আন-নিসা · 45/176
অনুবাদ উচ্চারণ — সূরা আন-নিসা
وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِأَعْدَائِكُمْ ۚ وَكَفَىٰ بِاللَّهِ وَلِيًّا وَكَفَىٰ بِاللَّهِ نَصِيرًا ۝٤٥
Wallaahu a`lamu bi a`daaa`i-kum; wa kafaa billaahi waliyyanw wa kafaa billaahi naseera
📖 বাংলা অর্থ
অথচ আল্লাহ তোমাদের শত্রুদেরকে যথার্থই জানেন। আর অভিভাবক হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসাবেও আল্লাহই যথেষ্ট।

M Mishary Rashid Alafasy ✓
M Mahmoud Khalil Al-Husary ✓
A Abdurrahman As-Sudais ✓
M Mohamed Siddiq Al-Minshawi ✓
A Abdul Basit Abdul Samad ✓
A Ali Al-Hudhaify ✓
A Ahmed ibn Ali al-Ajamy ✓
A Abu Bakr Ash-Shaatree ✓
M Muhammad Ayyoub ✓
A Abdullah Basfar ✓
A Abdullah Al-Juhani ✓
M Maher Al Muaiqly ✓
0:00
0:00
📜

অনুবাদ — Tafsir

শব্দার্থ:

  • أَعْلَمُ — সর্বাধিক জ্ঞাত, সবচেয়ে ভালো জানেন।
  • وَلِيًّا — অভিভাবক, সাহায্যকারী, রক্ষক।
  • نَصِيرًا — সাহায্যকারী, বিজয় দানকারী।

তাফসীর:

হে মুমিনগণ! আল্লাহ তাআলা তোমাদের চেয়ে অনেক বেশি জানেন কারা তোমাদের শত্রু এবং তাদের অন্তরে কী আছে। তিনি তোমাদেরকে তাদের সম্পর্কে অবহিত করেছেন এবং তাদের শত্রুতার কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। তাই তোমাদের উচিত তাদের থেকে সতর্ক থাকা এবং তাদের কৌশলের ব্যাপারে ভীত না হওয়া। কেননা আল্লাহই তোমাদের যথেষ্ট অভিভাবক—তিনি তোমাদের দেখাশোনা করেন, তোমাদের রক্ষা করেন এবং তোমাদের বিষয়সমূহ পরিচালনা করেন। আর আল্লাহই তোমাদের জন্য যথেষ্ট সাহায্যকারী—তিনি তোমাদের শত্রুদের মোকাবিলায় তোমাদেরকে শক্তি দান করেন, তাদের কুমন্ত্রণা ও অনিষ্ট থেকে রক্ষা করেন এবং তাদের ওপর তোমাদের বিজয় দান করেন। সুতরাং যখন আল্লাহ তোমাদের সাথে আছেন, তখন কোনো শত্রুর ভয় নেই।

উপকারিতা ও শিক্ষা:

  1. আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু—তিনি তাদের শত্রুদের সম্পর্কে অবহিত করেন যেন তারা সতর্ক থাকতে পারে।
  2. মুমিনের জীবনে আল্লাহই একমাত্র প্রকৃত অভিভাবক ও সাহায্যকারী। যখনই বিপদ বা শত্রুর ভয় আসে, তখন আল্লাহর ওপর ভরসা করাই সবচেয়ে বড় শক্তি।
  3. এই আয়াত মুমিনদের মনে সাহস ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করে—শত্রু যত শক্তিশালীই হোক না কেন, আল্লাহর সাহায্য থাকলে তারা কখনো ক্ষতি করতে পারবে না।
  4. ইসলাম আমাদেরকে শত্রু চেনার এবং সতর্ক থাকার শিক্ষা দেয়, তবে ভয় পেতে নয় বরং আল্লাহর ওপর নির্ভর করতে শেখায়। এটি মুমিনের হৃদয়কে প্রশান্তি দেয় এবং তাকে ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে পথ চলতে উৎসাহিত করে।


📜 আয়াত 43-47 — সূরা আন-নিসা

43يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَقْرَبُوا الصَّلَاةَ وَأَنتُمْ سُكَارَىٰ حَتَّىٰ تَعْلَمُوا مَا تَقُولُونَ وَلَا جُنُبًا إِلَّا عَابِرِي سَبِيلٍ حَتَّىٰ تَغْتَسِلُوا ۚ وَإِن كُنتُم مَّرْضَىٰ أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِّنكُم مِّنَ الْغَائِطِ أَوْ لَامَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا فَامْسَحُوا بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَفُوًّا غَفُورًا
হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ, আর (নামাযের কাছে যেও না) ফরয গোসলের আবস্থায়ও যতক্ষণ না গোসল করে নাও। কিন্তু মুসাফির অবস্থার কথা স্বতন্ত্র আর যদি তোমরা অসুস্থ হয়ে থাক কিংবা সফরে থাক অথবা তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি প্রস্রাব-পায়খানা থেকে এসে থাকে কিংবা নারী গমন করে থাকে, কিন্তু পরে যদি পানিপ্রাপ্তি সম্ভব না হয়, তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-তাতে মুখমন্ডল ও হাতকে ঘষে নাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।
44أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ أُوتُوا نَصِيبًا مِّنَ الْكِتَابِ يَشْتَرُونَ الضَّلَالَةَ وَيُرِيدُونَ أَن تَضِلُّوا السَّبِيلَ
তুমি কি ওদের দেখনি, যারা কিতাবের কিছু অংশ প্রাপ্ত হয়েছে, (অথচ) তারা পথভ্রষ্টতা খরিদ করে এবং কামনা করে, যাতে তোমরাও আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত হয়ে যাও।
45وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِأَعْدَائِكُمْ ۚ وَكَفَىٰ بِاللَّهِ وَلِيًّا وَكَفَىٰ بِاللَّهِ نَصِيرًا
অথচ আল্লাহ তোমাদের শত্রুদেরকে যথার্থই জানেন। আর অভিভাবক হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসাবেও আল্লাহই যথেষ্ট।
46مِّنَ الَّذِينَ هَادُوا يُحَرِّفُونَ الْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِ وَيَقُولُونَ سَمِعْنَا وَعَصَيْنَا وَاسْمَعْ غَيْرَ مُسْمَعٍ وَرَاعِنَا لَيًّا بِأَلْسِنَتِهِمْ وَطَعْنًا فِي الدِّينِ ۚ وَلَوْ أَنَّهُمْ قَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَاسْمَعْ وَانظُرْنَا لَكَانَ خَيْرًا لَّهُمْ وَأَقْوَمَ وَلَٰكِن لَّعَنَهُمُ اللَّهُ بِكُفْرِهِمْ فَلَا يُؤْمِنُونَ إِلَّا قَلِيلًا
কোন কোন ইহুদী তার লক্ষ্য থেকে কথার মোড় ঘুড়িয়ে নেয় এবং বলে, আমরা শুনেছি কিন্তু অমান্য করছি। তারা আরো বলে, শোন, না শোনার মত। মুখ বাঁকিয়ে দ্বীনের প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শনের উদ্দেশে বলে, রায়েনা’ (আমাদের রাখাল)। অথচ যদি তারা বলত যে, আমরা শুনেছি ও মান্য করেছি এবং (যদি বলত, ) শোন এবং আমাদের প্রতি লক্ষ্য রাখ, তবে তাই ছিল তাদের জন্য উত্তম আর সেটাই ছিল যথার্থ ও সঠিক। কিন্তু আল্লাহ তাদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন তাদের কুফরীর দরুন। অতএব, তারা ঈমান আনছে না, কিন্তু অতি অল্পসংখ্যক।
47يَا أَيُّهَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ آمِنُوا بِمَا نَزَّلْنَا مُصَدِّقًا لِّمَا مَعَكُم مِّن قَبْلِ أَن نَّطْمِسَ وُجُوهًا فَنَرُدَّهَا عَلَىٰ أَدْبَارِهَا أَوْ نَلْعَنَهُمْ كَمَا لَعَنَّا أَصْحَابَ السَّبْتِ ۚ وَكَانَ أَمْرُ اللَّهِ مَفْعُولًا
হে আসমানী গ্রন্থের অধিকারীবৃন্দ! যা কিছু আমি অবতীর্ণ করেছি তার উপর বিশ্বাস স্থাপন কর, যা সে গ্রন্থের সত্যায়ন করে এবং যা তোমাদের নিকট রয়েছে পূর্ব থেকে। (বিশ্বাস স্থাপন কর) এমন হওয়ার আগেই যে, আমি মুছে দেব অনেক চেহারাকে এবং অতঃপর সেগুলোকে ঘুরিয়ে দেব পশ্চাৎ দিকে কিংবা অভিসম্পাত করব তাদের প্রতি যেমন করে অভিসম্পাত করেছি আছহাবে-সাবতের উপর। আর আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর হবে।
আন-নিসাকুরআন সূচী
176আয়াত
মাদানীঅবতরণস্থান
45আয়াত

অনুবাদ — আন-নিসা 45

সূরা আন-নিসা আয়াত 45 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : অথচ আল্লাহ তোমাদের শত্রুদেরকে যথার্থই জানেন। আর অভিভাবক হিসাবে আল্লাহই…

সূরা আয়াত 45/176 — সূরা আন-নিসা النساء (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আন-নিসা শুনুন, সূরা আন-নিসা অনুবাদ, সূরা আন-নিসা mp3, সূরা আন-নিসা pdf. আয়াত 43–47. বাংলা অর্থ: हिन्दी.





পবিত্র কুরআন


Monday, September 28, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না