Fa-in a`radoo famaaa arsalnaaka `alaihim hafeezan in `alaika illal balaagh; wa innaaa izaaa azaqnal insaana minnaa rahmatan fariha bihaa wa in tusibhum saiyi`atum bimaa qaddamat aydeehim fa innal insaana kafoor
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আপনাকে আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে উল্লসিত, আর যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের কোন অনিষ্ট ঘটে, তখন মানুষ খুব অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
फिर अगर मुँह फेर लें तो (ऐ रसूल) हमने तुमको उनका निगेहबान बनाकर नहीं भेजा तुम्हारा काम तो सिर्फ (एहकाम का) पहुँचा देना है और जब हम इन्सान को अपनी रहमत का मज़ा चखाते हैं तो वह उससे ख़ुश हो जाता है और अगर उनको उन्हीं के हाथों की पहली करतूतों की बदौलत कोई तकलीफ पहुँचती (सब एहसान भूल गए) बेशक इन्सान बड़ा नाशुक्रा है
হে নবী! যদি এই মুশরিকরা সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তোমার দাওয়াত গ্রহণ না করে, তবে তুমি চিন্তিত হয়ো না। আমরা তোমাকে তাদের কর্মের রক্ষক বা তত্ত্বাবধায়ক করে পাঠাইনি যে, তাদের প্রতিটি কাজের হিসাব তুমি নেবে বা তাদেরকে জোর করে সৎপথে আনবে। তোমার দায়িত্ব শুধু আল্লাহর বাণী তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তাদের হিসাব-নিকাশ তো আল্লাহরই কাছে। এরপর আল্লাহ মানুষের স্বভাবের একটি দিক তুলে ধরেছেন— যখন আমরা মানুষকে আমাদের পক্ষ থেকে সুখ-সমৃদ্ধি, সম্পদ, সুস্থতা বা কোনো নেয়ামত দান করি, তখন সে আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে ওঠে এবং গর্বিত হয়। কিন্তু যখন তার কৃতকর্মের কারণে—যা সে নিজের হাতে আগে পাঠিয়েছে, যেমন পাপাচার ও সীমালঙ্ঘন—তার উপর কোনো বিপদ, দারিদ্র্য, রোগ বা কষ্ট নেমে আসে, তখন সে অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে। সে নেয়ামতের কথা ভুলে যায় এবং শুধু বিপদের কথাই গণনা করতে থাকে, আল্লাহর প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং তাঁর বিধানকে দোষারোপ করে। এটি মানুষের সাধারণ দুর্বলতা, যদিও মুমিনরা এই দুর্বলতা থেকে মুক্ত থাকে; তারা সুখে শুকরিয়া আদায় করে এবং দুঃখে ধৈর্য ধারণ করে।
উপকারিতা ও শিক্ষা:
নবী ও দাওয়াতকারীদের দায়িত্ব সীমিত—শুধু আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেওয়া; হিদায়াত দেওয়া আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল। তাই দাওয়াতের কাজে নিরাশ হওয়া উচিত নয়।
মানুষের প্রতি জোরপূর্বক ঈমান আনার চেষ্টা করা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জন্যেও বৈধ ছিল না, বরং মানুষের ইখতিয়ার ও দায়িত্ববোধের প্রতি সম্মান দেখানো হয়েছে। এটি ইসলামের মানবিক ও যুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করে।
মানুষের স্বভাব হলো নেয়ামত পেলে আনন্দিত হওয়া এবং বিপদে অকৃতজ্ঞ হওয়া। এই স্বভাবকে নিয়ন্ত্রণ করাই ঈমানের পরীক্ষা। মুমিনের উচিত সুখে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা এবং দুঃখে терпение (ধৈর্য) ধারণ করা।
বিপদ-আপদ মানুষের নিজের কৃতকর্মের ফল—এটি আল্লাহর ন্যায়বিচারের প্রমাণ। তাই কোনো বিপদ এলে নিজের আমল যাচাই করা এবং তওবা করা উচিত, আল্লাহকে দোষারোপ করা নয়।
এই আয়াত মানুষকে আত্মসমালোচনার শিক্ষা দেয়—সুখে অহংকার না করা এবং দুঃখে হতাশ না হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। এটি ইসলামের পূর্ণাঙ্গ জীবনদর্শনকে তুলে ধরে, যা মানুষের কল্যাণের জন্যই।
যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আপনাকে আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে উল্লসিত, আর যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের কোন অনিষ্ট ঘটে, তখন মানুষ খুব অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।
আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে অবশ্যম্ভাবী দিবস আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য কর। সেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তা নিরোধকারী কেউ থাকবে না।
যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আপনাকে আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে উল্লসিত, আর যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের কোন অনিষ্ট ঘটে, তখন মানুষ খুব অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।