Wa seeqal lazeenat taqaw Rabbahum ilal Jannati zumaran hattaaa izaa jaaa`oohaa wa futihat abwaabuhaa wa qaala lahum khazanatuhaa salaamun `alaikum tibtum fadkhuloohaa khaalideen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করত তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা উম্মুক্ত দরজা দিয়ে জান্নাতে পৌছাবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা সুখে থাক, অতঃপর সদাসর্বদা বসবাসের জন্যে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और जो लोग अपने परवरदिगार से डरते थे वह गिर्दो गिर्दा (गिरोह गिरोह) बेहिश्त की तरफ़ (एजाज़ व इकराम से) बुलाए जाएगें यहाँ तक कि जब उसके पास पहुँचेगें और बेहिश्त के दरवाज़े खोल दिये जाएँगें और उसके निगेहबान उन से कहेंगें सलाम अलैकुम तुम अच्छे रहे, तुम बेहिश्त में हमेशा के लिए दाख़िल हो जाओ
যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করত তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা উম্মুক্ত দরজা দিয়ে জান্নাতে পৌছাবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা সুখে থাক, অতঃপর সদাসর্বদা বসবাসের জন্যে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
وَسِيقَ — তাদেরকে মর্যাদার সাথে নিয়ে যাওয়া হবে।
زُمَرًا — দলে দলে, বিভিন্ন দল।
خَزَنَتُهَا — জান্নাতের রক্ষক ফেরেশতাগণ।
طِبْتُمْ — তোমরা পবিত্র ও ভালো হয়েছ।
তাফসীর:
যারা নিজেদের রবকে ভয় করেছে—তাঁর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং তাঁর আদেশ পালন ও নিষেধ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন করেছে—তাদেরকে সম্মান ও মর্যাদার সাথে ফেরেশতারা জান্নাতের দিকে দলে দলে নিয়ে যাবেন। তাদের এই আগমন হবে অত্যন্ত সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে, কোনো কষ্ট বা বেগ ছাড়াই। যখন তারা জান্নাতের নিকটবর্তী হবে এবং তার দরজাসমূহ তাদের জন্য খুলে দেওয়া হবে—যা তাদের সম্মানার্থে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছে—তখন জান্নাতের রক্ষক ফেরেশতারা তাদেরকে স্বাগত জানিয়ে বলবেন: “তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। তোমরা সমস্ত ক্ষতি ও অকল্যাণ থেকে নিরাপদ। তোমরা পবিত্র হয়েছ—তোমাদের অন্তর, কর্ম ও বিশ্বাস উত্তম ও পবিত্র। তাই চিরকালের জন্য জান্নাতে প্রবেশ করো, যেখানে তোমরা স্থায়ী হবে এবং আর কখনো বের হবে না।”
এখানে লক্ষণীয় যে, জাহান্নামীদেরকে যেমন অপমান ও তাড়াহুড়ার সাথে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে, তেমনি মুত্তাকীদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হবে অত্যন্ত সম্মান ও যত্নের সাথে। তাদের জন্য জান্নাতের দরজা খোলা হবে এবং ফেরেশতারা তাদেরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাবেন।
উপকার ও শিক্ষা:
তাকওয়া বা আল্লাহভীরুতাই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় আল্লাহকে ভয় করে চলে, আল্লাহ তাকে আখিরাতে সম্মানিত করবেন।
জান্নাতে প্রবেশ হবে দলে দলে—এতে বোঝা যায় যে, প্রত্যেকের মর্যাদা ও অবস্থান ভিন্ন হবে এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ আমল অনুযায়ী স্থান পাবে।
জান্নাতের দরজা মুত্তাকীদের জন্য খোলা থাকবে এবং ফেরেশতারা তাদেরকে সম্মান ও ভালোবাসার সাথে স্বাগত জানাবেন—এটি মুমিনের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ সুসংবাদ।
ফেরেশতাদের সালাম ও শান্তির বাণী প্রমাণ করে যে, জান্নাতের পরিবেশ হবে সম্পূর্ণ নিরাপদ, শান্তিময় এবং সকল প্রকার ভয়-ভীতি ও দুশ্চিন্তামুক্ত।
“طِبْتُمْ” শব্দটি নির্দেশ করে যে, জান্নাতে প্রবেশের পূর্বশর্ত হলো অন্তর ও আমলের পবিত্রতা। যারা দুনিয়ায় নিজেদেরকে গুনাহের ময়লা থেকে পবিত্র রাখবে, তারাই জান্নাতের উপযুক্ত হবে।
এই আয়াত মুমিনদের জন্য আশা ও উৎসাহের বার্তা বহন করে—তাদের ধৈর্য, ইবাদত ও তাকওয়ার প্রতিদান চিরস্থায়ী সুখ ও শান্তির জান্নাত।
কাফেরদেরকে জাহান্নামের দিকে দলে দলে হাঁকিয়ে নেয়া হবে। তারা যখন সেখানে পৌছাবে, তখন তার দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে এবং জাহান্নামের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে পয়গম্বর আসেনি, যারা তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করত এবং সতর্ক করত এ দিনের সাক্ষাতের ব্যাপারে? তারা বলবে, হঁ্যা, কিন্তু কাফেরদের প্রতি শাস্তির হুকুমই বাস্তবায়িত হয়েছে।
যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করত তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা উম্মুক্ত দরজা দিয়ে জান্নাতে পৌছাবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা সুখে থাক, অতঃপর সদাসর্বদা বসবাসের জন্যে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর।
তারা বলবে, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের প্রতি তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন এবং আমাদেরকে এ ভূমির উত্তরাধিকারী করেছেন। আমরা জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা বসবাস করব। মেহনতকারীদের পুরস্কার কতই চমৎকার।
আপনি ফেরেশতাগণকে দেখবেন, তারা আরশের চার পাশ ঘিরে তাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষনা করছে। তাদের সবার মাঝে ন্যায় বিচার করা হবে। বলা হবে, সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।