Wa qaalal lazeenastud`ifoo lillazeenas takbaroo bal makrul laili wannahaari iz taamuroonanaaa an nakfura billaahi wa naj`ala lahooo andaadaa; wa asarrun nadaamata lammaa ra awul `azaab; wa ja`alnal aghlaala feee a`naaqil lazeena kafaroo; hal yujzawna illaa maa kanoo ya`maloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
দুর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, বরং তোমরাই তো দিবারাত্রি চক্রান্ত করে আমাদেরকে নির্দেশ দিতে যেন আমরা আল্লাহকে না মানি এবং তাঁর অংশীদার সাব্যস্ত করি তারা যখন শাস্তি দেখবে, তখন মনের অনুতাপ মনেই রাখবে। বস্তুতঃ আমি কাফেরদের গলায় বেড়ী পরাব। তারা সে প্রতিফলই পেয়ে থাকে যা তারা করত।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और कमज़ोर लोग बड़े लोगों से कहेंगे (कि ज़बरदस्ती तो नहीं की मगर हम खुद भी गुमराह नहीं हुए) बल्कि (तुम्हारी) रात-दिन की फरेबदेही ने (गुमराह किया कि) तुम लोग हमको खुदा न मानने और उसका शरीक ठहराने का बराबर हुक्म देते रहे (तो हम क्या करते) और जब ये लोग अज़ाब को (अपनी ऑंखों से) देख लेंगे तो दिल ही दिल में पछताएँगे और जो लोग काफिर हो बैठे हम उनकी गर्दनों में तौक़ डाल देंगे जो कारस्तानियां ये लोग (दुनिया में) करते थे उसी के मुवाफिक़ तो सज़ा दी जाएगी
দুর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, বরং তোমরাই তো দিবারাত্রি চক্রান্ত করে আমাদেরকে নির্দেশ দিতে যেন আমরা আল্লাহকে না মানি এবং তাঁর অংশীদার সাব্যস্ত করি তারা যখন শাস্তি দেখবে, তখন মনের অনুতাপ মনেই রাখবে। বস্তুতঃ আমি কাফেরদের গলায় বেড়ী পরাব। তারা সে প্রতিফলই পেয়ে থাকে যা তারা করত।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
مَكْرُ – চক্রান্ত, কুমন্ত্রণা, প্রতারণা।
أَندَادًا – সমকক্ষ, অংশীদার, উপাস্য।
أَسَرُّوا – গোপন রাখা, মনে মনে লুকিয়ে রাখা।
النَّدَامَةَ – অনুতাপ, আফসোস, লজ্জা।
الأَغْلَالَ – লোহার শিকল বা বেড়ি (যা গলায় পরানো হয়)।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
কিয়ামতের দিন যখন জাহান্নামের শাস্তি চোখের সামনে উপস্থিত হবে, তখন যারা দুনিয়ায় দুর্বল ও অসহায় ছিল এবং নেতাদের অনুসরণ করেছিল, তারা তাদেরই নেতাদের—যারা অহংকার করে সত্য প্রত্যাখ্যান করেছিল—তাদেরকে বলবে: “তোমাদের দাবি যে, আমরাই নিজেদের ইচ্ছায় পথভ্রষ্ট হয়েছি তা সত্য নয়। বরং তোমাদের সেই চক্রান্তই আমাদের ধ্বংস করেছে, যা তোমরা দিনে-রাতে চালাতে। তোমরা আমাদেরকে নির্দেশ দিতে যে, আল্লাহর সাথে কুফরি করো এবং তাঁর সমকক্ষ ও অংশীদার স্থির করো।” অর্থাৎ, তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেবে যে, তাদের পথভ্রষ্টতার মূল কারণ ছিল নেতাদের কুমন্ত্রণা ও প্রতারণা।
এরপর আল্লাহ বলেন, যখন তারা আযাব প্রত্যক্ষ করল, তখন প্রত্যেকে—নেতা ও অনুসারী উভয়ই—মনে মনে গভীর অনুতাপ ও আফসোস লুকিয়ে রাখল। কিন্তু এই অনুতাপ তখন আর কোনো কাজে আসবে না। আর যারা কুফরি করেছিল, তাদের গলায় আমরা লোহার শিকল পরিয়ে দেব। তাদেরকে এ শাস্তি দেওয়া হবে না, বরং তাদের নিজেদের কর্মেরই ফল দেওয়া হবে—যা তারা দুনিয়ায় করত। অর্থাৎ, তাদের শাস্তি সম্পূর্ণ ন্যায়সংগত, কারণ তারা নিজেরাই কুফরি ও মন্দ কাজ বেছে নিয়েছিল।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ভ্রান্ত নেতার অনুসরণ ধ্বংসের কারণ: যারা অন্যায় ও কুফরির পথে নেতৃত্ব দেয়, তাদের অনুসরণ করা কিয়ামতের দিন চরম আফসোস ও শাস্তির কারণ হবে। তাই আমাদের উচিত সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা, আর যারা আল্লাহর বিরুদ্ধে আহ্বান করে তাদের থেকে সতর্ক থাকা।
দায়িত্ব অস্বীকারের সুযোগ নেই: দুনিয়ায় কেউ বলতে পারবে না যে, “আমাকে কেউ পথভ্রষ্ট করেছে।” কারণ প্রত্যেকের নিজের বিবেক ও জ্ঞান আছে। কিয়ামতের দিন এই অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত ও কর্মের দায়িত্ব নিজেদেরকেই নিতে হবে।
অনুতাপের সময় সীমিত: দুনিয়ায় তওবা ও অনুতাপের দরজা খোলা, কিন্তু মৃত্যুর পর বা আযাব দেখার পর অনুতাপ কোনো কাজে আসে না। তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সৎকাজে ব্যবহার করা উচিত।
ন্যায়পরায়ণতা: আল্লাহর শাস্তি কখনো অন্যায় নয়; বরং তা আমাদের নিজেদের কর্মেরই ফল। এটি আমাদের শেখায় যে, দুনিয়ার প্রতিটি কাজের হিসাব থাকবে এবং আল্লাহ সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারক।
সত্যের পথে অবিচল থাকা: নেতা বা সমাজের চাপ যতই আসুক, আমাদের উচিত আল্লাহর একত্ববাদ ও সত্যের ওপর অটল থাকা। কারণ আল্লাহর নির্দেশই চূড়ান্ত, আর তাঁর বিচারই সর্বোত্তম।
কাফেররা বলে, আমরা কখনও এ কোরআনে বিশ্বাস করব না এবং এর পূর্ববর্তী কিতাবেও নয়। আপনি যদি পাপিষ্ঠদেরকে দেখতেন, যখন তাদেরকে তাদের পালনকর্তার সামনে দাঁড় করানো হবে, , তখন তারা পরস্পর কথা কাটাকাটি করবে। যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত, তারা অহংকারীদেরকে বলবে, তোমরা না থাকলে আমরা অবশ্যই মুমিন হতাম।
দুর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, বরং তোমরাই তো দিবারাত্রি চক্রান্ত করে আমাদেরকে নির্দেশ দিতে যেন আমরা আল্লাহকে না মানি এবং তাঁর অংশীদার সাব্যস্ত করি তারা যখন শাস্তি দেখবে, তখন মনের অনুতাপ মনেই রাখবে। বস্তুতঃ আমি কাফেরদের গলায় বেড়ী পরাব। তারা সে প্রতিফলই পেয়ে থাকে যা তারা করত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।