Falammaaa an araada ai yabtisha billazee huwa `aduwwul lahumaa qaala yaa Moosaaa atureedu an taqtulanee kamaa qatalta nafsam bil amsi in tureedu illaaa an takoona jabbaaram fil ardi wa maa tureedu an takoona minal musliheen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতঃপর মূসা যখন উভয়ের শত্রুকে শায়েস্তা করতে চাইলেন, তখন সে বলল, গতকল্য তুমি যেমন এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলে, সে রকম আমাকেও কি হত্যা করতে চাও? তুমি তো পৃথিবীতে স্বৈরাচারী হতে চাচ্ছ এবং সন্ধি স্থাপনকারী হতে চাও না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ग़रज़ जब मूसा ने चाहा कि उस शख्स पर जो दोनों का दुश्मन था (छुड़ाने के लिए) हाथ बढ़ाएँ तो क़िब्ती कहने लगा कि ऐ मूसा जिस तरह तुमने कल एक आदमी को मार डाला (उसी तरह) मुझे भी मार डालना चाहते हो तो तुम बस ये चाहते हो कि रुए ज़मीन में सरकश बन कर रहो और मसलह (क़ौम) बनकर रहना नहीं चाहते
عَدُوٌّ لَّهُمَا – তাদের উভয়ের (মূসা ও ইসরাঈলীর) শত্রু।
جَبَّارًا – অত্যাচারী, স্বেচ্ছাচারী, যে অন্যায়ভাবে মানুষকে হত্যা করে।
مِنَ الْمُصْلِحِينَ – যারা মানুষের মধ্যে সন্ধি স্থাপন করে, সংস্কারকদের অন্তর্ভুক্ত।
তفسير:
মূসা (আঃ) পূর্বের দিনে এক কিবতী (মিশরীয়) ব্যক্তিকে আঘাত করে ফেলেছিলেন, যা ছিল তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে এবং তা ছিল একটি ভুল। এরপরের দিন তিনি দেখতে পেলেন, সেই একই ইসরাঈলী লোকটি আরেক কিবতীর সাথে ঝগড়া করছে। মূসা (আঃ) ইসরাঈলীকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে গেলেন এবং কিবতীকে শায়েস্তা করার ইচ্ছা করলেন। কিন্তু ইসরাঈলী লোকটি ভুল বুঝে মনে করল, মূসা (আঃ) তাকে আঘাত করতে চাচ্ছেন। কারণ সে পূর্বের দিনের ঘটনা জানত এবং মূসার রাগান্বিত অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে গেল। সে চিৎকার করে বলল, “হে মূসা! তুমি কি আমাকে হত্যা করতে চাও, যেমন গতকাল তুমি এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছ? তুমি তো শুধু পৃথিবীতে একজন অত্যাচারী হতে চাও, আর তুমি সংস্কারকদের অন্তর্ভুক্ত হতে চাও না!”
অর্থাৎ, ইসরাঈলী লোকটি মূসা (আঃ)-কে অত্যাচারী ও হত্যাকারী হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করল, যদিও মূসা (আঃ) এর উদ্দেশ্য ছিল তাকে রক্ষা করা এবং অত্যাচারী কিবতীকে দমন করা। এই ঘটনার মাধ্যমে মূসা (আঃ)-এর পরিচয় প্রকাশ পেয়ে যায় এবং বিষয়টি ফেরাউনের কাছে পৌঁছে যায়, ফলে তারা মূসা (আঃ)-কে হত্যার পরিকল্পনা করে।
ফায়েদা (শিক্ষা):
রাগের সময় সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি। রাগের বশবর্তী হয়ে কোনো কাজ করলে তা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করতে পারে এবং বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।
মানুষের মধ্যে সন্ধি স্থাপন ও সংস্কার করা ইসলামের অন্যতম মহান শিক্ষা। মুমিনের উচিত সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা, অত্যাচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।
কোনো ভালো কাজ করতে গেলেও মানুষের ভুল বোঝাবুঝির কারণে সমস্যা হতে পারে, কিন্তু ধৈর্য ও প্রজ্ঞার সাথে তা মোকাবিলা করতে হবে। মূসা (আঃ)-এর মতো নবীও এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন, তাই আমাদের উচিত ধৈর্য ধরা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা।
এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া যায় যে, মানুষের কথা ও কাজের পেছনে প্রকৃত উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করা উচিত, তাড়াহুড়ো করে কাউকে দোষারোপ করা উচিত নয়।
আল্লাহর নবীগণও সাধারণ মানুষের মতোই পরিস্থিতির চাপে পড়তেন, কিন্তু আল্লাহ তাদের রক্ষা করতেন। সুতরাং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা এবং সৎ পথে অবিচল থাকা প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য।
অতঃপর মূসা যখন উভয়ের শত্রুকে শায়েস্তা করতে চাইলেন, তখন সে বলল, গতকল্য তুমি যেমন এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলে, সে রকম আমাকেও কি হত্যা করতে চাও? তুমি তো পৃথিবীতে স্বৈরাচারী হতে চাচ্ছ এবং সন্ধি স্থাপনকারী হতে চাও না।
অতঃপর তিনি প্রভাতে উঠলেন সে শহরে ভীত-শংকিত অবস্থায়। হঠাৎ তিনি দেখলেন, গতকল্য যে ব্যক্তি তাঁর সাহায্য চেয়েছিল, সে চিৎকার করে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করছে। মূসা তাকে বললেন, তুমি তো একজন প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট ব্যক্তি।
অতঃপর মূসা যখন উভয়ের শত্রুকে শায়েস্তা করতে চাইলেন, তখন সে বলল, গতকল্য তুমি যেমন এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলে, সে রকম আমাকেও কি হত্যা করতে চাও? তুমি তো পৃথিবীতে স্বৈরাচারী হতে চাচ্ছ এবং সন্ধি স্থাপনকারী হতে চাও না।
এসময় শহরের প্রান্ত থেকে একব্যক্তি ছুটে আসল এবং বলল, হে মূসা, রাজ্যের পরিষদবর্গ তোমাকে হত্যা করার পরমর্শ করছে। অতএব, তুমি বের হয়ে যাও। আমি তোমার হিতাকাঙ্ক্ষী।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।