Wa iz taqoolu lillazeee an`amal laahu `alaihi wa an`amta `alaihi amsik `alaika zawjaka wattaqil laaha wa tukhfee fee nafsika mal laahu mubdeehi wa takhshan naasa wallaahu ahaqqu an takhshaah; falammaa qadaa Zaidum minhaa wataran zawwajnaa kahaa likay laa yakoona `alal mu`mineena harajun feee azwaaji ad`iyaaa`ihim izaa qadaw minhunna wataraa; wa kaana amrul laahi af`oolaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और (ऐ रसूल वह वक्त याद करो) जब तुम उस शख्स (ज़ैद) से कह रहे थे जिस पर खुदा ने एहसान (अलग) किया था और तुमने उस पर (अलग) एहसान किया था कि अपनी बीबी (ज़ैनब) को अपनी ज़ौज़ियत में रहने दे और खुदा से डेर खुद तुम इस बात को अपने दिल में छिपाते थे जिसको (आख़िरकार) खुदा ज़ाहिर करने वाला था और तुम लोगों से डरते थे हालॉकि खुदा इसका ज्यादा हक़दार है कि तुम उस से डरो ग़रज़ जब ज़ैद अपनी हाजत पूरी कर चुका (तलाक़ दे दी) तो हमने (हुक्म देकर) उस औरत (ज़ैनब) का निकाह तुमसे कर दिया ताकि आम मोमिनीन को अपने ले पालक लड़कों की बीवियों (से निकाह करने) में जब वह अपना मतलब उन औरतों से पूरा कर चुकें (तलाक़ दे दें) किसी तरह की तंगी न रहे और खुदा का हुक्म तो किया कराया हुआ (क़तई) होता है
أَنْعَمَ اللهُ عَلَيْهِ – আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন (অর্থাৎ ইসলামের অনুগ্রহ)।
وَأَنْعَمْتَ عَلَيْهِ – এবং তুমি যার উপর অনুগ্রহ করেছ (অর্থাৎ দাসত্ব থেকে মুক্ত করে স্বাধীনতা দান)।
أَمْسِكْ عَلَيْكَ زَوْجَكَ – তুমি তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছে রেখে দাও, অর্থাৎ তাকে তালাক দিও না।
وَطَرًا – প্রয়োজন, চাহিদা বা কামনা পূরণ।
أَدْعِيَائِهِمْ – যাদেরকে তারা পুত্ররূপে গ্রহণ করেছিল (দত্তক পুত্র)।
حَرَجٌ – সংকীর্ণতা, গুনাহ বা অসুবিধা।
তাফসীর:
হে নবী! আপনি স্মরণ করুন সেই সময়ের কথা, যখন আপনি বলেছিলেন সেই ব্যক্তিকে—যার প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেন ইসলামের মাধ্যমে এবং আপনিও অনুগ্রহ করেছিলেন তাকে দাসত্বমুক্ত করার মাধ্যমে—সে হলো যায়িদ ইবনে হারিসা (রা.)। যায়িদ (রা.) যখন আপনার কাছে এসে তাঁর স্ত্রী জয়নব বিনতে জাহশকে তালাক দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন, তখন আপনি তাকে বললেন: “তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছে রেখে দাও, তাকে তালাক দিও না, এবং আল্লাহকে ভয় করো।” কিন্তু হে নবী! আপনার অন্তরে এমন একটি বিষয় ছিল যা আল্লাহ আপনার কাছে প্রকাশ করেছিলেন—সেটি হলো, আল্লাহর ইচ্ছায় জয়নব (রা.) আপনার সাথে বিবাহিত হবেন। কিন্তু আপনি তা প্রকাশ করছিলেন না এবং লোকদের কথা ভয় পাচ্ছিলেন—মুনাফিক ও ইয়াহুদীরা যেন না বলে যে, মুহাম্মদ (সা.) নিজের দত্তক পুত্রের স্ত্রীকে বিবাহ করলেন। অথচ আল্লাহই সেই সত্তা যিনি সবচেয়ে বেশি ভয় পাওয়ার যোগ্য, মানুষের ভয় নয়।
অতঃপর যখন যায়িদ (রা.) তার স্ত্রীর থেকে সম্পূর্ণরূপে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন, তালাক দিলেন এবং তার ইদ্দত শেষ হলো, তখন আল্লাহ তাআলা আপনাকে তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করলেন। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন—যাতে মুমিনদের জন্য দত্তক পুত্রের তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে বিবাহ করা কোনো গুনাহ বা সংকীর্ণতা না হয়। কারণ ইসলামে দত্তক পুত্রকে প্রকৃত পুত্রের মর্যাদা দেওয়া হয় না; তারা তো অন্য লোকের সন্তান। সুতরাং তাদের স্ত্রীদের সাথে বিবাহ বৈধ, যখন তারা তালাক দিয়ে পৃথক হয়ে যাবে এবং ইদ্দত শেষ করবে। আর আল্লাহর আদেশ অবশ্যই বাস্তবায়িত হয়—কোনো শক্তি তা রোধ করতে পারে না।
এই ঘটনার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমাদের শিখিয়েছেন যে, ইসলাম জাহিলিয়াতের সকল কুসংস্কার ও ভিত্তিহীন রীতিনীতি বাতিল করেছে। দত্তক পুত্রের সাথে প্রকৃত পুত্রের সম্পর্ক নেই, তাই তার স্ত্রীকে বিবাহ করা সম্পূর্ণ বৈধ। আর আল্লাহর সন্তুষ্টিকে মানুষের ভয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যারা আল্লাহর আদেশের সামনে মানুষের কথা ভয় পায়, তারা প্রকৃত মুমিন নয়। আল্লাহর আদেশই চূড়ান্ত—তিনি যা চান তা-ই ঘটে, আর তাঁর সিদ্ধান্তের সামনে কোনো বাধা নেই।
আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।
আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়।
আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।
আল্লাহ নবীর জন্যে যা নির্ধারণ করেন, তাতে তাঁর কোন বাধা নেই পূর্ববর্তী নবীগণের ক্ষেত্রে এটাই ছিল আল্লাহর চিরাচরিত বিধান। আল্লাহর আদেশ নির্ধারিত, অবধারিত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।