Innal laaha laa yastahyeee ai yadriba masalam maa ba`oodatan famaa fawqahaa; faammal lazeena aamanoo faya`lamoona annahul haqqu mir rabbihim wa ammal lazeena kafaroo fayaqooloona maazaaa araadal laahu bihaazaa masalaa; yudillu bihee kaseeranw wa yahdee bihee kaseeraa; wa maa yudillu biheee illal faasiqeen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আল্লাহ পাক নিঃসন্দেহে মশা বা তদুর্ধ্ব বস্তু দ্বারা উপমা পেশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। বস্তুতঃ যারা মুমিন তারা নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে যে, তাদের পালনকর্তা কর্তৃক উপস্থাপিত এ উপমা সম্পূর্ণ নির্ভূল ও সঠিক। আর যারা কাফের তারা বলে, এরূপ উপমা উপস্থাপনে আল্লাহর মতলবই বা কি ছিল। এ দ্বারা আল্লাহ তা’আলা অনেককে বিপথগামী করেন, আবার অনেককে সঠিক পথও প্রদর্শন করেন। তিনি অনুরূপ উপমা দ্বারা অসৎ ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন কাকেও বিপথগামী করেন না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
बेशक खुदा मच्छर या उससे भी बढ़कर (हक़ीर चीज़) की कोई मिसाल बयान करने में नहीं झेंपता पस जो लोग ईमान ला चुके हैं वह तो ये यक़ीन जानते हैं कि ये (मिसाल) बिल्कुल ठीक है और ये परवरदिगार की तरफ़ से है (अब रहे) वह लोग जो काफ़िर है पस वह बोल उठते हैं कि खुदा का उस मिसाल से क्या मतलब है, ऐसी मिसाल से ख़ुदा बहुतेरों की हिदायत करता है मगर गुमराही में छोड़ता भी है तो ऐसे बदकारों को
আল্লাহ পাক নিঃসন্দেহে মশা বা তদুর্ধ্ব বস্তু দ্বারা উপমা পেশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। বস্তুতঃ যারা মুমিন তারা নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে যে, তাদের পালনকর্তা কর্তৃক উপস্থাপিত এ উপমা সম্পূর্ণ নির্ভূল ও সঠিক। আর যারা কাফের তারা বলে, এরূপ উপমা উপস্থাপনে আল্লাহর মতলবই বা কি ছিল। এ দ্বারা আল্লাহ তা’আলা অনেককে বিপথগামী করেন, আবার অনেককে সঠিক পথও প্রদর্শন করেন। তিনি অনুরূপ উপমা দ্বারা অসৎ ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন কাকেও বিপথগামী করেন না।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
لَا يَسْتَحْيِي – লজ্জা বোধ করেন না, সংকোচ করেন না।
فَمَا فَوْقَهَا – এর চেয়ে বড় বা ছোট যা কিছু (অর্থাৎ মাছি, মাকড়সা ইত্যাদি)।
الْفَاسِقِينَ – যারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে, সত্য থেকে বিচ্যুত হয়।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা সত্য ও ন্যায়ের পথে কোনো কিছু প্রকাশ করতে বা দৃষ্টান্ত দিতে লজ্জাবোধ করেন না, তা যত ছোট বা তুচ্ছই হোক না কেন। তিনি মশা, মাছি, মাকড়সা এমনকি তার চেয়েও ছোট বা বড় যেকোনো সৃষ্টিকে দৃষ্টান্ত হিসেবে পেশ করতে পারেন, কারণ এতে মানুষের জন্য প্রজ্ঞা ও শিক্ষা নিহিত। মানুষ এই দৃষ্টান্তের প্রতি দুইভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়:
মুমিনগণ: তারা দৃঢ় বিশ্বাস ও আন্তরিকতার সাথে এটা মেনে নেয় এবং জানে যে, আল্লাহ তাআলা কোনো দৃষ্টান্ত পেশ করেন না, তবে তাতে অবশ্যই কোনো না কোনো হিকমত (প্রজ্ঞা) আছে। তারা এতে তাদের ঈমান আরও মজবুত করে এবং আল্লাহর কুদরত সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি লাভ করে।
কাফির ও মুনাফিকরা: তারা উপহাস ও অবজ্ঞার সাথে বলে, “আল্লাহ এত তুচ্ছ জিনিস (মশা-মাছি) দিয়ে দৃষ্টান্ত দিতে চান কীসের?” তারা এটাকে অযৌক্তিক মনে করে এবং সত্যকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করে।
এরপর আল্লাহ তাআলা নিজেই এর উত্তর দেন যে, এই দৃষ্টান্তের মাধ্যমে আল্লাহ মানুষের পরীক্ষা নেন এবং সত্য-মিথ্যা, মুমিন-কাফিরকে আলাদা করেন। যারা উপহাস করে ও সত্য প্রত্যাখ্যান করে, তাদের জন্য এই দৃষ্টান্ত পথভ্রষ্টতা বৃদ্ধির কারণ হয়; আর যারা আন্তরিকভাবে চিন্তা করে ও শিক্ষা গ্রহণ করে, তাদের জন্য তা হেদায়েত ও ঈমান বৃদ্ধির মাধ্যম হয়। আল্লাহ কাউকে জোর করে পথভ্রষ্ট করেন না; বরং যারা নিজেরাই সত্যের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে এবং আল্লাহর আদেশ অমান্য করে, তারাই এই দৃষ্টান্ত থেকে উপকৃত না হয়ে পথভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত হয়।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে কোনো শিক্ষা বা দৃষ্টান্ত ছোট মনে করা উচিত নয়; প্রতিটি দৃষ্টান্তে গভীর প্রজ্ঞা ও শিক্ষা লুকানো আছে।
ঈমানদারদের বৈশিষ্ট্য হলো, তারা আল্লাহর প্রতিটি নির্দেশ ও শিক্ষাকে সত্য বলে মেনে নেয় এবং তাতে চিন্তা-গবেষণা করে।
উপহাস ও অহংকার মানুষকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং পথভ্রষ্টতার কারণ হয়; তাই সত্য গ্রহণে বিনয়ী হওয়া জরুরি।
আল্লাহর দৃষ্টান্তগুলো মানুষের জন্য রহমত ও হেদায়েতের মাধ্যম, যদি মানুষ তা থেকে শিক্ষা নেয়।
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, কুরআনের বাণী ও দৃষ্টান্তসমূহ সর্বকালের জন্য প্রযোজ্য এবং এতে মানবজাতির জন্য রয়েছে অফুরন্ত কল্যাণ।
আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।
আর হে নবী (সাঃ), যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধচারিনী রমণীকূল থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।
আল্লাহ পাক নিঃসন্দেহে মশা বা তদুর্ধ্ব বস্তু দ্বারা উপমা পেশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। বস্তুতঃ যারা মুমিন তারা নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে যে, তাদের পালনকর্তা কর্তৃক উপস্থাপিত এ উপমা সম্পূর্ণ নির্ভূল ও সঠিক। আর যারা কাফের তারা বলে, এরূপ উপমা উপস্থাপনে আল্লাহর মতলবই বা কি ছিল। এ দ্বারা আল্লাহ তা’আলা অনেককে বিপথগামী করেন, আবার অনেককে সঠিক পথও প্রদর্শন করেন। তিনি অনুরূপ উপমা দ্বারা অসৎ ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন কাকেও বিপথগামী করেন না।
(বিপথগামী ওরাই) যারা আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার পর তা ভঙ্গ করে এবং আল্লাহ পাক যা অবিচ্ছিন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন, তা ছিন্ন করে, আর পৃথিবীর বুকে অশান্তি সৃষ্টি করে। ওরা যথার্থই ক্ষতিগ্রস্ত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।