Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ ও ব্যাখ্যা:
- مِنَ الْجِنَّةِ - জিন জাতি থেকে (এখানে জিন বলতে শয়তান বা জিনদের মধ্যকার কুমন্ত্রণাদাতাদের বোঝানো হয়েছে)।
- وَالنَّاسِ - এবং মানুষ থেকে (অর্থাৎ মানুষের মধ্যকার সেই কুমন্ত্রণাদাতারা, যারা মানুষের অন্তরে খারাপ চিন্তা ও প্ররোচনা সৃষ্টি করে)।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
এই আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যে কুমন্ত্রণাদাতা (ওয়াসওয়াসা সৃষ্টিকারী) মানুষের অন্তরে খারাপ চিন্তা ঢুকিয়ে দেয়, সে শুধু জিন বা শয়তানই নয়, বরং মানুষের মধ্যেও এমন কিছু লোক রয়েছে যারা অন্যদের অন্তরে কুমন্ত্রণা ও খারাপ প্ররোচনা সৃষ্টি করে। অর্থাৎ শয়তান যেমন জিন জাতির মধ্য থেকে আসে, তেমনি মানুষের মধ্য থেকেও শয়তান-সদৃশ কুমন্ত্রণাদাতা রয়েছে, যারা মানুষকে পথভ্রষ্ট করার চেষ্টা করে।
কুরআনের অন্যত্র আল্লাহ বলেছেন, "তেমনি আমি প্রত্যেক নবীর জন্য শত্রু বানিয়েছি মানুষের মধ্য থেকে শয়তানদের এবং জিনদের মধ্য থেকে শয়তানদের" (সূরা আল-আন‘আম: ১১২)। সুতরাং এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে উভয় প্রকার কুমন্ত্রণা থেকে আশ্রয় চাইতে শেখাচ্ছেন। কারণ মানুষের মধ্যকার কুমন্ত্রণাদাতারা অনেক সময় জিনের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর হয়, কারণ তারা সরাসরি সামনে থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
দাওয়াতি ও শিক্ষণীয় দিক:
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা আমাদেরকে ভালো কাজ থেকে বিরত রাখতে চায়, মন্দ কাজে উৎসাহিত করে, এবং আমাদের অন্তরে সন্দেহ ও খারাপ চিন্তা ঢুকিয়ে দেয়। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এবং সর্বদা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে শিখিয়েছেন যে, মুমিনের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো তার নিজের প্রবৃত্তি, জিন শয়তান এবং মানুষের মধ্যকার কুমন্ত্রণাদাতাদের প্ররোচনা।
তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় এই সূরাটি পাঠ করা এবং আল্লাহর কাছে শয়তান ও মানুষের কুমন্ত্রণা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা। এই সূরাটি আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে, আল্লাহই একমাত্র রক্ষাকারী, তিনিই আমাদের অন্তরের প্রশান্তি দানকারী। যখন আমরা এই সূরাটি পাঠ করি, তখন আমরা স্বীকার করি যে, আমরা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর উপর নির্ভরশীল এবং তাঁরই সাহায্য কামনা করি। এটি আমাদের ঈমানকে মজবুত করে এবং আমাদের অন্তরকে প্রশান্ত করে। আল্লাহ আমাদের সকলকে শয়তান ও মানুষের কুমন্ত্রণা থেকে হিফাজত করুন। আমিন।
📜 আয়াত 4-6 — সূরা আন-নাস
অনুবাদ — আন-নাস 6
সূরা আন-নাস আয়াত 6 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।সূরা আয়াত 6/6 — সূরা আন-নাস الناس (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আন-নাস শুনুন, সূরা আন-নাস অনুবাদ, সূরা আন-নাস mp3, সূরা আন-নাস pdf. আয়াত 4–6. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


