Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
### معاني الكلمات:
- ফিতনা: এখানে অর্থ শিরক, কুফর এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখা।
- দ্বীন: এখানে অর্থ ইবাদত, আনুগত্য ও দীন ইসলাম।
- উদওয়ান: অর্থ জুলুম, সীমালঙ্ঘন বা অন্যায় আক্রমণ।
- যালিমুন: যারা কুফর ও শিরকের ওপর অটল থাকে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে।
### تفسير الآية:
হে মুমিনগণ! তোমরা মুশরিক ও কাফিরদের সাথে জিহাদ চালিয়ে যেতে থাকো, যতক্ষণ না ফিতনা (শিরক ও কুফর) সম্পূর্ণরূপে দূর হয়ে যায় এবং দ্বীন সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর জন্য খাঁটি হয়ে যায়—অর্থাৎ ইবাদত ও আনুগত্য একমাত্র আল্লাহর জন্যই হয়, তাঁর সাথে কাউকে শরিক করা না হয়। আর মানুষ যেন আল্লাহর পথ থেকে ফিরিয়ে না দেওয়া হয়। কিন্তু যদি তারা শিরক, কুফর ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থেকে বিরত হয় এবং ইসলাম গ্রহণ করে, তাহলে তোমরাও তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করো। কারণ জুলুম ও আগ্রাসন কেবল তাদেরই বিরুদ্ধে বৈধ, যারা জুলুম ও কুফরের ওপর অটল থাকে এবং অন্যায়ভাবে আল্লাহর বান্দাদের ওপর চাপিয়ে দেয়। তবে মনে রাখতে হবে, আখিরাতে জালিমদের শাস্তি আল্লাহর পক্ষ থেকে ন্যায়বিচার, তা জুলুম নয়; কিন্তু দুনিয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করা জুলুমেরই জবাব।
### فوائد:
- এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, ইসলামে যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য কখনোই মানুষ হত্যা বা সম্পদ লুণ্ঠন নয়; বরং উদ্দেশ্য হলো ফিতনা দূর করা এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা। যুদ্ধ কেবল সেই পরিস্থিতিতেই বৈধ, যখন মানুষকে ধর্মীয় স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হয় এবং আল্লাহর ইবাদতে বাধা সৃষ্টি করা হয়।
- ইসলাম অত্যন্ত শান্তিপ্রিয় ও সহনশীল। শত্রুরা যখন শান্তি চায় এবং অন্যায় থেকে বিরত থাকে, তখন তাদের সাথে যুদ্ধ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি ইসলামের মানবতা ও ন্যায়পরায়ণতার প্রমাণ।
- এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, প্রতিশোধ বা আগ্রাসন কেবল জালিমদের বিরুদ্ধেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত; নিরপরাধ ও শান্তিকামী মানুষের প্রতি কোনো ধরনের জুলুম ইসলাম অনুমোদন করে না।
- মুমিনের জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং তাঁর দ্বীনকে সমুন্নত করা। দুনিয়ার কোনো স্বার্থ বা ব্যক্তিগত ক্ষোভ যেন আমাদের কর্মপদ্ধতিকে প্রভাবিত না করে।
- এই আয়াত থেকে আমরা ধৈর্য ও কৌশলের শিক্ষা পাই—যখন শত্রু সত্যের পথে ফিরে আসে, তখন তাদের গ্রহণ করা এবং সংঘাতের পথ পরিহার করা। এটি ইসলামের শান্তি প্রতিষ্ঠার উচ্চ আদর্শকে তুলে ধরে।
📜 আয়াত 191-195 — সূরা আল-বাকারা
অনুবাদ — আল-বাকারা 193
সূরা আল-বাকারা আয়াত 193 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার…সূরা আয়াত 193/286 — সূরা আল-বাকারা البقرة (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-বাকারা শুনুন, সূরা আল-বাকারা অনুবাদ, সূরা আল-বাকারা mp3, সূরা আল-বাকারা pdf. আয়াত 191–195. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-বাকারা
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


