Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- أَيَّامٍ مَّعْدُودَاتٍ — নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন; অর্থাৎ ১১, ১২ ও ১৩ জিলহজ, যাকে ‘আইয়ামে তাশরিক’ বলা হয়।
- تَعَجَّلَ — তাড়াহুড়ো করা; অর্থাৎ ১২ তারিখে রমি সম্পন্ন করে মিনা থেকে বের হয়ে যাওয়া।
- تَأَخَّرَ — বিলম্ব করা; অর্থাৎ ১৩ তারিখ পর্যন্ত মিনায় অবস্থান করে রমি করা।
- تُحْشَرُونَ — তোমাদেরকে একত্র করা হবে (পুনরুত্থানের দিন)।
তাফসির:
আল্লাহ তাআলা হজ সম্পাদনকারীদের নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তারা যেন নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে (আইয়ামে তাশরিকের ১১, ১২ ও ১৩ জিলহজ) আল্লাহর জিকির করে — তাকবির (আল্লাহু আকবার), তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) এবং রমি করার সময় প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের সাথে তাকবির দেয়। এরপর বলা হচ্ছে, কেউ যদি তাড়াহুড়ো করে ১২ তারিখে রমি সম্পন্ন করে সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করে, তবে তার ওপর কোনো গুনাহ নেই; কারণ আল্লাহ তাআলা তার জন্য এই সুবিধা রেখেছেন। আর কেউ যদি ১৩ তারিখ পর্যন্ত অবস্থান করে (অর্থাৎ ১২ তারিখে রমির পর মিনায় রাত কাটিয়ে ১৩ তারিখেও রমি করে) তবে তার ওপরও কোনো গুনাহ নেই — বরং এটি অধিক উত্তম ও পূর্ণতর, কারণ এটি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসৃত পদ্ধতি এবং ইবাদতের অতিরিক্ত সুযোগ। তবে এই অনুমতি ও ক্ষমা শুধুমাত্র তাদের জন্যই, যারা আল্লাহভীরু — অর্থাৎ হজের সময় আল্লাহর নিষেধাজ্ঞা থেকে বিরত থেকেছে এবং হজকে আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী আদায় করেছে। শেষে আল্লাহ তাআলা সবাইকে তাকওয়া অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে, তোমাদের সকলকে মৃত্যুর পর তাঁরই সামনে একত্রিত করা হবে এবং প্রত্যেককে নিজ নিজ আমলের হিসাব দিতে হবে।
ফায়দা:
- এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু — তিনি হজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতেও সহজতা ও নমনীয়তা রেখেছেন, যাতে কেউ কষ্ট না পায়।
- ইবাদতে তাড়াহুড়ো ও বিলম্ব উভয়ই বৈধ, তবে যে বেশি সময় আল্লাহর জিকিরে কাটায় এবং সুন্নাহ অনুসরণ করে, সে অধিক সওয়াবের অধিকারী হয় — এটি আমাদের শেখায় যে, ইবাদতে আগ্রহ ও অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
- তাকওয়া বা আল্লাহভীতি是所有 ইবাদতের মূল চাবিকাঠি — শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং অন্তরের পবিত্রতা ও আল্লাহর নিষেধ থেকে বিরত থাকাই আসল লক্ষ্য।
- আয়াতের শেষ অংশ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, এই দুনিয়ার জীবনই শেষ নয়; আমাদেরকে অবশ্যই একদিন আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে — এই বিশ্বাস একজন মুমিনকে সৎকর্মে উদ্বুদ্ধ করে এবং ভুল-ত্রুটি থেকে বিরত রাখে।
- হজের পরও জিকির অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রমাণ করে যে, ইবাদত শুধু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহকে স্মরণ করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য।
📜 আয়াত 201-205 — সূরা আল-বাকারা
অনুবাদ — আল-বাকারা 203
সূরা আল-বাকারা আয়াত 203 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আর স্মরণ কর আল্লাহকে নির্দিষ্ট সংখ্যক কয়েকটি দিনে। অতঃপর যে…সূরা আয়াত 203/286 — সূরা আল-বাকারা البقرة (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-বাকারা শুনুন, সূরা আল-বাকারা অনুবাদ, সূরা আল-বাকারা mp3, সূরা আল-বাকারা pdf. আয়াত 201–205. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-বাকারা
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


