Walmutallaqaatu yatarab basna bi anfusihinna salaasata qurooo`; wa laa yahillu lahunna ai yaktumna maa khalaqal laahu feee arhaaminhinna in kunna yu`minna billaahi wal yawmil aakhir; wa bu`oola tuhunna ahaqqu biraddihinna fee zaalika in araadooo islaahaa; wa lahunna mislul lazee `araihinna bilma`roof; wa lirrijjaali `alaihinna daraja; wallaahu `Azeezun Hakeem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত। আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়। আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে। আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে, তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী। আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और जिन औरतों को तलाक़ दी गयी है वह अपने आपको तलाक़ के बाद तीन हैज़ के ख़त्म हो जाने तक निकाह सानी से रोके और अगर वह औरतें ख़ुदा और रोजे आख़िरत पर ईमान लायीं हैं तो उनके लिए जाएज़ नहीं है कि जो कुछ भी ख़ुदा ने उनके रहम (पेट) में पैदा किया है उसको छिपाएँ और अगर उन के शौहर मेल जोल करना चाहें तो वह (मुद्दत मज़कूरा) में उन के वापस बुला लेने के ज्यादा हक़दार हैं और शरीयत मुवाफिक़ औरतों का (मर्दों पर) वही सब कुछ हक़ है जो मर्दों का औरतों पर है हाँ अलबत्ता मर्दों को (फ़जीलत में) औरतों पर फौक़ियत ज़रुर है और ख़ुदा ज़बरदस्त हिक़मत वाला है
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত। আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়। আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে। আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে, তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী। আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
المُطَلَّقَاتُ — তালাকপ্রাপ্ত নারীরা।
يَتَرَبَّصْنَ — তারা অপেক্ষা করবে।
قُرُوءٍ — (এখানে) তিনটি হায়েজ বা তুহর (পবিত্রতা)।
بُعُولَتُهُنَّ — তাদের স্বামীরা।
أَحَقُّ بِرَدِّهِنَّ — তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকতর হকদার।
بِالْمَعْرُوفِ — শরিয়তসম্মত ও ন্যায়সংগত পদ্ধতিতে।
دَرَجَةٌ — একটি মর্যাদা/অতিরিক্ত অবস্থান।
তাফসির:
তালাকপ্রাপ্ত নারীদের জন্য নির্দেশ হলো, তারা যেন নিজেদেরকে বিরত রেখে তিনটি কুরু (অর্থাৎ তিনটি হায়েজ বা তিনটি পবিত্রতা) পর্যন্ত অপেক্ষা করে। এই অপেক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো জরায়ু গর্ভমুক্ত কি না তা নিশ্চিত হওয়া। এই ইদ্দতকালের মধ্যে তাদের জন্য অন্য কোনো পুরুষের সাথে বিয়ে করা বৈধ নয়। আর যে নারীরা প্রকৃত অর্থে আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তাদের জন্য জায়েয নয় যে, তারা আল্লাহ যা তাদের জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন—গর্ভ বা হায়েজ—তা গোপন করবে। কারণ এতে স্বামীর রজ‘আতের (ফিরিয়ে নেওয়ার) অধিকার ক্ষুণ্ন হয় এবং বংশ ও সন্তানের অধিকার নষ্ট হয়।
তালাকপ্রাপ্ত নারীর স্বামীই ইদ্দতের মধ্যে তাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে বেশি হকদার, যদি তারা (স্বামী-স্ত্রী উভয়ে) সৎ উদ্দেশ্যে ও সম্পর্ক সংশোধনের নিয়তে তা করে, ক্ষতি করার বা নিপীড়নের উদ্দেশ্যে নয়। নারীদের উপর স্বামীদের যেমন অধিকার রয়েছে, তেমনি স্বামীদের উপরও নারীদের সমান অধিকার রয়েছে—ন্যায়সংগত ও শরিয়তসম্মত পদ্ধতিতে। তবে পুরুষদের জন্য নারীদের উপর একটি অতিরিক্ত মর্যাদা রয়েছে, তা হলো সংসারের দায়িত্বভার বহন, নেতৃত্ব (কওয়ামাহ), এবং তালাকের অধিকার। আল্লাহ পরাক্রমশালী, তাঁর ক্ষমতার সবকিছুই আয়ত্তাধীন; আর তিনি প্রজ্ঞাময়, প্রতিটি বিধান যথাযথ স্থানে স্থাপন করেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ইসলাম নারীদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় অত্যন্ত যত্নবান। ইদ্দতের বিধান নারীর সুরক্ষা ও পারিবারিক শৃঙ্খলার জন্য অপরিহার্য।
সত্য বলা ও আমানত রক্ষা করা ঈমানের দাবি। গর্ভ বা হায়েজ গোপন করা যেমন অন্যায়, তেমনি যেকোনো বিষয়ে মিথ্যা ও প্রতারণা থেকে দূরে থাকা মুমিনের কর্তব্য।
পারিবারিক জীবনে সংশোধন ও সদিচ্ছা থাকলে ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের সুযোগ ইসলাম দিয়েছে। রজ‘আতের বিধান এরই প্রমাণ।
নারী-পুরুষের অধিকার ও দায়িত্ব পারস্পরিক ভারসাম্যপূর্ণ। পুরুষের অতিরিক্ত মর্যাদা মানে অত্যাচারের অনুমতি নয়, বরং দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি।
আল্লাহর প্রতিটি বিধান প্রজ্ঞাপূর্ণ; তাঁর সিদ্ধান্তে কল্যাণ নিহিত। তাই বিধান মানতে আমাদের অন্তর খোলা রাখা উচিত।
যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে অতঃপর যদি পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়, তবে আল্লাহ ক্ষামাকারী দয়ালু।
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত। আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়। আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে। আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে, তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী। আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম।
তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কতৃꦣ2453; নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।