laa khaira fee kaseerim min najwaahum illaa man amara bisadaqatin aw ma`roofin aw islaahim bainan naas; wa mai yaf`al zaalikab tighaaa`a mardaatil laahi fa sawfa nu`teehi ajran `azeemaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তাদের অধিকাংশ সলা-পরামর্শ ভাল নয়; কিন্তু যে সলা-পরামর্শ দান খয়রাত করতে কিংবা সৎকাজ করতে কিংবা মানুষের মধ্যে সন্ধিস্থাপন কল্পে করতো তা স্বতন্ত্র। যে একাজ করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমি তাকে বিরাট ছওয়াব দান করব।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) उनके राज़ की बातों में अक्सर में भलाई (का तो नाम तक) नहीं मगर (हॉ) जो शख्स किसी को सदक़ा देने या अच्छे काम करे या लोगों के दरमियान मेल मिलाप कराने का हुक्म दे (तो अलबत्ता एक बात है) और जो शख्स (महज़) ख़ुदा की ख़ुशनूदी की ख्वाहिश में ऐसे काम करेगा तो हम अनक़रीब ही उसे बड़ा अच्छा बदला अता फरमाएंगे
তাদের অধিকাংশ সলা-পরামর্শ ভাল নয়; কিন্তু যে সলা-পরামর্শ দান খয়রাত করতে কিংবা সৎকাজ করতে কিংবা মানুষের মধ্যে সন্ধিস্থাপন কল্পে করতো তা স্বতন্ত্র। যে একাজ করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমি তাকে বিরাট ছওয়াব দান করব।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
নাজওয়া (নাজওয়াহুম): গোপন পরামর্শ, চুপিচুপি কথা বলা বা গোপন আলোচনা।
সাদাকাহ: দান-খয়রাত, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দেওয়া হয়।
মা'রূফ: শরিয়ত ও বিবেক-বুদ্ধি সম্মত সকল ভালো কাজ, সৎকর্ম।
মারদাত (মারদাতিল্লাহ): আল্লাহর সন্তুষ্টি ও রিযামন্দি।
তাফসির:
মানুষের মধ্যে অনেক সময় গোপন পরামর্শ বা চুপিচুপি আলোচনা হয়ে থাকে। আল্লাহ তাআলা এখানে স্পষ্ট জানিয়ে দিচ্ছেন যে, এরকম অধিকাংশ গোপন আলোচনায় কোনো কল্যাণ নেই। বরং অনেক সময় এগুলো হয় শত্রুতা, ষড়যন্ত্র, অহংকার বা খারাপ উদ্দেশ্যে পরিচালিত। তবে এর থেকে কিছু ব্যতিক্রম আছে, যাদের গোপন আলোচনা বা পরামর্শ কল্যাণকর। তা হলো—যদি কেউ গোপনে বা প্রকাশ্যে কাউকে সাদাকাহ (দান-খয়রাত) করার আদেশ দেয়, অথবা কোনো সৎকর্ম ও ভালো কাজের (মা'রূফ) নির্দেশ দেয়, অথবা মানুষের মধ্যে বিবাদ-বিরোধ মিটিয়ে দেওয়ার (ইসলাহ) চেষ্টা করে। এই তিনটি বিষয়ের জন্য গোপন আলোচনা বা পরামর্শ করা সম্পূর্ণ বৈধ এবং কল্যাণকর।
এরপর আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করছেন যে, যে ব্যক্তি এই ভালো কাজগুলো (সাদাকাহ, মা'রূফ, ইসলাহ) করে, তাও আবার শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে করে, তার জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার। আল্লাহ তাআলা তাকে অচিরেই বিশাল ও সম্মানজনক প্রতিদান দেবেন, যা তার ধারণার বাইরে হবে।
শিক্ষা ও ফায়দা:
গোপন আলোচনা বা পরামর্শ নিজে নিজে খারাপ নয়, তবে তা যদি হয় কল্যাণকর ও সৎকাজের জন্য, তাহলে তা প্রশংসনীয়। কিন্তু ষড়যন্ত্র বা ক্ষতিকর বিষয়ে গোপন আলোচনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও বর্জনীয়।
দান-সাদাকাহ, সৎকাজের আদেশ এবং মানুষের মধ্যে মীমাংসা করা—এই তিনটি কাজ এতই গুরুত্বপূর্ণ যে, এর জন্য গোপন পরামর্শ করাও বৈধ।
যেকোনো ভালো কাজের মূল চালিকাশক্তি হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি। মানুষের প্রশংসা বা পার্থিব স্বার্থের জন্য নয়। যখনই নিয়ত হবে খাঁটি, তখনই আল্লাহর পক্ষ থেকে অফুরন্ত পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষের মধ্যে বিরোধ মিটানো অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ। এটি মুসলিম সমাজকে সুসংহত রাখে এবং পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি করে।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, গোপন পরামর্শের সুযোগকে ভালো কাজে ব্যবহার করা উচিত, যেমন—কারো সমস্যা সমাধানে গোপন সাহায্য করা, কাউকে গোপনে দান করা ইত্যাদি, যাতে তার সম্মান রক্ষা পায়।
যদি আপনার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা না হত, তবে তাদের একদল আপনাকে পথভ্রষ্ট করার সংকল্প করেই ফেলেছিল। তারা পথভ্রান্ত করতে পারে না কিন্তু নিজেদেরকেই এবং আপনার কোন অনিষ্ট করতে পারে না। আল্লাহ আপনার প্রতি ঐশী গ্রন্থ ও প্রজ্ঞা অবতীর্ণ করেছেন এবং আপনাকে এমন বিষয় শিক্ষা দিয়েছেন, যা আপনি জানতেন না। আপনার প্রতি আল্লাহর করুণা অসীম।
তাদের অধিকাংশ সলা-পরামর্শ ভাল নয়; কিন্তু যে সলা-পরামর্শ দান খয়রাত করতে কিংবা সৎকাজ করতে কিংবা মানুষের মধ্যে সন্ধিস্থাপন কল্পে করতো তা স্বতন্ত্র। যে একাজ করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমি তাকে বিরাট ছওয়াব দান করব।
যে কেউ রসূলের বিরুদ্ধাচারণ করে, তার কাছে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সব মুসলমানের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ঐ দিকেই ফেরাব যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।