Wallazeena kasabus saiyi aati jazaaa`u saiyi`atim bimislihaa wa tarhaquhum zillah; maa lahum minal laahi min `aasimin ka annamaaa ughshiyat wujoohuhum qita `am minal laili muzlimaa; ulaaa`ika Ashaabun Naari hum feeha khaalidoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর যারা সঞ্চয় করেছে অকল্যাণ অসৎ কর্মের বদলায় সে পরিমাণ অপমান তাদের চেহারাকে আবৃত করে ফেলবে। কেউ নেই তাদেরকে বাঁচাতে পারে আল্লাহর হাত থেকে। তাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়ে। এরা হল দোযখবাসী। এরা এতেই থাকবে অনন্তকাল।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और जिन लोगों ने बुरे काम किए हैं तो गुनाह की सज़ा उसके बराबर है और उन पर रुसवाई छाई होगी ख़ुदा (के अज़ाब) से उनका कोई बचाने वाला न होगा (उनके मुह ऐसे काले होंगे) गोया उनके चेहरे यबों यज़ूर (अंधेरी रात) के टुकड़े से ढक दिए गए हैं यही लोग जहन्नुमी हैं कि ये उसमें हमेशा रहेंगे
আর যারা সঞ্চয় করেছে অকল্যাণ অসৎ কর্মের বদলায় সে পরিমাণ অপমান তাদের চেহারাকে আবৃত করে ফেলবে। কেউ নেই তাদেরকে বাঁচাতে পারে আল্লাহর হাত থেকে। তাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়ে। এরা হল দোযখবাসী। এরা এতেই থাকবে অনন্তকাল।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
كَسَبُوا السَّيِّئَاتِ – মন্দ কাজ অর্জন করেছে (কুফরি ও গুনাহের কাজ করেছে)।
تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ – তাদেরকে লাঞ্ছনা ও অপমান আচ্ছন্ন করে ফেলবে।
যারা দুনিয়ায় মন্দ কাজ করেছে—অর্থাৎ কুফরি করেছে, আল্লাহর অবাধ্যতা করেছে এবং তাঁর নাফরমানিতে লিপ্ত হয়েছে—তাদের জন্য রয়েছে তাদের মন্দ কাজের অনুরূপ প্রতিফল। অর্থাৎ তারা যে পরিমাণ মন্দ কাজ করেছে, আল্লাহ তাদেরকে ঠিক সেই পরিমাণ শাস্তি দেবেন—কোনো বাড়াবাড়ি ছাড়া, আবার কোনো কমতিও ছাড়া। কিয়ামতের দিন তাদের চেহারাগুলোকে লাঞ্ছনা ও অপমান আচ্ছন্ন করে ফেলবে। তাদের জন্য আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করার মতো কোনো রক্ষাকারী থাকবে না—না কোনো বন্ধু, না কোনো সুপারিশকারী, না কোনো শক্তি। তাদের অবস্থা হবে এমন, যেন তাদের মুখমণ্ডলকে ঘন অন্ধকার রাতের টুকরো দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে—অর্থাৎ তাদের মুখ হবে কালো, বিষণ্ন ও ভীত-বিহ্বল, জাহান্নামের ধোঁয়া ও আগুনের কালিমায় আচ্ছন্ন। এরাই হলো জাহান্নামের অধিবাসী; তারা তাতে চিরকাল থাকবে, কোনোদিন বের হতে পারবে না।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর ন্যায়বিচার নিখুঁত—তিনি ভালো কাজের প্রতিদান দশ গুণ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত দেন, কিন্তু মন্দ কাজের শাস্তি দেন ঠিক সমান পরিমাণে। এটি আল্লাহর রহমত ও ইনসাফের প্রমাণ।
মন্দ কাজের পরিণাম শুধু আখিরাতের শাস্তিই নয়, বরং দুনিয়াতেই তার প্রভাব পড়ে—মানুষের অন্তর অন্ধকার হয়ে যায়, চেহারায় কালিমা ছড়িয়ে পড়ে এবং সমাজে লাঞ্ছনা ও অপমান নেমে আসে।
আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো তাঁর দিকে ফিরে আসা, তাওবা করা এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা। কোনো মানুষ, কোনো শক্তি বা কোনো উপায়ই আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না।
এই আয়াত আমাদের সতর্ক করে যে, দুনিয়ার সাময়িক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য যেন আমাদেরকে ভুল না দেয়। আসল সফলতা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং জাহান্নামের চিরস্থায়ী শাস্তি থেকে বেঁচে থাকা।
ইসলামের দৃষ্টিতে প্রতিটি কাজের হিসাব হবে নিখুঁতভাবে—ভালো কাজের প্রতিদান এবং মন্দ কাজের শাস্তি উভয়ই নির্ধারিত। তাই আমাদের উচিত প্রতিটি কাজে সতর্ক থাকা এবং আল্লাহর ভয়কে সামনে রেখে জীবন পরিচালনা করা।
যারা সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং তারও চেয়ে বেশী। আর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত করবে না মলিনতা কিংবা অপমান। তারাই হল জান্নাতবাসী, এতেই তারা বসবাস করতে থাকবে অনন্তকাল।
আর যারা সঞ্চয় করেছে অকল্যাণ অসৎ কর্মের বদলায় সে পরিমাণ অপমান তাদের চেহারাকে আবৃত করে ফেলবে। কেউ নেই তাদেরকে বাঁচাতে পারে আল্লাহর হাত থেকে। তাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়ে। এরা হল দোযখবাসী। এরা এতেই থাকবে অনন্তকাল।
আর যেদিন আমি তাদের সবাইকে সমবেত করব; আর যারা শেরক করত তাদেরকে বলবঃ তোমরা এবং তোমাদের শরীকরা নিজ নিজ জায়গায় দাঁড়িয়ে যাও-অতঃপর তাদেরকে পারস্পরিক বিচ্ছিন্ন করে দেব, তখন তাদের শরীকরা বলবে, তোমরা তো আমাদের উপাসনা-বন্দেগী করনি।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।