Wa ammal jidaaru fakaana lighulaamaini yateemaini fil madeenati wa kaana tahtahoo kanzul lahumaa wa kaana aboohumaa saalihan fa araada Rabbuka any yablughaaa ashuddahumaa wa yastakhrijaa kanzahumaa rahmatam mir Rabbik; wa maa fa`altuhoo `an amree; zaalika taaweelu maa lam tasti` `alaihi sabra
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
প্রাচীরের ব্যাপার-সেটি ছিল নগরের দুজন পিতৃহীন বালকের। এর নীচে ছিল তাদের গুপ্তধন এবং তাদের পিতা ছিল সৎকর্ম পরায়ন। সুতরাং আপনার পালনকর্তা দায়বশতঃ ইচ্ছা করলেন যে, তারা যৌবনে পদার্পন করুক এবং নিজেদের গুপ্তধন উদ্ধার করুক। আমি নিজ মতে এটা করিনি। আপনি যে বিষয়ে ধৈর্য্যধারণ করতে অক্ষম হয়েছিলেন, এই হল তার ব্যাখ্যা।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और वह जो दीवार थी (जिसे मैंने खड़ा कर दिया) तो वह शहर के दो यतीम लड़कों की थी और उसके नीचे उन्हीं दोनों लड़कों का ख़ज़ाना (गड़ा हुआ था) और उन लड़कों का बाप एक नेक आदमी था तो तुम्हारे परवरदिगार ने चाहा कि दोनों लड़के अपनी जवानी को पहुँचे तो तुम्हारे परवरदिगार की मेहरबानी से अपना ख़ज़ाने निकाल ले और मैंने (जो कुछ किया) कुछ अपने एख्तियार से नहीं किया (बल्कि खुदा के हुक्म से) ये हक़ीक़त है उन वाक़यात की जिन पर आपसे सब्र न हो सका
প্রাচীরের ব্যাপার-সেটি ছিল নগরের দুজন পিতৃহীন বালকের। এর নীচে ছিল তাদের গুপ্তধন এবং তাদের পিতা ছিল সৎকর্ম পরায়ন। সুতরাং আপনার পালনকর্তা দায়বশতঃ ইচ্ছা করলেন যে, তারা যৌবনে পদার্পন করুক এবং নিজেদের গুপ্তধন উদ্ধার করুক। আমি নিজ মতে এটা করিনি। আপনি যে বিষয়ে ধৈর্য্যধারণ করতে অক্ষম হয়েছিলেন, এই হল তার ব্যাখ্যা।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
কানয (كنز): গুপ্তধন, মাটিতে লুকানো সম্পদ।
আশুদ্দাহুমা (أشدهما): পূর্ণ শক্তি ও প্রাপ্তবয়স্কতা, বুদ্ধির পরিপক্বতা।
লাম তাস্তি’ (لم تسطع): তুমি সক্ষম হওনি, ধৈর্য ধরতে পারোনি।
তাফসীর:
আর যে দেওয়ালটি আমি সোজা করে দিয়েছিলাম এবং আপনি তার প্রতি আপত্তি জানিয়েছিলেন—তার প্রকৃত ঘটনা হলো, এটি ছিল সেই শহরের দুজন এতিম ছেলের। তাদের পিতা মারা গিয়েছিলেন, আর এই দেওয়ালের নিচে তাদের জন্য একটি গুপ্তধন মাটিতে পুঁতে রাখা ছিল। তাদের পিতা ছিলেন একজন নেককার ও সৎকর্মপরায়ণ মানুষ। আপনার রবের ইচ্ছা ছিল যে, এই দুজন এতিম বালক পূর্ণ বয়সে পৌঁছুক, শারীরিক ও বুদ্ধিগতভাবে পরিপক্ব হোক, এবং তারপর নিজেদের সেই গুপ্তধনটি নিরাপদে উত্তোলন করুক। এটি ছিল আপনার রবের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি বিশেষ করুণা ও রহমত। কেননা, যদি দেওয়ালটি তখনই ভেঙে পড়ত, তবে গুপ্তধনটি উন্মোচিত হয়ে যেত এবং এতিমদের সম্পদ নষ্ট বা চুরি হওয়ার আশঙ্কা থাকত।
হে মূসা! আমি যা কিছু করেছি, তা আমার নিজের ইচ্ছা বা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত থেকে করিনি; বরং প্রতিটি কাজ আল্লাহর নির্দেশ ও তাঁর পক্ষ থেকে প্রদত্ত জ্ঞান অনুসারেই করেছি। এই হলো সেই ঘটনাগুলোর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য, যেগুলোর ব্যাপারে আপনি ধৈর্য ধরতে পারেননি এবং অধৈর্য হয়ে বারবার প্রশ্ন করেছেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
সৎ সন্তান ও পিতার আমলের বরকত: পিতা-মাতার নেক আমল শুধু তাদের নিজেদের জন্যই কল্যাণকর নয়, বরং তা তাদের সন্তানদের জন্যও রহমতের কারণ হয়। এই আয়াত প্রমাণ করে যে, একজন নেককার পিতার কারণে আল্লাহ তার সন্তানদের সম্পদ ও জীবন রক্ষা করেন।
এতিমদের প্রতি যত্ন: ইসলাম এতিমদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল। আল্লাহ নিজেই এতিমদের সম্পদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন এবং তাদের কল্যাণের জন্য পরিকল্পনা করেন। আমাদের উচিত এতিমদের প্রতি দয়া ও সহানুভূতি দেখানো এবং তাদের অধিকার রক্ষা করা।
আল্লাহর পরিকল্পনা সর্বোত্তম: মানুষের দৃষ্টিতে অনেক ঘটনা খারাপ বা অযৌক্তিক মনে হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর প্রতিটি সিদ্ধান্তের মধ্যে গভীর হিকমত (প্রজ্ঞা) লুকিয়ে থাকে। আমাদের উচিত আল্লাহর ফয়সালার উপর পূর্ণ আস্থা রাখা।
ধৈর্য ও আত্মনিয়ন্ত্রণ: জ্ঞান অন্বেষণের পথে ধৈর্য অপরিহার্য। খিযির (আঃ) এর ঘটনা শিক্ষা দেয় যে, কিছু বিষয়ের প্রকৃত তাৎপর্য বুঝতে সময় লাগে। আমাদের উচিত অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন ও আপত্তি থেকে বিরত থাকা এবং ধৈর্যের সাথে সত্য উদঘাটনের অপেক্ষা করা।
আল্লাহর রহমতের প্রতি আশাবাদী হওয়া: এতিমদের প্রতি আল্লাহর এই বিশেষ করুণা আমাদের শেখায় যে, আল্লাহ কখনো তাঁর বান্দাদের, বিশেষ করে অসহায় ও দুর্বলদের ভুলে যান না। তিনি তাদের জন্য এমন ব্যবস্থা করেন যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
প্রাচীরের ব্যাপার-সেটি ছিল নগরের দুজন পিতৃহীন বালকের। এর নীচে ছিল তাদের গুপ্তধন এবং তাদের পিতা ছিল সৎকর্ম পরায়ন। সুতরাং আপনার পালনকর্তা দায়বশতঃ ইচ্ছা করলেন যে, তারা যৌবনে পদার্পন করুক এবং নিজেদের গুপ্তধন উদ্ধার করুক। আমি নিজ মতে এটা করিনি। আপনি যে বিষয়ে ধৈর্য্যধারণ করতে অক্ষম হয়েছিলেন, এই হল তার ব্যাখ্যা।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।