Kadaabi Aali Fir`awna wal lazeena min qablihim; kafaroo bi Aayaatil laahi fa akhazahu mul laahu bizunoobihim; innal laaha qawiyyun shadeedul `iqaab
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যেমন, রীতি রয়েছে ফেরাউনের অনুসারীদের এবং তাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের ব্যাপারে যে, এরা আল্লাহর নির্দেশের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং সেজন্য আল্লাহ তা’আলা তাদের পাকড়াও করেছেন তাদেরই পাপের দরুন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহাশক্তিশালী, কঠিন শাস্তিদাতা।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(उन लोगों की हालत) क़ौमे फिरऔन और उनके लोगों की सी है जो उन से पहले थे और ख़ुदा की आयतों से इन्कार करते थे तो ख़ुदा ने भी उनके गुनाहों की वजह से उन्हें ले डाला बेशक ख़ुदा ज़बरदस्त और बहुत सख्त अज़ाब देने वाला है
যেমন, রীতি রয়েছে ফেরাউনের অনুসারীদের এবং তাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের ব্যাপারে যে, এরা আল্লাহর নির্দেশের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং সেজন্য আল্লাহ তা’আলা তাদের পাকড়াও করেছেন তাদেরই পাপের দরুন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহাশক্তিশালী, কঠিন শাস্তিদাতা।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
কাদ'বি (كَدَأْبِ): অর্থাৎ তাদের অবস্থা ও আচরণের মতোই।
আলে ফিরআউন (آلِ فِرْعَوْنَ): ফিরআউনের অনুসারী ও তার সম্প্রদায়।
আখাযাহুমুল্লাহ (أَخَذَهُمُ اللهُ): আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করলেন, অর্থাৎ শাস্তি দিলেন।
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের অবস্থা বর্ণনা করেছেন যে, বদর যুদ্ধের দিন তাদের উপর যে শাস্তি নেমে এসেছে, তা কোনো নতুন বা অপ্রত্যাশিত বিষয় নয়। বরং এটাই আল্লাহর চিরাচরিত নিয়ম (সুন্নাত) যা তিনি যুগে যুগে সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের উপর প্রয়োগ করে আসছেন। ফিরআউনের সম্প্রদায় এবং তাদের পূর্ববর্তী অনেক জাতি—যেমন আদ, সামুদ, নূহের সম্প্রদায়—তারাও একই পথ অনুসরণ করেছিল। তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলেছে এবং তাঁর রাসূলদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে আল্লাহ তাদেরকে তাদের পাপের কারণে পাকড়াও করেছেন এবং ধ্বংস করেছেন। কেউই আল্লাহর শাস্তি প্রতিরোধ করতে পারেনি।
এখানে আল্লাহ তাআলা সতর্ক করে দিচ্ছেন যে, এই শাস্তি শুধু অতীতের জাতিদের জন্য সীমাবদ্ধ নয়, বরং যে কেউ কুফরি ও অবাধ্যতার পথে চলবে, তার উপর আল্লাহর এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। আল্লাহ এমন শক্তিশালী যে, কেউ তাঁর ইচ্ছাকে বাধা দিতে পারে না এবং তাঁর শাস্তি অত্যন্ত কঠোর। তাই প্রত্যেকের উচিত আল্লাহর আয়াতকে মেনে নেওয়া এবং তাঁর অবাধ্যতা থেকে বিরত থাকা।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহর শাস্তি থেকে কেউ পালাতে পারে না—ফিরআউনের মতো ক্ষমতাধর শাসকও যখন আল্লাহর নাফরমানি করেছিল, তখন তাকে ডুবিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল। তাই আমাদের উচিত আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা।
ইতিহাসে ঘটে যাওয়া জাতিগুলোর ধ্বংস আমাদের জন্য শিক্ষা। কুরআনে এগুলো বর্ণনা করার উদ্দেশ্য হলো আমরা যেন তাদের ভুল থেকে শিক্ষা নিই এবং সত্যের পথে অবিচল থাকি।
আল্লাহর শক্তি অপরিসীম এবং তাঁর শাস্তি অত্যন্ত কঠোর। কিন্তু তিনি অত্যন্ত দয়ালুও—যে তওবা করে তাঁর দিকে ফিরে আসে, সে তাঁর রহমত পায়। তাই আমাদের উচিত জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং তাঁর সন্তুষ্টির পথে চলা।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, অন্যায় ও জুলুমের পথ কখনো টেকে না। সত্য ও ন্যায়ের পথেই রয়েছে সফলতা এবং শান্তি।
যেমন, রীতি রয়েছে ফেরাউনের অনুসারীদের এবং তাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের ব্যাপারে যে, এরা আল্লাহর নির্দেশের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং সেজন্য আল্লাহ তা’আলা তাদের পাকড়াও করেছেন তাদেরই পাপের দরুন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহাশক্তিশালী, কঠিন শাস্তিদাতা।
তার কারণ এই যে, আল্লাহ কখনও পরিবর্তন করেন না, সে সব নেয়ামত, যা তিনি কোন জাতিকে দান করেছিলেন, যতক্ষণ না সে জাতি নিজেই পরিবর্তিত করে দেয় নিজের জন্য নির্ধারিত বিষয়। বস্তুতঃ আল্লাহ শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।
যেমন ছিল রীতি ফেরাউনের বংশধর এবং যারা তাদের পূর্বে ছিল, তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল স্বীয় পালনকর্তার নিদর্শনসমূহকে। অতঃপর আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছি তাদের পাপের দরুন এবং ডুবিয়ে মেরেছি ফেরাউনের বংশধরদেরকে। বস্তুতঃ এরা সবাই ছিল যালেম।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।