Summa qaffainaa `alaa aasaarihim bi Rusulinaa wa qaffainaa be `Eesab ni Maryama wa aatainaahul Injeela wa ja`alnaa fee quloobil lazeenat taba` oohu raafatanw wa rahmatanw wa rahbaaniyyatanib tada` oohaa maa katanaahaa `alaihim illab tighaaa`a ridwaanil laahi famaa ra`awhaa haqqa ri`aayatihaa fa aatainal lazeena aamanoo minhum ajrahum wa kaseerum minhum faasiqoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতঃপর আমি তাদের পশ্চাতে প্রেরণ করেছি আমার রসূলগণকে এবং তাদের অনুগামী করেছি মরিয়ম তনয় ঈসাকে ও তাকে দিয়েছি ইঞ্জিল। আমি তার অনুসারীদের অন্তরে স্থাপন করেছি নম্রতা ও দয়া। আর বৈরাগ্য, সে তো তারা নিজেরাই উদ্ভাবন করেছে; আমি এটা তাদের উপর ফরজ করিনি; কিন্তু তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্যে এটা অবলম্বন করেছে। অতঃপর তারা যথাযথভাবে তা পালন করেনি। তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাসী ছিল, আমি তাদেরকে তাদের প্রাপ্য পুরস্কার দিয়েছি। আর তাদের অধিকাংশই পাপাচারী।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
फिर उनके पीछे ही उनके क़दम ब क़दम अपने और पैग़म्बर भेजे और उनके पीछे मरियम के बेटे ईसा को भेजा और उनको इन्जील अता की और जिन लोगों ने उनकी पैरवी की उनके दिलों में यफ़क्क़त और मेहरबानी डाल दी और रहबानियत (लज्ज़ात से किनाराकशी) उन लोगों ने ख़ुद एक नयी बात निकाली थी हमने उनको उसका हुक्म नहीं दिया था मगर (उन लोगों ने) ख़ुदा की ख़ुशनूदी हासिल करने की ग़रज़ से (ख़ुद ईजाद किया) तो उसको भी जैसा बनाना चाहिए था न बना सके तो जो लोग उनमें से ईमान लाए उनको हमने उनका अज्र दिया उनमें के बहुतेरे तो बदकार ही हैं
فَمَا رَعَوْهَا حَقَّ رِعَايَتِهَا – তারা তা যথাযথভাবে পালন করেনি।
فَاسِقُونَ – সত্য থেকে বিচ্যুত, অবাধ্য।
তাফসীর:
এরপর আল্লাহ তাআলা বলেন, আমরা নূহ ও ইবরাহীম (আঃ)-এর পরে পর্যায়ক্রমে আমাদের রাসূলগণকে পাঠিয়েছি, এবং তাদেরই ধারাবাহিকতায় ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ)-কে প্রেরণ করেছি। তাঁকে আমরা ‘ইনজিল’ কিতাব দান করেছি। যারা তাঁর অনুসরণ করেছিল, তাদের অন্তরে আমরা দয়া ও করুণা সৃষ্টি করে দিয়েছিলাম, ফলে তারা পরস্পরের প্রতি স্নেহশীল ও সহানুভূতিশীল ছিল।
কিন্তু তারা নিজেরাই মনগড়া একটি ‘রাহবানিয়্যাত’ (সন্ন্যাসবাদ) উদ্ভাবন করেছিল—দুনিয়া ত্যাগ করে পাহাড়-গুহায় আশ্রয় নেওয়া, বিবাহ-বর্জন এবং কঠোর আত্মনিগ্রহের মাধ্যমে ইবাদত করা। আল্লাহ তাদের উপর এটা ফরজ করেননি; বরং তারা নিজেরাই আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় এটা অবলম্বন করেছিল। কিন্তু তারা এটাকেও যথাযথভাবে রক্ষা করতে পারেনি; বরং পরবর্তীকালে তারা এটাকে বিকৃত করে ফেলে এবং তাদের অনেকেই সত্য পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়।
অতএব, যারা তাদের মধ্যে প্রকৃত ঈমান এনেছিল (বিশেষ করে যারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর ঈমান এনেছিল), আল্লাহ তাদেরকে তাদের পূর্ণ প্রতিদান দিয়েছেন। আর তাদের মধ্যে অনেকেই ফাসিক—সত্য থেকে দূরে সরে গিয়েছিল এবং আল্লাহর রাসূলদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে নবী-রাসূল পাঠিয়ে মানুষকে সত্য পথের দিশা দিয়েছেন। তাই প্রতিটি যুগের মানুষের উচিত নিজ নিজ যুগের রাসূলের অনুসরণ করা।
দ্বীনের মধ্যে মনগড়া নতুন বিষয় প্রবর্তন করা (বিদ‘আত) কখনোই কাম্য নয়। ইবাদত-বন্দেগিতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর দেখানো পথই অনুসরণ করতে হবে, নিজের ইচ্ছামতো কঠোরতা বা শিথিলতা নয়।
দুনিয়া ত্যাগ করে সন্ন্যাসবাদ গ্রহণ ইসলামের শিক্ষা নয়। ইসলাম দুনিয়া ও আখিরাতের সমন্বয় চায়—বিবাহ করা, হালাল রিজিক অর্জন করা এবং আল্লাহর বিধান মেনে চলা।
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোনো কাজ করলে তা যদি কুরআন-সুন্নাহসম্মত হয়, তবে তা কবুল হবে; কিন্তু নিজের পক্ষ থেকে মনগড়া পথ বানালে তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রকৃত মুমিনের পরিচয় হলো—আল্লাহর বিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং রাসূলের (সাঃ) আদর্শের অনুসরণ। আর যে ব্যক্তি এ পথ থেকে বিচ্যুত হয়, সে-ই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত।
অতঃপর আমি তাদের পশ্চাতে প্রেরণ করেছি আমার রসূলগণকে এবং তাদের অনুগামী করেছি মরিয়ম তনয় ঈসাকে ও তাকে দিয়েছি ইঞ্জিল। আমি তার অনুসারীদের অন্তরে স্থাপন করেছি নম্রতা ও দয়া। আর বৈরাগ্য, সে তো তারা নিজেরাই উদ্ভাবন করেছে; আমি এটা তাদের উপর ফরজ করিনি; কিন্তু তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্যে এটা অবলম্বন করেছে। অতঃপর তারা যথাযথভাবে তা পালন করেনি। তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাসী ছিল, আমি তাদেরকে তাদের প্রাপ্য পুরস্কার দিয়েছি। আর তাদের অধিকাংশই পাপাচারী।
আমি আমার রসূলগণকে সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ প্রেরণ করেছি এবং তাঁদের সাথে অবতীর্ণ করেছি কিতাব ও ন্যায়নীতি, যাতে মানুষ ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি নাযিল করেছি লৌহ, যাতে আছে প্রচন্ড রণশক্তি এবং মানুষের বহুবিধ উপকার। এটা এজন্যে যে, আল্লাহ জেনে নিবেন কে না দেখে তাঁকে ও তাঁর রসূলগণকে সাহায্য করে। আল্লাহ শক্তিধর, পরাক্রমশালী।
আমি নূহ ও ইব্রাহীমকে রসূলরূপে প্রেরণ করেছি এবং তাদের বংশধরের মধ্যে নবুওয়ত ও কিতাব অব্যাহত রেখেছি। অতঃপর তাদের কতক সৎপথপ্রাপ্ত হয়েছে এবং অধিকাংশই হয়েছে পাপাচারী।
অতঃপর আমি তাদের পশ্চাতে প্রেরণ করেছি আমার রসূলগণকে এবং তাদের অনুগামী করেছি মরিয়ম তনয় ঈসাকে ও তাকে দিয়েছি ইঞ্জিল। আমি তার অনুসারীদের অন্তরে স্থাপন করেছি নম্রতা ও দয়া। আর বৈরাগ্য, সে তো তারা নিজেরাই উদ্ভাবন করেছে; আমি এটা তাদের উপর ফরজ করিনি; কিন্তু তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্যে এটা অবলম্বন করেছে। অতঃপর তারা যথাযথভাবে তা পালন করেনি। তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাসী ছিল, আমি তাদেরকে তাদের প্রাপ্য পুরস্কার দিয়েছি। আর তাদের অধিকাংশই পাপাচারী।
মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। তিনি নিজে অনুগ্রহের দ্বিগুণ অংশ তোমাদেরকে দিবেন, তোমাদেরকে দিবেন জ্যোতি, যার সাহায্যে তোমরা চলবে এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।
যাতে কিতাবধারীরা জানে যে, আল্লাহর সামান্য অনুগ্রহের উপর ও তাদের কোন ক্ষমতা নেই, দয়া আল্লাহরই হাতে; তিনি যাকে ইচ্ছা, তা দান করেন। আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।