yaaa aiyuhal lazeena aamanoo laa taqrabus Salaata wa antum sukaaraa hatta ta`lamoo ma taqooloona wa la junuban illaa `aabiree sabeelin hatta taghtasiloo; wa in kuntum mardaaa aw `alaa safarin aw jaaa`a ahadum minkum minal ghaaa`iti aw laamastumun nisaaa`a falam tajidoo maaa`an fatayam mamoo sa`eedan taiyiban famsahoo biwujoohikum wa aideekum; innal laaha kaana `Afuwwan Ghafooraa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ, আর (নামাযের কাছে যেও না) ফরয গোসলের আবস্থায়ও যতক্ষণ না গোসল করে নাও। কিন্তু মুসাফির অবস্থার কথা স্বতন্ত্র আর যদি তোমরা অসুস্থ হয়ে থাক কিংবা সফরে থাক অথবা তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি প্রস্রাব-পায়খানা থেকে এসে থাকে কিংবা নারী গমন করে থাকে, কিন্তু পরে যদি পানিপ্রাপ্তি সম্ভব না হয়, তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-তাতে মুখমন্ডল ও হাতকে ঘষে নাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ऐ ईमानदारों तुम नशे की हालत में नमाज़ के क़रीब न जाओ ताकि तुम जो कुछ मुंह से कहो समझो भी तो और न जिनाबत की हालत में यहॉ तक कि ग़ुस्ल कर लो मगर राह गुज़र में हो (और गुस्ल मुमकिन नहीं है तो अलबत्ता ज़रूरत नहीं) बल्कि अगर तुम मरीज़ हो और पानी नुक़सान करे या सफ़र में हो तुममें से किसी का पैख़ाना निकल आए या औरतों से सोहबत की हो और तुमको पानी न मयस्सर हो (कि तहारत करो) तो पाक मिट्टी पर तैमूम कर लो और (उस का तरीक़ा ये है कि) अपने मुंह और हाथों पर मिट्टी भरा हाथ फेरो तो बेशक ख़ुदा माफ़ करने वाला है (और) बख्श ने वाला है
جُنُبًا – যে ব্যক্তি অপবিত্র (স্ত্রী সহবাস বা বীর্যপাতের কারণে গোসল ফরজ হয়েছে)।
عَابِرِي سَبِيلٍ – পথ অতিক্রমকারী (যে ব্যক্তি মসজিদের ভেতর দিয়ে কেবল পার হয়ে যায়)।
الْغَائِطِ – পায়খানা বা প্রস্রাবের প্রয়োজন চরিতার্থ করা (শৌচকর্ম)।
لَامَسْتُمُ النِّسَاءَ – স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা (বা স্পর্শ করা)।
صَعِيدًا طَيِّبًا – পবিত্র মাটি বা এমন জিনিস যা মাটি জাতীয় (যেমন বালি, পাথর) এবং তা পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন।
تَيَمَّمُوا – তায়াম্মুম করা অর্থাৎ পবিত্র মাটি দ্বারা মুখমণ্ডল ও হাত মাসেহ করা।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন অবস্থায় নামাজের কাছেও যেয়ো না, যখন তোমরা মাতাল থাকো — যতক্ষণ না তোমরা বুঝতে পারো কী বলছ। (এ নির্দেশ ছিল মদ সম্পূর্ণ হারাম হওয়ার আগের সময়কালে, যখন মাতাল অবস্থায় নামাজ পড়া নিষিদ্ধ ছিল। পরে মদ সম্পূর্ণরূপে হারাম ঘোষণা করা হয়।)
আর তোমরা জুনুব (অপবিত্র) অবস্থায়ও নামাজের কাছেও যেয়ো না — অর্থাৎ মসজিদে প্রবেশ করো না — তবে যদি কেউ কেবল পথ অতিক্রমকারী হয় (এক দরজা দিয়ে প্রবেশ করে অন্য দরজা দিয়ে বের হয়ে যায়) তাহলে তা অনুমোদিত। যতক্ষণ না তোমরা গোসল করো।
আর যদি তোমরা অসুস্থ হও (এমন অসুখ যা পানির ব্যবহারে ক্ষতি হতে পারে), অথবা সফরে থাকো, অথবা তোমাদের কেউ শৌচকর্ম থেকে ফিরে আসে (অর্থাৎ পায়খানা-প্রস্রাব করে), অথবা তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস করো — আর (এসব ক্ষেত্রে) পানি না পাও, তাহলে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করো। অর্থাৎ পবিত্র মাটিতে হাত মারো এবং তা দিয়ে তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত মাসেহ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমাশীল ও পরম forgiveকারী — তিনি তোমাদের প্রতি দয়ালু এবং তোমাদের অসুবিধা দূর করার জন্য এই সহজ বিধান দিয়েছেন।
উপকারিতা ও শিক্ষা:
ইসলাম একটি সহজ ও বাস্তবসম্মত ধর্ম। অসুস্থতা, সফর বা পানির অনুপলব্ধতায় আল্লাহ তায়াম্মুমের মতো সহজ বিকল্প দিয়েছেন, যা প্রমাণ করে ইসলাম কখনো মানুষের ওপর কঠোরতা চাপায় না।
নামাজের পবিত্রতা ও গুরুত্ব অপরিসীম। নামাজের জন্য শারীরিক ও মানসিক পবিত্রতা অপরিহার্য, কারণ এটি আল্লাহর সাথে বান্দার সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যম।
মাতাল অবস্থায় নামাজ পড়া নিষিদ্ধ ছিল — এটি ধীরে ধীরে মদ হারাম করার প্রস্তুতি ছিল। এতে বোঝা যায়, ইসলাম যেকোনো ক্ষতিকর অভ্যাস দূর করতে ধাপে ধাপে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।
মসজিদের পবিত্রতা ও সম্মান রক্ষা করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব। অপবিত্র অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ না করা ইসলামের শিষ্টাচার ও আদব শেখায়।
আল্লাহর ক্ষমা ও দয়া অপরিসীম। তিনি বান্দার দুর্বলতা ও অসুবিধা বুঝেন এবং সে অনুযায়ী সহজ বিধান দেন। এটি মুমিনের মনে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও ভরসা বৃদ্ধি করে।
হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ, আর (নামাযের কাছে যেও না) ফরয গোসলের আবস্থায়ও যতক্ষণ না গোসল করে নাও। কিন্তু মুসাফির অবস্থার কথা স্বতন্ত্র আর যদি তোমরা অসুস্থ হয়ে থাক কিংবা সফরে থাক অথবা তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি প্রস্রাব-পায়খানা থেকে এসে থাকে কিংবা নারী গমন করে থাকে, কিন্তু পরে যদি পানিপ্রাপ্তি সম্ভব না হয়, তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-তাতে মুখমন্ডল ও হাতকে ঘষে নাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।
সেদিন কামনা করবে সে সমস্ত লোক, যারা কাফের হয়েছিল এবং রসূলের নাফরমানী করেছিল, যেন যমীনের সাথে মিশে যায়। কিন্তু গোপন করতে পারবে না আল্লাহর নিকট কোন বিষয়।
হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ, আর (নামাযের কাছে যেও না) ফরয গোসলের আবস্থায়ও যতক্ষণ না গোসল করে নাও। কিন্তু মুসাফির অবস্থার কথা স্বতন্ত্র আর যদি তোমরা অসুস্থ হয়ে থাক কিংবা সফরে থাক অথবা তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি প্রস্রাব-পায়খানা থেকে এসে থাকে কিংবা নারী গমন করে থাকে, কিন্তু পরে যদি পানিপ্রাপ্তি সম্ভব না হয়, তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-তাতে মুখমন্ডল ও হাতকে ঘষে নাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।