Alam tara annal laaha ya`lamu maa fis samaawaati wa maa fil ardi maa yakoonu min najwaa salaasatin illaa Huwa raabi`uhum wa laa khamsatin illaa huwa saadisuhum wa laaa adnaa min zaalika wa laaa aksara illaa huwa ma`ahum ayna, maa kaanoo summa yunabbi`uhum bimaa `amiloo yawmal qiyaamah; innal laaha bikulli shai`in aleem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আপনি কি ভেবে দেখেননি যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, আল্লাহ তা জানেন। তিন ব্যক্তির এমন কোন পরামর্শ হয় না যাতে তিনি চতুর্থ না থাকেন এবং পাঁচ জনেরও হয় না, যাতে তিনি ষষ্ঠ না থাকেন তারা এতদপেক্ষা কম হোক বা বেশী হোক তারা যেখানেই থাকুক না কেন তিনি তাদের সাথে আছেন, তারা যা করে, তিনি কেয়ামতের দিন তা তাদেরকে জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
क्या तुमको मालूम नहीं कि जो कुछ आसमानों में है और जो कुछ ज़मीन में है (ग़रज़ सब कुछ) ख़ुदा जानता है जब तीन (आदमियों) का ख़ुफिया मशवेरा होता है तो वह (ख़ुद) उनका ज़रूर चौथा है और जब पाँच का मशवेरा होता है तो वह उनका छठा है और उससे कम हो या ज्यादा और चाहे जहाँ कहीं हो वह उनके साथ ज़रूर होता है फिर जो कुछ वह (दुनिया में) करते रहे क़यामत के दिन उनको उससे आगाह कर देगा बेशक ख़ुदा हर चीज़ से ख़ूब वाक़िफ़ है
ইউনাব্বি’উহুম: তিনি তাদেরকে অবহিত করবেন, জানিয়ে দেবেন।
তাফসির:
হে নবী! আপনি কি জানেন না যে, আল্লাহ তাআলা আসমান ও জমিনের সমস্ত কিছুই জানেন? তাঁর জ্ঞান থেকে কিছুই লুকানো নেই। তিনজন লোক যখন গোপনে পরামর্শ করে, তখন আল্লাহ তাদের চতুর্থজন হিসেবে উপস্থিত থাকেন তাঁর জ্ঞান ও পরিপূর্ণ অবগতির মাধ্যমে। আর পাঁচজন গোপন পরামর্শ করলে তিনি তাদের ষষ্ঠজন। এর চেয়ে কম হোক বা বেশি হোক—তারা যেখানেই থাকুক না কেন, আল্লাহ সর্বদা তাদের সাথেই আছেন তাঁর জ্ঞানের মাধ্যমে। তাদের গোপন কথার একটি শব্দও তাঁর অগোচরে নয়। অতঃপর কিয়ামতের দিন তিনি তাদেরকে জানিয়ে দেবেন যা কিছু তারা দুনিয়ায় করেছে—ভালো বা মন্দ—এবং সে অনুযায়ী তাদের প্রতিদান দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রতিটি বিষয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞানী, তাঁর জ্ঞানের বাইরে কিছুই নেই।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহর জ্ঞান সর্বব্যাপী ও পরিপূর্ণ। আসমান-জমিনের কোনো কিছুই তাঁর জ্ঞানের বাইরে নয়, এমনকি মানুষের গোপন মন্ত্রণাও।
একজন মুমিনের জন্য এটি গভীর আত্মসচেতনতা সৃষ্টি করে—যখনই সে কোনো কাজ বা কথা বলে, সে জানে যে আল্লাহ তা দেখছেন ও শুনছেন। তাই তার উচিত সর্বদা ভালো কথা বলা এবং ভালো কাজ করা।
গোপন ষড়যন্ত্র বা খারাপ পরিকল্পনা করা সম্পূর্ণ নিরর্থক, কারণ আল্লাহ তা জানেন এবং কিয়ামতের দিন তিনি সবকিছু প্রকাশ করে দেবেন। তাই সৎ ও স্বচ্ছ জীবনযাপনই শ্রেষ্ঠ পথ।
এই জ্ঞান মুমিনকে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা ও আস্থা রাখতে শেখায়। যখন আমরা জানি যে আল্লাহ সর্বদা আমাদের সাথে আছেন এবং আমাদের অবস্থা সম্পর্কে অবগত, তখন আমরা কখনো একা বা অসহায় বোধ করি না।
কিয়ামতের দিন আল্লাহ আমাদের সমস্ত আমলের হিসাব নেবেন এবং ন্যায়বিচার করবেন। এই বিশ্বাস মানুষকে দায়িত্বশীল করে তোলে এবং তাকে সৎকর্মে উদ্বুদ্ধ করে।
আপনি কি ভেবে দেখেননি যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, আল্লাহ তা জানেন। তিন ব্যক্তির এমন কোন পরামর্শ হয় না যাতে তিনি চতুর্থ না থাকেন এবং পাঁচ জনেরও হয় না, যাতে তিনি ষষ্ঠ না থাকেন তারা এতদপেক্ষা কম হোক বা বেশী হোক তারা যেখানেই থাকুক না কেন তিনি তাদের সাথে আছেন, তারা যা করে, তিনি কেয়ামতের দিন তা তাদেরকে জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
যারা আল্লাহর তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা অপদস্থ হয়েছে, যেমন অপদস্থ হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীরা। আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
সেদিন স্মরণীয়; যেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে পুনরুত্থিত করবেন, অতঃপর তাদেরকে জানিয়ে দিবেন যা তারা করত। আল্লাহ তার হিসাব রেখেছেন, আর তারা তা ভুলে গেছে। আল্লাহর সামনে উপস্থিত আছে সব বস্তুই।
আপনি কি ভেবে দেখেননি যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, আল্লাহ তা জানেন। তিন ব্যক্তির এমন কোন পরামর্শ হয় না যাতে তিনি চতুর্থ না থাকেন এবং পাঁচ জনেরও হয় না, যাতে তিনি ষষ্ঠ না থাকেন তারা এতদপেক্ষা কম হোক বা বেশী হোক তারা যেখানেই থাকুক না কেন তিনি তাদের সাথে আছেন, তারা যা করে, তিনি কেয়ামতের দিন তা তাদেরকে জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
আপনি কি ভেবে দেখেননি, যাদেরকে কানাঘুষা করতে নিষেধ করা হয়েছিল অতঃপর তারা নিষিদ্ধ কাজেরই পুনরাবৃত্তি করে এবং পাপাচার, সীমালংঘন এবং রসূলের অবাধ্যতার বিষয়েই কানাঘুষা করে। তারা যখন আপনার কাছে আসে, তখন আপনাকে এমন ভাষায় সালাম করে, যদ্দ্বারা আল্লাহ আপনাকে সালাম করেননি। তারা মনে মনে বলেঃ আমরা যা বলি, তজ্জন্যে আল্লাহ আমাদেরকে শাস্তি দেন না কেন? জাহান্নামই তাদের জন্যে যথেষ্ট। তারা তাতে প্রবেশ করবে। কতই না নিকৃষ্ট সেই জায়গা।
মুমিনগণ, তোমরা যখন কানাকানি কর, তখন পাপাচার, সীমালংঘন ও রসূলের অবাধ্যতার বিষয়ে কানাকানি করো না বরং অনুগ্রহ ও খোদাভীতির ব্যাপারে কানাকানি করো। আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর কাছে তোমরা একত্রিত হবে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।