের শিখিয়েছেন এমন সব বিষয় (নামাজের নিয়ম, হালাল-হারাম, ইবাদতের পদ্ধতি) যা তোমরা আগে জানতে না। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশাল অনুগ্রহ, তাই তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা তোমাদের কর্তব্য।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
নামাজ ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ; এমনকি যুদ্ধক্ষেত্র বা চরম ভয়ের সময়েও তা ছেড়ে দেওয়া জায়েয নয়, বরং সহজ পদ্ধতিতে হলেও আদায় করতে হবে।
ইসলাম একটি সহজ ও বাস্তবসম্মত জীবনব্যবস্থা। এটি কঠিন পরিস্থিতিতে মানুষের ওপর বোঝা চাপায় না, বরং সামর্থ্য অনুযায়ী বিধান দেয়।
নিরাপদ ও স্বাভাবিক অবস্থায় নামাজ পূর্ণাঙ্গ নিয়মে আদায় করা ওয়াজিব; কোনো শিথিলতা বৈধ নয়।
আল্লাহর শিক্ষা ও হিদায়াতের জন্য আমাদের সর্বদা কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত। আমরা নিজেরা কিছু জানতাম না, আল্লাহই আমাদের শিখিয়েছেন।
এই আয়াত মুমিনের মনে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও ভরসা জাগায়—তিনি কখনো বান্দাকে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখেন না, বরং প্রতিটি অবস্থার জন্য উপযুক্ত পথ দেখান।
অতঃপর যদি তোমাদের কারো ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই পড়ে নাও অথবা সওয়ারীর উপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ কর, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।
আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে। অবশ্য যদি নারীরা ক্ষমা করে দেয় কিংবা বিয়ের বন্ধন যার অধিকারে সে (অর্থাৎ, স্বামী) যদি ক্ষমা করে দেয় তবে তা স্বতন্ত্র কথা। আর তোমরা পুরুষরা যদি ক্ষমা কর, তবে তা হবে পরহেযগারীর নিকটবর্তী। আর পারস্পরিক সহানুভূতির কথা বিস্মৃত হয়ো না। নিশ্চয় তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ সেসবই অত্যন্ত ভাল করে দেখেন।
অতঃপর যদি তোমাদের কারো ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই পড়ে নাও অথবা সওয়ারীর উপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ কর, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।
আর যখন তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে তখন স্ত্রীদের ঘর থেকে বের না করে এক বছর পর্যন্ত তাদের খরচের ব্যাপারে ওসিয়ত করে যাবে। অতঃপর যদি সে স্ত্রীরা নিজে থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নারী যদি নিজের ব্যাপারে কোন উত্তম ব্যবস্থা করে, তবে তাতে তোমাদের উপর কোন পাপ নেই। আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী বিজ্ঞতা সম্পন্ন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।