Yas`aloonaka `anish Shahril Haraami qitaalin feehi qul qitaahun feehi kabeerunw wa saddun `an sabeelil laahi wa kufrum bihee wal Masjidil Haraami wa ikhraaju ahlihee minhu akbaru `indal laah; walfitnatu akbaru minal qatl; wa laa yazaaloona yuqaatiloonakum hatta yaruddookum `an deenikum inis tataa`oo; wa mai yartadid minkum `an deenihee fayamut wahuwa kaafirun fa ulaaa`ika habitat a`maaluhum fid dunyaa wal aakhirati wa ulaaa`ika ashaabun Naari hum feehaa khaalidoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) तुमसे लोग हुरमत वाले महीनों की निस्बत पूछते हैं कि (आया) जिहाद उनमें जायज़ है तो तुम उन्हें जवाब दो कि इन महीनों में जेहाद बड़ा गुनाह है और ये भी याद रहे कि ख़ुदा की राह से रोकना और ख़ुदा से इन्कार और मस्जिदुल हराम (काबा) से रोकना और जो उस के अहल है उनका मस्जिद से निकाल बाहर करना (ये सब) ख़ुदा के नज़दीक इस से भी बढ़कर गुनाह है और फ़ितना परदाज़ी कुश्ती ख़़ून से भी बढ़ कर है और ये कुफ्फ़ार हमेशा तुम से लड़ते ही चले जाएँगें यहाँ तक कि अगर उन का बस चले तो तुम को तुम्हारे दीन से फिरा दे और तुम में जो शख्स अपने दीन से फिरा और कुफ़्र की हालत में मर गया तो ऐसों ही का किया कराया सब कुछ दुनिया और आखेरत (दोनों) में अकारत है और यही लोग जहन्नुमी हैं (और) वह उसी में हमेशा रहेंगें
সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
الشَّهْرِ الْحَرَامِ – সম্মানিত মাস, অর্থাৎ যে মাসগুলোতে যুদ্ধ নিষিদ্ধ ছিল (যিলক্বদ, যিলহজ, মুহাররম ও রজব)।
قِتَالٍ – যুদ্ধ করা।
صَدٌّ – বাধা দেওয়া, নিবৃত্ত করা।
الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ – পবিত্র কাবা ঘর।
إِخْرَاجُ أَهْلِهِ – এর অধিবাসীদের (মুমিনদের) বের করে দেওয়া।
الْفِتْنَةُ – শিরক, কুফরি এবং মুমিনদেরকে দ্বীন থেকে ফিরানোর চেষ্টা।
حَبِطَتْ – নিষ্ফল হয়ে গেছে, বিনষ্ট হয়ে গেছে।
يَرْتَدِدْ – ধর্মত্যাগী হয়, ইসলাম থেকে ফিরে যায়।
তাফসির:
হে নবী! লোকেরা আপনাকে জিজ্ঞেস করে সম্মানিত মাসে যুদ্ধ করার বিধান সম্পর্কে। তাদেরকে উত্তর দিন: সম্মানিত মাসে যুদ্ধ করা আল্লাহর কাছে গুরুতর অপরাধ। কিন্তু এর চেয়েও গুরুতর অপরাধ হলো—আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বাধা দেওয়া, আল্লাহর সাথে কুফরি করা, মুমিনদেরকে মসজিদুল হারামে প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদের (রাসূল ও মুমিনদের)কে সেখান থেকে বের করে দেওয়া। এসব অপরাধ আল্লাহর দৃষ্টিতে সম্মানিত মাসে যুদ্ধ করার চেয়েও অনেক বড়।
আর শিরক বা কুফরি—যার মধ্যে তারা লিপ্ত—তা তো হত্যার চেয়েও মারাত্মক। কারণ শিরক মানুষকে চিরস্থায়ী ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। কাফিররা তো সর্বদা চেষ্টা করছে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে, যদি তারা সক্ষম হয়। কিন্তু আল্লাহ তাদের সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ করবেন।
এরপর আল্লাহ সতর্ক করে বলছেন: তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ইসলাম থেকে ফিরে যাবে (ধর্মত্যাগী হবে) এবং কাফির অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, তার সমস্ত সৎকর্ম—নামাজ, রোজা, দান-সদকা—সব বিনষ্ট হয়ে যাবে। দুনিয়া ও আখিরাতে তার কোনো কল্যাণ থাকবে না। আর এমন লোকদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম, যেখানে তারা চিরকাল থাকবে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ইসলামে সময় ও স্থানের সম্মান আছে, তবে আল্লাহর সাথে কুফরি করা এবং মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ করা এর চেয়ে অনেক বড় অপরাধ।
শিরক ও কুফরি是人类 জীবনের সবচেয়ে বড় ধ্বংসের কারণ; এটি হত্যার চেয়েও ভয়াবহ।
কাফিররা কখনো মুমিনদেরকে দ্বীন থেকে ফিরানোর চেষ্টা বন্ধ করবে না, তাই মুমিনদের সতর্ক ও দৃঢ় থাকতে হবে।
ধর্মত্যাগের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ—সমস্ত নেক আমল বিনষ্ট হয়ে যায় এবং চিরস্থায়ী শাস্তির সম্মুখীন হতে হয়।
মুমিনের উচিত নিজের ঈমানকে সর্বদা সুরক্ষিত রাখা এবং দ্বীনের উপর অটল থাকা, কারণ ঈমানই হলো সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও-যে বস্তুই তোমরা ব্যয় কর, তা হবে পিতা-মাতার জন্যে, আত্নীয়-আপনজনের জন্যে, এতীম-অনাথদের জন্যে, অসহায়দের জন্যে এবং মুসাফিরদের জন্যে। আর তোমরা যে কোন সৎকাজ করবে, নিঃসন্দেহে তা অত্যন্ত ভালভাবেই আল্লাহর জানা রয়েছে।
তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা জান না।
সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।
আর এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই যে, যারা ঈমান এনেছে এবং যারা হিজরত করেছে আর আল্লাহর পথে লড়াই (জেহাদ) করেছে, তারা আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী করুনাময়।
তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দাও, এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ। আর মানুষের জন্যে উপকারিতাও রয়েছে, তবে এগুলোর পাপ উপকারিতা অপেক্ষা অনেক বড়। আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও, নিজেদের প্রয়োজনীয় ব্যয়ের পর যা বাঁচে তাই খরচ করবে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্দেশ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা করতে পার।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।