Wa lammaa suqita feee aideehim wa ra aw annahum qad dalloo qaaloo la`il lam yarhamnaa Rabbunaa wa yaghfir lanaa lanakoonanna minal khaasireen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতঃপর যখন তারা অনুতপ্ত হল এবং বুঝতে পারল যে, আমরা নিশ্চিতই গোমরাহ হয়ে পড়েছি, তখন বলতে লাগল, আমাদের প্রতি যদি আমাদের পরওয়ারদেগার করুণা না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ধবংস হয়ে যাব।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और आप अपने ऊपर ज़ुल्म करते थे और जब वह पछताए और उन्होने अपने को यक़ीनी गुमराह देख लिया तब कहने लगे कि अगर हमारा परदिगार हम पर रहम नहीं करेगा और हमारा कुसूर न माफ़ करेगा तो हम यक़ीनी घाटा उठाने वालों में हो जाएगें
অতঃপর যখন তারা অনুতপ্ত হল এবং বুঝতে পারল যে, আমরা নিশ্চিতই গোমরাহ হয়ে পড়েছি, তখন বলতে লাগল, আমাদের প্রতি যদি আমাদের পরওয়ারদেগার করুণা না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ধবংস হয়ে যাব।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
سُقِطَ فِي أَيْدِيهِمْ – অর্থাৎ তারা অনুতপ্ত হলো, নিজেদের কাজের জন্য লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থী হলো। (আরবি ভাষায় এ অভিব্যক্তিটি গভীর অনুতাপ ও আক্ষেপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।)
ضَلُّوا – অর্থাৎ তারা পথভ্রষ্ট হলো, সত্য পথ থেকে বিচ্যুত হলো।
الْخَاسِرِينَ – অর্থাৎ যারা ক্ষতিগ্রস্ত, যাদের আমল বরবাদ হয়ে গেছে এবং তারা দুনিয়া ও আখিরাতে ব্যর্থ হয়েছে।
তাফসির:
যখন মূসা (আঃ) পাহাড় থেকে ফিরে এসে দেখলেন যে, তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা সোনার বাছুরের পূজা করছে, তখন তারা অত্যন্ত লজ্জিত ও অনুতপ্ত হলো। তাদের হাত দিয়ে যা ঘটে গিয়েছিল, তাতে তারা নিজেদের অক্ষম ও অসহায় অনুভব করল। তারা বুঝতে পারল যে, তারা সত্য পথ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত হয়ে গেছে এবং এই ভুলের মাধ্যমে তারা আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরে গেছে। তখন তারা গভীর অনুতাপের সাথে আল্লাহর কাছে ফিরে এলো এবং নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে বলল: “যদি আমাদের রব আমাদের প্রতি দয়া না করেন এবং আমাদের ক্ষমা না করেন, তবে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।” অর্থাৎ তারা বুঝতে পেরেছিল যে, আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা ছাড়া তাদের কোনো নাজাত নেই, আর যদি আল্লাহ তাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে তাদের সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে যাবে এবং তারা দুনিয়া ও আখিরাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হবে।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
ভুল করার পর সাথে সাথে অনুতপ্ত হওয়া এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য। বান্দা যখন ভুল করে, তখন তার উচিত আল্লাহর রহমতের আশা রাখা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা।
আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা অর্জনই মুমিনের সাফল্যের চাবিকাঠি। যে ব্যক্তি আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়, সে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত।
নিজের ভুল স্বীকার করা এবং আল্লাহর সামনে বিনয়ী হওয়া মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। এতে আল্লাহর রহমত লাভের পথ সুগম হয়।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, কোনো সম্প্রদায় বা ব্যক্তি যত বড় ভুলই করুক না কেন, যদি তারা আন্তরিকভাবে তাওবা করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, তবে আল্লাহ তাদের ক্ষমা করতে প্রস্তুত আছেন। আল্লাহর দরজা সর্বদা তাওবাকারীদের জন্য খোলা।
আর বানিয়ে নিল মূসার সম্প্রদায় তার অনুপস্থিতিতে নিজেদের অলংকারাদির দ্বারা একটি বাছুর তা থেকে বেরুচ্ছিল ‘হাম্বা হাম্বা’ শব্দ। তারা কি একথাও লক্ষ্য করল না যে, সেটি তাদের সাথে কথাও বলছে না এবং তাদেরকে কোন পথও বাতলে দিচ্ছে না! তারা সেটিকে উপাস্য বানিয়ে নিল। বস্তুতঃ তারা ছিল জালেম।
অতঃপর যখন তারা অনুতপ্ত হল এবং বুঝতে পারল যে, আমরা নিশ্চিতই গোমরাহ হয়ে পড়েছি, তখন বলতে লাগল, আমাদের প্রতি যদি আমাদের পরওয়ারদেগার করুণা না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ধবংস হয়ে যাব।
তারপর যখন মূসা নিজ সম্প্রদায়ে ফিরে এলেন রাগাম্বিত ও অনুতপ্ত অবস্থায়, তখন বললেন, আমার অনুপস্থিতিতে তোমরা আমার কি নিকৃষ্ট প্রতিনিধিত্বটাই না করেছ। তোমরা নিজ পরওয়ারদেগারের হুকুম থেকে কি তাড়াহুড়া করে ফেললে এবং সে তখতীগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিলেন এবং নিজের ভাইয়ের মাথার চুল চেপে ধরে নিজের দিকে টানতে লাগলেন। ভাই বললেন, হে আমার মায়ের পুত্র, লোকগুলো যে আমাকে দুর্বল মনে করল এবং আমাকে যে মেরে ফেলার উপক্রম করেছিল। সুতরাং আমার উপর আর শত্রুদের হাসিও না। আর আমাকে জালিমদের সারিতে গন্য করো না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।