Al`aana khaffafal laahu `ankum wa `alima anna feekum da`faa; fa-iny yakum minkum mi`atun saabiratuny yaghliboo mi`atayn; wa iny-yakum minkum alfuny yaghlibooo alfaini bi iznil laah; wallaahu ma`as saabireen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
এখন বোঝা হালকা করে দিয়েছেন আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর এবং তিনি জেনে নিয়েছেন যে, তোমাদের মধ্য দূর্বলতা রয়েছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে যদি দৃঢ়চিত্ত একশ লোক বিদ্যমান থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর উপর। আর যদি তোমরা এক হাজার হও তবে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী জয়ী হবে দু’হাজারের উপর আর আল্লাহ রয়েছেন দৃঢ়চিত্ত লোকদের সাথে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
अब ख़ुदा ने तुम से (अपने हुक्म की सख्ती में) तख्फ़ीफ (कमी) कर दी और देख लिया कि तुम में यक़ीनन कमज़ोरी है तो अगर तुम लोगों में से साबित क़दम रहने वाले सौ होगें तो दो सौ (काफ़िरों) पर ग़ालिब रहेंगें और अगर तुम लोगों में से (ऐसे) एक हज़ार होगें तो ख़ुदा के हुक्म से दो हज़ार (काफ़िरों) पर ग़ालिब रहेंगे और (जंग की तकलीफों को) झेल जाने वालों का ख़ुदा साथी है
এখন বোঝা হালকা করে দিয়েছেন আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর এবং তিনি জেনে নিয়েছেন যে, তোমাদের মধ্য দূর্বলতা রয়েছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে যদি দৃঢ়চিত্ত একশ লোক বিদ্যমান থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর উপর। আর যদি তোমরা এক হাজার হও তবে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী জয়ী হবে দু’হাজারের উপর আর আল্লাহ রয়েছেন দৃঢ়চিত্ত লোকদের সাথে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
خَفَّفَ — হালকা করেছেন, সহজ করেছেন।
ضَعْفًا — দুর্বলতা, শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতা।
صَابِرَةٌ — ধৈর্যশীল, দৃঢ়পদ।
بِإِذْنِ اللَّهِ — আল্লাহর অনুমতি ও সাহায্যে।
مَعَ الصَّابِرِينَ — ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন, অর্থাৎ তাদের সাহায্য ও সমর্থন করেন।
তাফসীর:
হে মুমিনগণ! পূর্বে আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর এই বিধান দিয়েছিলেন যে, একজন মুমিন দশজন কাফিরের মোকাবিলা করবে। কিন্তু এই বিধান মুমিনদের জন্য কঠিন হয়ে গিয়েছিল। তখন আল্লাহ তাআলা তোমাদের অবস্থা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান রেখে তোমাদের উপর থেকে এই বোঝা হালকা করে দিলেন। তিনি জানতেন যে, তোমাদের মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে — শারীরিক দুর্বলতা, সামর্থ্যের অভাব এবং যুদ্ধের প্রস্তুতির ঘাটতি। তাই তিনি দয়ার সাথে এই বিধান সহজ করে দিলেন।
এখন নতুন বিধান হলো: যদি তোমাদের মধ্যে একশত ধৈর্যশীল ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মুমিন থাকে, তবে তারা দুইশত কাফিরের বিরুদ্ধে জয়লাভ করবে। আর যদি তোমাদের মধ্যে এক হাজার ধৈর্যশীল মুমিন থাকে, তবে তারা আল্লাহর অনুমতি ও সাহায্যে দুই হাজার কাফিরকে পরাজিত করবে। অর্থাৎ এখন একজন মুমিনের উপর দু'জন কাফিরের মোকাবিলা করা ফরজ। এর বেশি সংখ্যার মুখোমুখি হওয়া থেকে সরে আসা জায়েয, তবে শর্ত হলো — যুদ্ধের কৌশল পরিবর্তনের জন্য বা নিজ বাহিনীর সাথে মিলিত হওয়ার জন্য পশ্চাদপসরণ করা যাবে।
আর জেনে রাখো, আল্লাহ তাআলা ধৈর্যশীলদের সাথেই আছেন — তাদেরকে সাহায্য, শক্তি ও বিজয় দান করেন। ধৈর্যই সাফল্যের চাবিকাঠি।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের উপর অত্যন্ত দয়ালু। তিনি বান্দার সামর্থ্য অনুযায়ীই বিধান দেন এবং প্রয়োজনে তা সহজ করে দেন। এটি ইসলামের সহজতা ও নমনীয়তার প্রমাণ।
ধৈর্য ও দৃঢ়তা মুমিনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। সংখ্যায় কম হলেও ধৈর্যশীল মুমিনরা আল্লাহর সাহায্যে সংখ্যায় বেশি শত্রুর বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারে।
বিজয় সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ইচ্ছা ও অনুমতির উপর নির্ভরশীল। তাই মুমিনের উচিত আল্লাহর উপর ভরসা করা এবং তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করা।
ইসলাম কখনো অসম্ভব বোঝা চাপায় না; বরং মানুষের বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেয়। এটি ইসলামের প্রজ্ঞা ও মানবতার প্রতি সহানুভূতির পরিচয়।
আল্লাহর সাথে থাকার অর্থ হলো — তিনি তাঁর বান্দাদের রক্ষা করেন, তাদের অন্তরে শক্তি দেন এবং তাদের প্রচেষ্টায় বরকত দান করেন। তাই মুমিনের জীবনে ধৈর্য ও আল্লাহর উপর ভরসা অপরিহার্য।
হে নবী, আপনি মুসলমানগণকে উৎসাহিত করুন জেহাদের জন্য। তোমাদের মধ্যে যদি বিশ জন দৃঢ়পদ ব্যক্তি থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর মোকাবেলায়। আর যদি তোমাদের মধ্যে থাকে একশ লোক, তবে জয়ী হবে হাজার কাফেরের উপর থেকে তার কারণ ওরা জ্ঞানহীন।
এখন বোঝা হালকা করে দিয়েছেন আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর এবং তিনি জেনে নিয়েছেন যে, তোমাদের মধ্য দূর্বলতা রয়েছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে যদি দৃঢ়চিত্ত একশ লোক বিদ্যমান থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর উপর। আর যদি তোমরা এক হাজার হও তবে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী জয়ী হবে দু’হাজারের উপর আর আল্লাহ রয়েছেন দৃঢ়চিত্ত লোকদের সাথে।
নবীর পক্ষে উচিত নয় বন্দীদিগকে নিজের কাছে রাখা, যতক্ষণ না দেশময় প্রচুর রক্তপাত ঘটাবে। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর, অথচ আল্লাহ চান আখেরাত। আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী হেকমতওয়ালা।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।