Wa ja`aloo lillaahi mimmaa zara-a minal harsi walan`aami naseeban faqaaloo haazaa lillaahi biza`mihim wa haaza lishurakaa`inaa famaa kaana lishurakaaa`ihim falaa yasilu ilal laahi wa maa kaana lillaahi fahuwa yasilu ilaa shurakaaa`ihim; saaa`a maa yahkumoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আল্লাহ যেসব শস্যক্ষেত্র ও জীবজন্তু সৃষ্টি করেছেন, সেগুলো থেকে তারা এক অংশ আল্লাহর জন্য নির্ধারণ করে অতঃপর নিজ ধারণা অনুসারে বলে এটা আল্লাহর এবং এটা আমাদের অংশীদারদের। অতঃপর যে অংশ তাদের অংশীদারদের, তা তো আল্লাহর দিকে পৌঁছে না এবং যা আল্লাহর তা তাদের উপাস্যদের দিকে পৌছে যায়। তাদের বিচার কতই না মন্দ।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और ये लोग ख़ुदा की पैदा की हुई खेती और चौपायों में से हिस्सा क़रार देते हैं और अपने ख्याल के मुवाफिक कहते हैं कि ये तो ख़ुदा का (हिस्सा) है और ये हमारे शरीकों का (यानि जिनको हमने ख़ुदा का शरीक बनाया) फिर जो ख़ास उनके शरीकों का है वह तो ख़ुदा तक नहीं पहुँचने का और जो हिस्सा ख़ुदा का है वो उसके शरीकों तक पहुँच जाएगा ये क्या ही बुरा हुक्म लगाते हैं और उसी तरह बहुतेरे मुशरकीन को उनके शरीकों ने अपने बच्चों को मार डालने को अच्छा कर दिखाया है
الْأَنْعَامِ অর্থ চতুষ্পদ গৃহপালিত পশু (উট, গরু, ছাগল, ভেড়া)।
نَصِيبًا অর্থ অংশ বা ভাগ।
بِزَعْمِهِمْ অর্থ তাদের মিথ্যা ধারণা ও মনগড়া দাবির ভিত্তিতে।
شُرَكَائِنَا অর্থ আমাদের শরিকরা (অর্থাৎ মূর্তি ও দেবদেবী)।
سَاءَ مَا يَحْكُمُونَ অর্থ তাদের ফয়সালা ও বিচার অত্যন্ত নিকৃষ্ট।
তাফসীর:
মুশরিক আরবরা নিজেদের মনগড়া ধারণা থেকে আল্লাহর জন্য একটি অংশ নির্ধারণ করত এবং তাদের মূর্তি ও দেবদেবীদের জন্যও একটি অংশ বরাদ্দ করত। তারা আল্লাহর অংশ থেকে গরিব, মিসকিন ও অতিথিদের খাওয়াত, আর মূর্তিদের অংশ তাদের সেবক ও পূজারিদের জন্য রাখত। কিন্তু তাদের এই বণ্টনে ছিল চরম অন্যায় ও বৈষম্য। যখন আল্লাহর অংশ থেকে কিছু মূর্তিদের অংশে চলে যেত, তখন তারা তা রেখে দিত এবং বলত, "আল্লাহ তো অভাবমুক্ত, তাঁর কোনো প্রয়োজন নেই।" কিন্তু যখন মূর্তিদের অংশ থেকে কিছু আল্লাহর অংশে চলে যেত, তখন তারা তা ফিরিয়ে নিত এবং বলত, "মূর্তিদের এটির প্রয়োজন আছে।" অর্থাৎ আল্লাহর অংশকে তারা মূর্তিদের জন্য উৎসর্গ করে দিত, কিন্তু মূর্তিদের অংশকে আল্লাহর জন্য কখনো উৎসর্গ করত না। এভাবে তারা আল্লাহকে তাদের মূর্তিদের চেয়েও নিম্নস্তরে স্থান দিত। আল্লাহ তাআলা তাদের এই আচরণকে অত্যন্ত নিন্দনীয় ও জঘন্য ফয়সালা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা এবং নিজের মনগড়া ধারণা অনুযায়ী ধর্মীয় বিধান তৈরি করা চরম অন্যায় ও জঘন্য অপরাধ। মুসলিম হিসেবে আমাদের প্রতিটি কাজ কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী হতে হবে, নিজের মনগড়া মতামত অনুযায়ী নয়।
আল্লাহর প্রতি সঠিক সম্মান ও ভালোবাসা রাখতে হবে। যারা আল্লাহকে ভালোবাসে, আল্লাহ তাদের সম্মান বৃদ্ধি করেন। কিন্তু যারা আল্লাহকে অবজ্ঞা করে, তাদের কর্ম নিষ্ফল হয়।
ইসলাম আমাদের শেখায় সম্পদ, ফসল ও জীবজন্তুর সঠিক ব্যবহার। গরিব-দুঃখী, এতিম ও অভাবগ্রস্তদের প্রতি সদয় হওয়া এবং তাদের অধিকার আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের কর্তব্য।
মানুষের তৈরি কোনো বস্তু বা মূর্তির পেছনে ধর্মীয় গুরুত্ব দেওয়া সম্পূর্ণ ভুল ও শিরক। আল্লাহই একমাত্র ইবাদতের যোগ্য এবং তিনিই সবকিছুর মালিক।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, ন্যায়বিচার ও ইনসাফ ইসলামের মূল ভিত্তি। নিজের স্বার্থ বা অন্য কারো খাতিরে অন্যায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। আল্লাহর বিধানই সর্বোচ্চ এবং সেটিই মানতে হবে।
আল্লাহ যেসব শস্যক্ষেত্র ও জীবজন্তু সৃষ্টি করেছেন, সেগুলো থেকে তারা এক অংশ আল্লাহর জন্য নির্ধারণ করে অতঃপর নিজ ধারণা অনুসারে বলে এটা আল্লাহর এবং এটা আমাদের অংশীদারদের। অতঃপর যে অংশ তাদের অংশীদারদের, তা তো আল্লাহর দিকে পৌঁছে না এবং যা আল্লাহর তা তাদের উপাস্যদের দিকে পৌছে যায়। তাদের বিচার কতই না মন্দ।
আপনি বলে দিনঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা স্বস্থানে কাজ করে যাও, আমিও কাজ করি। অচিরেই জানতে পারবে যে, পরিণাম গৃহ কে লাভ করে। নিশ্চয় জালেমরা সুফলপ্রাপ্ত হবে না।
আল্লাহ যেসব শস্যক্ষেত্র ও জীবজন্তু সৃষ্টি করেছেন, সেগুলো থেকে তারা এক অংশ আল্লাহর জন্য নির্ধারণ করে অতঃপর নিজ ধারণা অনুসারে বলে এটা আল্লাহর এবং এটা আমাদের অংশীদারদের। অতঃপর যে অংশ তাদের অংশীদারদের, তা তো আল্লাহর দিকে পৌঁছে না এবং যা আল্লাহর তা তাদের উপাস্যদের দিকে পৌছে যায়। তাদের বিচার কতই না মন্দ।
এমনিভাবে অনেক মুশরেকের দৃষ্টিতে তাদের উপাস্যরা সন্তান হত্যাকে সুশোভিত করে দিয়েছে যেন তারা তাদেরকে বিনষ্ট করে দেয় এবং তাদের ধর্মমতকে তাদের কাছে বিভ্রান্ত করে দেয়। যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে তারা এ কাজ করত না। অতএব, আপনি তাদেরকে এবং তাদের মনগড়া বুলিকে পরিত্যাগ করুন।
তারা বলেঃ এসব চতুষ্পদ জন্তু ও শস্যক্ষেত্র নিষিদ্ধ। আমরা যাকে ইচছা করি, সে ছাড়া এগুলো কেউ খেতে পারবে না, তাদের ধারণা অনুসারে। আর কিছুসংখ্যক চতুষ্পদ জন্তুর পিঠে আরোহন হারাম করা হয়েছে এবং কিছু সংখ্যক চতুষ্পদ জন্তুর উপর তারা ভ্রান্ত ধারনা বশতঃ আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে না, তাদের মনগড়া বুলির কারণে, অচিরেই তিনি তাদের কে শাস্তি দিবেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।