Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- الْإِبِلِ — উট।
- الْبَقَرِ — গরু।
- آلذَّكَرَيْنِ — দুটি পুরুষ (নর)।
- الْأُنثَيَيْنِ — দুটি স্ত্রী (মাদা)।
- اشْتَمَلَتْ عَلَيْهِ أَرْحَامُ الْأُنثَيَيْنِ — দুটি স্ত্রীর গর্ভ যা ধারণ করেছে (অর্থাৎ বাচ্চা)।
- شُهَدَاءَ — উপস্থিত সাক্ষী।
- افْتَرَى — মিথ্যা রচনা করা/মিথ্যা অপবাদ দেওয়া।
- لِيُضِلَّ — পথভ্রষ্ট করার জন্য।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে উট ও গরু থেকে আরও দুটি জোড়া (নর-মাদা) উল্লেখ করেছেন। এর আগের আয়াতে ভেড়া ও ছাগলের দুটি জোড়ার কথা বলা হয়েছে, এভাবে মোট আটটি জোড়া পশু উল্লেখ হলো। মুশরিকরা নিজেদের মনগড়া নিয়মে কিছু পশু হালাল, কিছু হারাম ঘোষণা করত এবং আল্লাহর নামে মিথ্যা বলত যে, আল্লাহ এগুলো হারাম করেছেন। আল্লাহ তাআলা তাদের এই মিথ্যা ও মনগড়া বিধানকে খণ্ডন করে বলছেন:
হে নবী! আপনি তাদের জিজ্ঞেস করুন: আল্লাহ কি দুটি পুরুষ উট বা দুটি মাদা উট হারাম করেছেন? নাকি দুটি পুরুষ গরু বা দুটি মাদা গরু? নাকি মাদাগুলোর গর্ভে থাকা বাচ্চাগুলো হারাম? অর্থাৎ, তোমরা যে হারাম বলছ, তা কি আল্লাহ নির্দিষ্ট করেছেন? যদি বলো পুরুষ হারাম, তাহলে মাদা তো হালাল হলো; যদি বলো মাদা হারাম, তাহলে পুরুষ তো হালাল হলো; আর যদি গর্ভের বাচ্চা হারাম বলো, তাহলে সেটা তো জন্মের আগে নির্ধারণ করা যায় না। সুতরাং তোমাদের এই বিভ্রান্তিকর দাবির কোনো ভিত্তিই নেই।
তারপর আল্লাহ তাআলা তাদের আরও কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন করলেন: তোমরা কি সাক্ষী ছিলে যখন আল্লাহ তোমাদেরকে এ নির্দেশ দিয়েছিলেন? অর্থাৎ, আল্লাহ কি তোমাদের সামনে বসে বলেছিলেন যে, অমুক পশু হারাম? অবশ্যই না। বরং তোমরা নিজেরাই মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর নামে চালিয়ে দিচ্ছ।
এরপর আল্লাহ তাআলা বলেন: যারা জেনে-বুঝে আল্লাহর উপর মিথ্যা রোপণ করে, মানুষকে পথভ্রষ্ট করার জন্য, তাদের চেয়ে বেশি জালিম আর কে হতে পারে? নিশ্চয়ই আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত দেন না। অর্থাৎ, এই ধরনের মিথ্যাবাদী ও সীমালঙ্ঘনকারীদের আল্লাহ সঠিক পথ দেখান না।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- ইসলামের বিধান শুধুমাত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশের ভিত্তিতে হয়। কারও মনগড়া মতামত বা প্রথা দ্বীনের বিধান হতে পারে না।
- আল্লাহর নামে মিথ্যা বলা ও ভিত্তিহীন বিধান চালু করা সবচেয়ে বড় জুলুম ও অন্যায়। এতে মানুষ পথভ্রষ্ট হয় এবং সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ায়।
- কোনো বিষয়ে নিশ্চিত জ্ঞান না থাকলে সেটা আল্লাহর নামে বলা সম্পূর্ণ হারাম। ইসলাম জ্ঞান ও প্রমাণের ধর্ম, অজ্ঞতা ও অন্ধবিশ্বাসের নয়।
- আল্লাহ তাআলা সত্যের পথপ্রদর্শক, কিন্তু যারা নিজেরা জুলুম করে এবং অন্যকে পথভ্রষ্ট করে, তাদের জন্য হিদায়াত লাভের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
- এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, ইসলামের প্রতিটি বিধান যুক্তিসঙ্গত ও প্রমাণভিত্তিক। আল্লাহ তাআলা মানুষের সুবিধার জন্যই হালাল-হারাম নির্ধারণ করেছেন, যাতে মানুষ সঠিক পথে চলে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে।
📜 আয়াত 142-146 — সূরা আল-আনআম
অনুবাদ — আল-আনআম 144
সূরা আল-আনআম আয়াত 144 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : সৃষ্টি করেছেন উটের মধ্যে দুই প্রকার এবং গরুর মধ্যে দুই…সূরা আয়াত 144/165 — সূরা আল-আনআম الأنعام (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-আনআম শুনুন, সূরা আল-আনআম অনুবাদ, সূরা আল-আনআম mp3, সূরা আল-আনআম pdf. আয়াত 142–146. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-আনআম
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


