আশ-শুরা · 47/53
অনুবাদ উচ্চারণ — সূরা আশ-শুরা
اسْتَجِيبُوا لِرَبِّكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِيَ يَوْمٌ لَّا مَرَدَّ لَهُ مِنَ اللَّهِ ۚ مَا لَكُم مِّن مَّلْجَإٍ يَوْمَئِذٍ وَمَا لَكُم مِّن نَّكِيرٍ ۝٤٧
Istajeeboo li Rabbikum min qabli any yaatiya Yawmul laa maradda lahoo minal laah; maa lakum mim malja iny yawma`izinw wa maa lakum min nakeer
📖 বাংলা অর্থ
আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে অবশ্যম্ভাবী দিবস আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য কর। সেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তা নিরোধকারী কেউ থাকবে না।

M Mishary Rashid Alafasy ✓
M Mahmoud Khalil Al-Husary ✓
A Abdurrahman As-Sudais ✓
M Mohamed Siddiq Al-Minshawi ✓
A Abdul Basit Abdul Samad ✓
A Ali Al-Hudhaify ✓
A Ahmed ibn Ali al-Ajamy ✓
A Abu Bakr Ash-Shaatree ✓
M Muhammad Ayyoub ✓
A Abdullah Basfar ✓
A Abdullah Al-Juhani ✓
M Maher Al Muaiqly ✓
0:00
0:00
📜

অনুবাদ — Tafsir

### معاني الكلمات:

  • اسْتَجِيبُوا: সাড়া দাও, আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনুসরণ করো।
  • لَا مَرَدَّ لَهُ: যা ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।
  • مَلْجَأ: আশ্রয়স্থল, নিরাপদ স্থান।
  • نَكِير: অস্বীকার করা, অপরাধ গোপন করার চেষ্টা।

### تفسير الآية:

হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবের ডাকে সাড়া দাও—তাঁর আদেশ পালন ও নিষেধ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে—আর তা করো সেই ভয়ংকর দিন আসার আগেই, যে দিনটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত এবং তা ঠেকানোর বা ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো ক্ষমতা কারো নেই। সেদিন তোমাদের জন্য কোনো আশ্রয়স্থল থাকবে না যা তোমাদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে, আর তোমাদের জন্য কোনো অস্বীকার করার উপায়ও থাকবে না—অর্থাৎ তোমরা তোমাদের কৃত অপরাধগুলো অস্বীকার করতে পারবে না, বরং সেদিন তোমরা সম্পূর্ণ অসহায় ও দুর্বল হয়ে পড়বে এবং নিজেদের অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য হবে। তাই দেরি না করে এখনই সৎকর্মের দিকে ধাবিত হও, কারণ বিলম্ব করলে অনেক প্রতিবন্ধকতা ও বিপদ সামনে আসতে পারে।

### فوائد:

এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহর আদেশ পালনে বিলম্ব করা অত্যন্ত ক্ষতিকর। কারণ মৃত্যু বা কিয়ামত কখন আসবে তা আমরা জানি না, আর যখন তা আসবে তখন আর ফিরে আসার বা সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। এটি আমাদেরকে প্রতিদিনের জীবনে সৎকর্ম করার, তওবা করার এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করতে উৎসাহিত করে। আরও জানতে পারি যে, কিয়ামতের দিন কোনো পার্থিব আশ্রয় বা সুপারিশ আমাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করবে না, তাই আমাদের উচিত এখনই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা। এটি মুমিনের হৃদয়ে আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসা জাগ্রত করে এবং তাকে দুনিয়ার মোহ থেকে বিরত রেখে আখিরাতের প্রস্তুতিতে মনোযোগী করে তোলে।



📜 আয়াত 45-49 — সূরা আশ-শুরা

45وَتَرَاهُمْ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا خَاشِعِينَ مِنَ الذُّلِّ يَنظُرُونَ مِن طَرْفٍ خَفِيٍّ ۗ وَقَالَ الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ الْخَاسِرِينَ الَّذِينَ خَسِرُوا أَنفُسَهُمْ وَأَهْلِيهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ۗ أَلَا إِنَّ الظَّالِمِينَ فِي عَذَابٍ مُّقِيمٍ
জাহান্নামের সামনে উপস্থিত করার সময় আপনি তাদেরকে দেখবেন, অপমানে অবনত এবং অর্ধ নিমীলিত দৃষ্টিতে তাকায়। মুমিনরা বলবে, কেয়ামতের দিন ক্ষতিগ্রস্ত তারাই, যারা নিজেদের ও তাদের পরিবার-পরিজনের ক্ষতি সাধন করেছে। শুনে রাখ, পাপাচারীরা স্থায়ী আযাবে থাকবে।
46وَمَا كَانَ لَهُم مِّنْ أَوْلِيَاءَ يَنصُرُونَهُم مِّن دُونِ اللَّهِ ۗ وَمَن يُضْلِلِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِن سَبِيلٍ
আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী থাকবে না, যে তাদেরকে সাহায্য করবে। আল্লাহ তা’আলা যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন গতি নেই।
47اسْتَجِيبُوا لِرَبِّكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِيَ يَوْمٌ لَّا مَرَدَّ لَهُ مِنَ اللَّهِ ۚ مَا لَكُم مِّن مَّلْجَإٍ يَوْمَئِذٍ وَمَا لَكُم مِّن نَّكِيرٍ
আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে অবশ্যম্ভাবী দিবস আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য কর। সেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তা নিরোধকারী কেউ থাকবে না।
48فَإِنْ أَعْرَضُوا فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا ۖ إِنْ عَلَيْكَ إِلَّا الْبَلَاغُ ۗ وَإِنَّا إِذَا أَذَقْنَا الْإِنسَانَ مِنَّا رَحْمَةً فَرِحَ بِهَا ۖ وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ فَإِنَّ الْإِنسَانَ كَفُورٌ
যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আপনাকে আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে উল্লসিত, আর যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের কোন অনিষ্ট ঘটে, তখন মানুষ খুব অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।
49لِّلَّهِ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ ۚ يَهَبُ لِمَن يَشَاءُ إِنَاثًا وَيَهَبُ لِمَن يَشَاءُ الذُّكُورَ
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব আল্লাহ তা’আলারই। তিনি যা ইচ্ছা, সৃষ্টি করেন, যাকে ইচ্ছা কন্যা-সন্তান এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন।
আশ-শুরাকুরআন সূচী
53আয়াত
মাক্কীঅবতরণস্থান
47আয়াত

অনুবাদ — আশ-শুরা 47

সূরা আশ-শুরা আয়াত 47 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে অবশ্যম্ভাবী দিবস আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের…

সূরা আয়াত 47/53 — সূরা আশ-শুরা الشورى (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আশ-শুরা শুনুন, সূরা আশ-শুরা অনুবাদ, সূরা আশ-শুরা mp3, সূরা আশ-শুরা pdf. আয়াত 45–49. বাংলা অর্থ: हिन्दी.





পবিত্র কুরআন


Thursday, October 1, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না