Wa laa tasubbul lazeena yad`oona min doonil laahi fa yasubbul laaha `adwam bighairi `ilm; kazaalika zaiyannaa likulli ummatin `amalahum summa ilaa Rabbihim marji`uhum fa yunabbi`uhum bimaa kaanooya`maloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তোমরা তাদেরকে মন্দ বলো না, যাদের তারা আরাধনা করে আল্লাহকে ছেড়ে। তাহলে তারা ধৃষ্টতা করে অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহকে মন্দ বলবে। এমনিভাবে আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে তাদের কাজ কর্ম সুশোভিত করে দিয়েছি। অতঃপর স্বীয় পালনকর্তার কাছে তাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তখন তিনি তাদেরকে বলে দেবেন যা কিছু তারা করত।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और ये (मुशरेकीन) जिन की अल्लाह के सिवा (ख़ुदा समझ कर) इबादत करते हैं उन्हें तुम बुरा न कहा करो वरना ये लोग भी ख़ुदा को बिना समझें अदावत से बुरा (भला) कह बैठें (और लोग उनकी ख्वाहिश नफसानी के) इस तरह पाबन्द हुए कि गोया हमने ख़ुद हर गिरोह के आमाल उनको सॅवाकर अच्छे कर दिखाए फिर उन्हें तो (आख़िरकार) अपने परवरदिगार की तरफ लौट कर जाना है तब जो कुछ दुनिया में कर रहे थे ख़ुदा उन्हें बता देगा
তোমরা তাদেরকে মন্দ বলো না, যাদের তারা আরাধনা করে আল্লাহকে ছেড়ে। তাহলে তারা ধৃষ্টতা করে অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহকে মন্দ বলবে। এমনিভাবে আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে তাদের কাজ কর্ম সুশোভিত করে দিয়েছি। অতঃপর স্বীয় পালনকর্তার কাছে তাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তখন তিনি তাদেরকে বলে দেবেন যা কিছু তারা করত।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
তাসুব্বু – গালি দেওয়া, মন্দ বলা।
ইয়াদ'উনা – ডাকে, আহ্বান করে (এখানে অর্থ: উপাসনা করে)।
আদওয়ান – শত্রুতাবশত, সীমালঙ্ঘন করে।
বিগাইরি ইলম – না জেনে, মূর্খতাবশত।
যাইয়্যান্না – আমরা সুশোভিত করেছি, মনোরম করে দিয়েছি।
মারজি'উহুম – তাদের প্রত্যাবর্তনস্থল।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
হে মুমিনগণ! তোমরা তাদের উপাস্যদের গালি দিও না, যাদেরকে মুশরিকরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে ডাকে ও পূজা করে। যদিও এই মূর্তিগুলো অতি তুচ্ছ এবং গালি দেওয়ার উপযুক্ত, তবুও আল্লাহ তোমাদেরকে তা থেকে নিষেধ করেছেন। কারণ এর ফলে মুশরিকরা প্রতিশোধ হিসেবে আল্লাহকে গালি দেবে—শত্রুতাবশত, না জেনে ও সীমালঙ্ঘন করে। তারা আল্লাহর মর্যাদা সম্পর্কে অজ্ঞ, তাই তাদের মুখ থেকে এমন অশোভন কথা বের হতে পারে। সুতরাং এমন কাজ করো না যা তাদেরকে আল্লাহকে গালি দেওয়ার সুযোগ করে দেয়; বরং দাওয়াত দাও সুন্দর পদ্ধতিতে।
আর যেভাবে আমি এই মুশরিকদের কাছে তাদের মন্দ কাজগুলোকে সুশোভিত করে দিয়েছি—যার ফলে তারা মূর্তিপূজা ও শয়তানের অনুসরণকে ভালো মনে করছে—ঠিক তেমনি প্রতিটি জাতির কাছেই আমি তাদের নিজ নিজ কাজকে (ভালো বা মন্দ) সুশোভিত করে দিয়েছি। ফলে তারা যা করে তা তাদের কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয়। এরপর কিয়ামতের দিন সকলের প্রত্যাবর্তন তাদের রবের দিকেই। তখন তিনি তাদেরকে জানিয়ে দেবেন যা তারা দুনিয়ায় করত এবং সেই অনুযায়ী তাদেরকে প্রতিদান বা শাস্তি দেবেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ইসলাম শত্রুর সাথেও ন্যায় ও শিষ্টাচার শেখায়। এমনকি মুশরিকদের মিথ্যা উপাস্যদের গালি দিতেও নিষেধ করে, কারণ এর ফলে আল্লাহর প্রতি অসম্মান হতে পারে।
দাওয়াতের পথে বুদ্ধিমত্তা ও কৌশল অবলম্বন করা জরুরি; খারাপ কাজের প্রতিক্রিয়ায় আরও খারাপ কাজ করা উচিত নয়।
মানুষের ভালো-মন্দ কাজের পেছনে আল্লাহর ইচ্ছা ও তাকদীর রয়েছে, কিন্তু তারপরও মানুষ তার কর্মের জন্য দায়ী এবং আল্লাহ তাকে তার কাজের হিসাব নেবেন।
প্রতিটি জাতি নিজের কাজকে ভালো মনে করে, কিন্তু সত্যের মাপকাঠি হলো আল্লাহর নির্দেশনা, মানুষের মনমত নয়।
কিয়ামতে সকলের প্রত্যাবর্তন আল্লাহর দিকে; সেদিন কোনো কাজই গোপন থাকবে না এবং প্রত্যেকে তার কর্মফল পাবে। এই বিশ্বাস মুমিনকে সতর্ক ও সৎকর্মপরায়ণ করে তোলে।
তোমরা তাদেরকে মন্দ বলো না, যাদের তারা আরাধনা করে আল্লাহকে ছেড়ে। তাহলে তারা ধৃষ্টতা করে অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহকে মন্দ বলবে। এমনিভাবে আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে তাদের কাজ কর্ম সুশোভিত করে দিয়েছি। অতঃপর স্বীয় পালনকর্তার কাছে তাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তখন তিনি তাদেরকে বলে দেবেন যা কিছু তারা করত।
তারা জোর দিয়ে আল্লাহর কসম খায় যে, যদি তাদের কাছে কোন নিদর্শন আসে, তবে অবশ্যই তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে। আপনি বলে দিনঃ নিদর্শনাবলী তো আল্লাহর কাছেই আছে। হে মুসলমানগণ, তোমাদেরকে কে বলল যে, যখন তাদের কাছে নিদর্শনাবলী আসবে, তখন তারা বিশ্বাস স্থাপন করবেই ?
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।