Fariheena bimaaa aataa humul laahu min fadlihee wa yastabshiroona billazeena lam yalhaqoo bihim min fadlihee wa yastabshiroona billazeena lam yalhaqoo bihim min khalfihim allaa khawfun `alaihim wa laa hum yahzanoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আল্লাহ নিজের অনুগ্রহ থেকে যা দান করেছেন তার প্রেক্ষিতে তারা আনন্দ উদযাপন করছে। আর যারা এখনও তাদের কাছে এসে পৌঁছেনি তাদের পেছনে তাদের জন্যে আনন্দ প্রকাশ করে। কারণ, তাদের কোন ভয় ভীতিও নেই এবং কোন চিন্তা ভাবনাও নেই।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और ख़ुदा ने जो फ़ज़ल व करम उन पर किया है उसकी (ख़ुशी) से फूले नहीं समाते और जो लोग उनसे पीछे रह गए और उनमें आकर शामिल नहीं हुए उनकी निस्बत ये (ख्याल करके) ख़ुशियॉ मनाते हैं कि (ये भी शहीद हों तो) उनपर न किसी क़िस्म का ख़ौफ़ होगा और न आज़ुर्दा ख़ातिर होंगे
আল্লাহ নিজের অনুগ্রহ থেকে যা দান করেছেন তার প্রেক্ষিতে তারা আনন্দ উদযাপন করছে। আর যারা এখনও তাদের কাছে এসে পৌঁছেনি তাদের পেছনে তাদের জন্যে আনন্দ প্রকাশ করে। কারণ, তাদের কোন ভয় ভীতিও নেই এবং কোন চিন্তা ভাবনাও নেই।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
فَرِحِينَ: আনন্দিত হয়ে, খুশি হয়ে।
آتَاهُمُ: তাদেরকে দিয়েছেন।
مِن فَضْلِهِ: তাঁর অনুগ্রহ থেকে।
يَسْتَبْشِرُونَ: সুসংবাদ গ্রহণ করে, আনন্দ প্রকাশ করে।
لَمْ يَلْحَقُوا بِهِم: যারা এখনো তাদের সাথে মিলিত হয়নি (অর্থাৎ জীবিত মুজাহিদ)।
مِنْ خَلْفِهِمْ: তাদের পেছনে (দুনিয়ায়) রয়ে গেছে।
أَلَّا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ: নিশ্চয়ই তাদের কোনো ভয় নেই।
তাফসীর:
শহীদগণ আল্লাহর পক্ষ থেকে যে অনুগ্রহ ও মর্যাদা লাভ করেছেন—জান্নাত, রিজিক, সন্তুষ্টি এবং আল্লাহর নৈকট্য—সবকিছু দেখে তারা অপরিসীম আনন্দে আত্মহারা। তাদের অন্তর খুশিতে ভরে গেছে, কারণ আল্লাহ তাদেরকে এমন সব নেয়ামত দান করেছেন যা চোখ জুড়িয়ে দেয়, মন ভরে দেয়। এর পাশাপাশি তারা তাদের সেই ভাইদের জন্য সুসংবাদ গ্রহণ করে এবং আনন্দ প্রকাশ করে যারা এখনো দুনিয়ায় জীবিত অবস্থায় তাদের পেছনে রয়ে গেছে—অর্থাৎ যারা এখনো জিহাদে অংশ নেয়নি বা শহীদ হয়নি। তারা আনন্দ করে এই ভেবে যে, যদি সেই ভাইয়েরাও আল্লাহর পথে শহীদ হয়, তবে তারাও তাদের মতোই এই মর্যাদা ও নেয়ামত লাভ করবে। তারা জানে যে, যারা আল্লাহর পথে শহীদ হবে, তাদের জন্য কোনো ভয় নেই—আখিরাতের কোনো কঠিন মুহূর্ত তাদের জন্য নেই, আর কোনো দুঃখ-চিন্তাও নেই—দুনিয়ার কোনো হারানো সুযোগ বা সম্পদের জন্য তারা অনুতপ্ত হবে না। বরং তারা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও শান্তিতে থাকবে।
ফায়েদা (উপকারিতা):
এই আয়াত থেকে আমরা জানতে পারি যে, শহীদগণ মৃত্যুর পর জীবিত এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রিজিক ও সম্মান লাভ করেন। এটি মুমিনদের জন্য বড় সুসংবাদ যে, আল্লাহর পথে জীবন উৎসর্গ করা কোনো ক্ষতি নয়, বরং চিরস্থায়ী সাফল্য।
মুমিনদের উচিত একে অপরের জন্য ভালোবাসা ও কল্যাণ কামনা করা। শহীদগণ তাদের জীবিত ভাইদের জন্য সুসংবাদ কামনা করেন—এটাই মুমিনের চরিত্র হওয়া উচিত।
এই আয়াত মুমিনদের সাহস ও ধৈর্য দেয় যে, মৃত্যু বা কষ্টের ভয় যেন তাদের আল্লাহর পথে চলা থেকে বিরত না রাখে। কারণ প্রকৃত সাফল্য ও শান্তি তো আখিরাতেই।
এটি ইসলামের সৌন্দর্য প্রকাশ করে যে, মুমিনের জীবনের লক্ষ্য শুধু দুনিয়ার স্বার্থ নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাতের নেয়ামত—যা কখনো শেষ হবে না।
ওরা হলো যে সব লোক, যারা বসে থেকে নিজেদের ভাইদের সম্বদ্ধে বলে, যদি তারা আমাদের কথা শুনত, তবে নিহত হত না। তাদেরকে বলে দিন, এবার তোমাদের নিজেদের উপর থেকে মৃত্যুকে সরিয়ে দাও, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক।
আল্লাহ নিজের অনুগ্রহ থেকে যা দান করেছেন তার প্রেক্ষিতে তারা আনন্দ উদযাপন করছে। আর যারা এখনও তাদের কাছে এসে পৌঁছেনি তাদের পেছনে তাদের জন্যে আনন্দ প্রকাশ করে। কারণ, তাদের কোন ভয় ভীতিও নেই এবং কোন চিন্তা ভাবনাও নেই।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।