Yaaa aiyuhal lazeena aamanoo izaa darabtum fee sabeelil laahi fatabaiyanoo wa laa taqooloo liman alqaaa ilaikumus salaama lasta mu`minan tabtaghoona `aradal hayaatid dunyaa fa`indal laahi maghaanimu kaseerah; kazaalika kuntum min qablu famannnal laahu `alaikum fatabaiyanoo; innallaaha kaana bimaa ta`maloona Khabeeraa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহর পথে সফর কর, তখন যাচাই করে নিও এবং যে, তোমাদেরকে সালাম করে তাকে বলো না যে, তুমি মুসলমান নও। তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদ অন্বেষণ কর, বস্তুতঃ আল্লাহর কাছে অনেক সম্পদ রয়েছে। তোমরা ও তো এমনি ছিলে ইতিপূর্বে; অতঃপর আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। অতএব, এখন অনুসন্ধান করে নিও। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খবর রাখেন।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ऐ ईमानदारों जब तुम ख़ुदा की राह में (जेहाद करने को) सफ़र करो तो (किसी के क़त्ल करने में जल्दी न करो बल्कि) अच्छी तरह जॉच कर लिया करो और जो शख्स (इज़हारे इस्लाम की ग़रज़ से) तुम्हे सलाम करे तो तुम बे सोचे समझे न कह दिया करो कि तू ईमानदार नहीं है (इससे ज़ाहिर होता है) कि तुम (फ़क्त) दुनियावी आसाइश की तमन्ना रखते हो मगर इसी बहाने क़त्ल करके लूट लो और ये नहीं समझते कि (अगर यही है) तो ख़ुदा के यहॉ बहुत से ग़नीमतें हैं (मुसलमानों) पहले तुम ख़ुद भी तो ऐसे ही थे फिर ख़ुदा ने तुमपर एहसान किया (कि बेखटके मुसलमान हो गए) ग़रज़ ख़ूब छानबीन कर लिया करो बेशक ख़ुदा तुम्हारे हर काम से ख़बरदार है
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহর পথে সফর কর, তখন যাচাই করে নিও এবং যে, তোমাদেরকে সালাম করে তাকে বলো না যে, তুমি মুসলমান নও। তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদ অন্বেষণ কর, বস্তুতঃ আল্লাহর কাছে অনেক সম্পদ রয়েছে। তোমরা ও তো এমনি ছিলে ইতিপূর্বে; অতঃপর আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। অতএব, এখন অনুসন্ধান করে নিও। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খবর রাখেন।
হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য বের হও, তখন সম্পূর্ণ যাচাই-বাছাই করে কাজ করো। যে ব্যক্তি তোমাদের প্রতি সালাম দেয় বা ইসলামের কোনো চিহ্ন প্রকাশ করে, তাকে তোমরা বলো না যে, “তুমি মুমিন নও।” কেননা সে হয়তো প্রকৃত মুমিন, কিন্তু প্রাণ ও সম্পদের ভয়ে নিজের ঈমান গোপন রাখছে। আর তোমরা তার জান-মাল হালাল মনে করে তাকে হত্যা করার মাধ্যমে দুনিয়ার ধন-সম্পদ (গনিমত) লাভের ইচ্ছা করো। অথচ আল্লাহর কাছে রয়েছে অঢেল সম্পদ ও অনুগ্রহ, যা এই সামান্য দুনিয়ার মালের চেয়ে উত্তম।
মনে রেখো, তোমরাও তো আগে এমনই ছিলে—যখন ইসলামের শুরুতে তোমরা মুশরিকদের ভয়ে নিজেদের ঈমান গোপন রাখতে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করলেন এবং ইসলামের মাধ্যমে তোমাদের সম্মান দান করলেন। তাই তোমাদের উচিত কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে সতর্ক ও যাচাই-বাছাই করা, যাতে অজান্তে কোনো মুমিনকে হত্যা না করো। আল্লাহ তোমাদের সকল কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত এবং তিনি তোমাদের প্রতিটি কাজের হিসাব নেবেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ইসলামে মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারো ঈমান সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে তাকে কাফির বলা বা হত্যা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
দুনিয়ার সামান্য সম্পদের লোভ যেন কখনো আমাদেরকে অন্যায় কাজে প্ররোচিত না করে। আল্লাহর কাছে রয়েছে অফুরন্ত অনুগ্রহ ও পুরস্কার।
ইসলামের দাওয়াত ও সমাজে শান্তি বজায় রাখতে যাচাই-বাছাই করা অপরিহার্য। তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সময় বড় ধরনের গুনাহের কারণ হয়।
আল্লাহ সর্বদা আমাদের কাজের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখেন। তাই প্রতিটি কাজে সতর্কতা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখা প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, ইসলাম শুধু নাম-কাহিনী নয়, বরং এটি মানবতার প্রতি সহানুভূতি, ন্যায়বিচার ও দায়িত্বশীলতার শিক্ষা দেয়।
মুসলমানের কাজ নয় যে, মুসলমানকে হত্যা করে; কিন্তু ভুলক্রমে। যে ব্যক্তি মুসলমানকে ভূলক্রমে হত্যা করে, সে একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং রক্ত বিনিময় সমর্পন করবে তার স্বজনদেরকে; কিন্তু যদি তারা ক্ষমা করে দেয়। অতঃপর যদি নিহত ব্যক্তি তোমাদের শত্রু সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, তবে মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং যদি সে তোমাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, তবে রক্ত বিনিময় সমর্পণ করবে তার স্বজনদেরকে এবং একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে। অতঃপর যে ব্যক্তি না পায়, সে আল্লাহর কাছ থেকে গোনাহ মাফ করানোর জন্যে উপর্যুপুরি দুই মাস রোযা রাখবে। আল্লাহ, মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
যে ব্যক্তি স্বেচ্ছাক্রমে মুসলমানকে হত্যা করে, তার শাস্তি জাহান্নাম, তাতেই সে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তার প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাকে অভিসম্পাত করেছেন এবং তার জন্যে ভীষণ শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহর পথে সফর কর, তখন যাচাই করে নিও এবং যে, তোমাদেরকে সালাম করে তাকে বলো না যে, তুমি মুসলমান নও। তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদ অন্বেষণ কর, বস্তুতঃ আল্লাহর কাছে অনেক সম্পদ রয়েছে। তোমরা ও তো এমনি ছিলে ইতিপূর্বে; অতঃপর আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। অতএব, এখন অনুসন্ধান করে নিও। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খবর রাখেন।
গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদের কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জেহাদ করে,-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহেদীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।