Qaala awa law ji`tukum bi ahdaa mimmaa wajattum `alaihi aabaaa`akum qaalooo innaa bimaaa ursiltum bihee kaafiroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
সে বলত, তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষদেরকে যে বিষয়ের উপর পেয়েছ, আমি যদি তদপেক্ষা উত্তম বিষয় নিয়ে তোমাদের কাছে এসে থাকি, তবুও কি তোমরা তাই বলবে? তারা বলত তোমরা যে বিষয়সহ প্রেরিত হয়েছ, তা আমরা মানব না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(इस पर) उनके पैग़म्बर ने कहा भी जिस तरीक़े पर तुमने अपने बाप दादाओं को पाया अगरचे मैं तुम्हारे पास इससे बेहतर राहे रास्त पर लाने वाला दीन लेकर आया हूँ (तो भी न मानोगे) वह बोले (कुछ हो मगर) हम तो उस दीन को जो तुम देकर भेजे गए हो मानने वाले नहीं
সে বলত, তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষদেরকে যে বিষয়ের উপর পেয়েছ, আমি যদি তদপেক্ষা উত্তম বিষয় নিয়ে তোমাদের কাছে এসে থাকি, তবুও কি তোমরা তাই বলবে? তারা বলত তোমরা যে বিষয়সহ প্রেরিত হয়েছ, তা আমরা মানব না।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
أَهْدَىٰ — অধিক পথপ্রদর্শক, অধিক সঠিক পথ দেখায় এমন।
وَجَدتُّمْ — তোমরা পেয়েছ, দেখেছ।
كَافِرُونَ — অস্বীকারকারী, প্রত্যাখ্যানকারী।
তাফসীর:
আয়াতটি প্রসঙ্গত সেই দৃশ্য তুলে ধরছে যখন প্রতিটি জাতির কাছে তাদের রাসূল এসেছিলেন এবং তারা বলেছিল, “আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে যে ধর্মের উপর পেয়েছি, সেটিই আমাদের জন্য যথেষ্ট।” তখন তাদের রাসূলগণ জবাবে বলেছিলেন: “তোমরা কি তোমাদের পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করবে, এমনকি যদি আমি তোমাদের জন্য এমন কিছু (দ্বীন) নিয়ে আসি যা তোমাদের পূর্বপুরুষদের পথের চেয়ে অধিক সঠিক, অধিক হেদায়াতের পথ দেখায়?” অর্থাৎ, রাসূলগণ তাদেরকে যুক্তি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন যে, পূর্বপুরুষদের অন্ধ অনুসরণ কোনো যুক্তিসঙ্গত বিষয় নয়; যদি সত্য ও হেদায়াতের আলো স্পষ্ট হয়ে যায়, তাহলে তাকে গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। কিন্তু তারা অহংকার ও জেদের বশবর্তী হয়ে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করল: “আমরা সেই বিষয়ের প্রতি কুফরী করছি যা তোমরা (রাসূলগণ) নিয়ে এসেছ।” অর্থাৎ তারা শুধু পূর্বপুরুষের পথ ছাড়তে অস্বীকারই করেনি, বরং রাসূলদের আনা সত্যকে প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করল এবং কুফরের উপর অটল থাকার ঘোষণা দিল।
শিক্ষা ও উপদেশ:
পূর্বপুরুষের ধর্ম বা রীতিনীতি অন্ধভাবে অনুসরণ করা ইসলামে সম্পূর্ণ নিন্দনীয়। সত্য ও সঠিক পথের মাপকাঠি হলো কুরআন ও সুন্নাহ, কারো পূর্বপুরুষের রীতি নয়।
দাওয়াতের ক্ষেত্রে রাসূলগণের আদর্শ হলো যুক্তি ও প্রমাণের মাধ্যমে মানুষকে বোঝানো, এমনকি প্রতিপক্ষ জেদ করলেও সত্যের বাণী পৌঁছে দেওয়া।
অহংকার ও জেদ মানুষকে সত্য গ্রহণ থেকে বঞ্চিত করে। যারা সত্য স্পষ্ট হওয়ার পরও তা প্রত্যাখ্যান করে, তারা নিজেদেরই ক্ষতি করে।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, ইসলাম একটি যুক্তিসঙ্গত ও প্রমাণভিত্তিক দ্বীন। এটি মানুষকে অন্ধবিশ্বাসের অন্ধকার থেকে বের করে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার আলোর দিকে আহ্বান করে।
এমনিভাবে আপনার পূর্বে আমি যখন কোন জনপদে কোন সতর্ককারী প্রেরণ করেছি, তখনই তাদের বিত্তশালীরা বলেছে, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে পেয়েছি এক পথের পথিক এবং আমরা তাদেরই পদাংক অনুসরণ করে চলছি।
সে বলত, তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষদেরকে যে বিষয়ের উপর পেয়েছ, আমি যদি তদপেক্ষা উত্তম বিষয় নিয়ে তোমাদের কাছে এসে থাকি, তবুও কি তোমরা তাই বলবে? তারা বলত তোমরা যে বিষয়সহ প্রেরিত হয়েছ, তা আমরা মানব না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।