Wa`adal laahul lazeena aamanoo minkum wa `amilus saalihaati la yastakhlifan nahum fil ardi kamastakh lafal lazeena min qablihim wa la yumakkinanna lahum deenahumul lazir tadaa lahum wa la yubaddilannahum mim ba`di khawfihim amnaa; ya`budoonanee laayushrikoona bee shai`aa; wa man kafara ba`da zaalika fa ulaaa`ika humul faasiqoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকতৃꦣ2468;্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববতীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ ईमानदारों) तुम में से जिन लोगों ने ईमान क़ुबूल किया और अच्छे अच्छे काम किए उन से ख़ुदा ने वायदा किया कि उन को (एक न एक) दिन रुए ज़मीन पर ज़रुर (अपना) नाएब मुक़र्रर करेगा जिस तरह उन लोगों को नाएब बनाया जो उनसे पहले गुज़र चुके हैं और जिस दीन को उसने उनके लिए पसन्द फरमाया है (इस्लाम) उस पर उन्हें ज़रुर ज़रुर पूरी क़ुदरत देगा और उनके ख़ाएफ़ होने के बाद (उनकी हर आस को) अमन से ज़रुर बदल देगा कि वह (इत्मेनान से) मेरी ही इबादत करेंगे और किसी को हमारा शरीक न बनाएँगे और जो शख्स इसके बाद भी नाशुक्री करे तो ऐसे ही लोग बदकार हैं
আল্লাহ তাআলা সেই সব মুমিনদেরকে, যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, সুসংবাদ দিচ্ছেন যে, তিনি অবশ্যই তাদেরকে পৃথিবীতে পূর্ববর্তী নেককার সম্প্রদায়ের মতো খলিফা বা উত্তরাধিকারী বানাবেন। অর্থাৎ, তাদেরকে শত্রুদের ওপর বিজয় দান করবেন এবং জমিনের শাসনভার অর্পণ করবেন, যেমনটি তিনি পূর্ববর্তী নবী-রাসূল ও তাদের অনুসারীদেরকে দিয়েছিলেন। তিনি তাদের জন্য সেই দ্বীনকে (ইসলাম) প্রতিষ্ঠিত করবেন, যা তিনি তাদের জন্য মনোনীত করেছেন—এমনভাবে যে, তা সমস্ত ধর্মের ওপর বিজয়ী হবে এবং শক্তিশালী হয়ে উঠবে। আর তিনি তাদের ভয়-ভীতির পর নিরাপত্তা দান করবেন। যেমনটি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে ঘটেছিল—মক্কায় দশ বছর সাহাবাগণ ভয়ের মধ্যে ছিলেন, অতঃপর হিজরতের পর মদিনায় আল্লাহ তাদেরকে নিরাপত্তা ও শক্তি দান করেন। এই প্রতিশ্রুতি তখনই পূর্ণ হবে, যখন তারা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তার সাথে কোনো কিছুকে শরিক করবে না। আর এই নেয়ামত লাভের পর কেউ কুফরি করলে বা আল্লাহর আদেশ অমান্য করলে, সে-ই প্রকৃত সত্যত্যাগী ও পাপাচারী।
শিক্ষা ও ফায়দা:
আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা এবং ধৈর্য ধারণ করলে অবশ্যই বিজয় আসবে—এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অটল প্রতিশ্রুতি।
ঈমান ও সৎকর্মই হলো সম্মান, কর্তৃত্ব ও নিরাপত্তা লাভের মূল চাবিকাঠি।
ইসলামই হলো সেই একমাত্র দ্বীন, যা আল্লাহ নিজে মনোনীত করেছেন এবং এর প্রতিষ্ঠা আল্লাহর ইচ্ছাতেই হবে।
নিরাপত্তা ও শান্তি তখনই আসবে, যখন মানুষ একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে এবং শিরক থেকে দূরে থাকবে।
আল্লাহর নেয়ামতের পর কৃতজ্ঞ না হয়ে অকৃতজ্ঞতা ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়া সম্পূর্ণ ধ্বংসের কারণ।
তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকতৃꦣ2468;্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববতীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য।
তারা দৃঢ়ভাবে আল্লাহর কসম খেয়ে বলে যে, আপনি তাদেরকে আদেশ করলে তারা সবকিছু ছেড়ে বের হবেই। বলুনঃ তোমরা কসম খেয়ো না। নিয়মানুযায়ী তোমাদের আনুগত্য, তোমরা যা কিছু কর নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে জ্ঞাত।
বলুনঃ আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রসূলের আনুগত্য কর। অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তার উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্যে সে দায়ী এবং তোমাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্যে তোমরা দায়ী। তোমরা যদি তাঁর আনুগত্য কর, তবে সৎ পথ পাবে। রসূলের দায়িত্ব তো কেবল সুস্পষ্টরূপে পৌছে দেয়া।
তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকতৃꦣ2468;্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববতীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।