Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ ও ব্যাখ্যা:
- نَنقُصُهَا مِنْ أَطْرَافِهَا – অর্থাৎ, আমি জমিনকে তার প্রান্তসমূহ থেকে ক্রমান্বয়ে হ্রাস করছি। এখানে ‘জমিন’ বলতে কুফর ও শিরকের ভূখণ্ডকে বোঝানো হয়েছে, আর ‘প্রান্ত হ্রাস’ বলতে মুসলিমদের বিজয়ের মাধ্যমে কাফিরদের ভূখণ্ড ক্রমশ সংকুচিত হয়ে ইসলামের আওতায় চলে আসাকে বোঝানো হয়েছে।
- لَا مُعَقِّبَ لِحُكْمِهِ – অর্থাৎ, আল্লাহর কোনো সিদ্ধান্ত ও ফয়সালাকে রদ বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা কারও নেই। কোনো শক্তি তাঁর আদেশের পিছনে পড়ে তা বাতিল করতে পারে না।
- سَرِيعُ الْحِسَابِ – অর্থাৎ, তিনি অত্যন্ত দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। তাঁর কাছে সময়ের বাধা নেই; তিনি এক মুহূর্তেই সবার হিসাব নিতে পারেন।
তাফসীর:
হে নবী! আপনি কি দেখছেন না, যারা সত্যকে অস্বীকার করে তারা কি চোখ খুলে দেখে না যে, আমি তাদের ভূখণ্ডের দিকে অগ্রসর হচ্ছি এবং ক্রমান্বয়ে তা হ্রাস করে দিচ্ছি? মুসলিমদের বিজয়ের মাধ্যমে কুফর ও শিরকের ভূখণ্ড সংকুচিত হচ্ছে, আর ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র। মক্কার কাফিররা যখন দেখছিল যে, আশেপাশের অঞ্চলগুলো একে একে ইসলামের আওতায় চলে আসছে, তখনও তারা কি শিক্ষা নেয়নি? এটা কি প্রমাণ নয় যে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং তাঁর দ্বীনই বিজয়ী হবে?
আল্লাহ তাআলা নিজ জ্ঞান ও প্রজ্ঞা অনুযায়ী যা ইচ্ছা করেন, তাই ফয়সালা করেন। তাঁর কোনো সিদ্ধান্তকে কেউ রদ করতে পারে না, কেউ বাধা দিতে পারে না, কেউ পরিবর্তনও করতে পারে না। তিনি ইসলামের সম্মান ও বিজয় লিখে রেখেছেন, আর কুফর ও শিরকের পতন অবধারিত করে দিয়েছেন। তাই কাফিররা যতই চেষ্টা করুক, আল্লাহর ফয়সালার সামনে তাদের সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে।
আর আল্লাহর হিসাব অত্যন্ত দ্রুত। তিনি প্রথম ও শেষ, সকল সৃষ্টিকে একই দিনে হিসাব করবেন। কোনো কিছুই তাঁর কাছে গোপন থাকবে না। তাই কাফিররা যদি আযাব ত্বরান্বিত করতে বলে, তবে তাদের উচিত ভয় করা—কারণ আল্লাহর আযাব যখন আসবে, তখন কেউ তা ঠেকাতে পারবে না। প্রতিটি কাজের হিসাব অবশ্যই হবে, আর তা হবে অতি দ্রুত।
শিক্ষণীয় ও দাওয়াতি বার্তা:
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহর দ্বীন সর্বদা বিজয়ী থাকবে, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করুক। মুসলিমদের উচিত আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা এবং তাঁর সাহায্যের প্রতিশ্রুতিতে আস্থাবান থাকা। যখন আমরা দেখি যে, সত্যের পতাকা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে উড্ডীয়মান হচ্ছে, তখন আমাদের ঈমান আরও মজবুত হয় এবং আমরা বুঝি যে, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের কখনো একা ছেড়ে দেন না।
আর যারা এখনও সত্য থেকে দূরে রয়েছে, তাদের জন্য এটাই উপযুক্ত সময় ফিরে আসার। আল্লাহর ফয়সালা অপরিবর্তনীয়, আর তাঁর হিসাব অত্যন্ত দ্রুত। তাই আসুন, আমরা সবাই নিজেদের আমল সংশোধন করি, আল্লাহর পথে চলি এবং তাঁর রহমতের আশ্রয় চাই। কারণ, যে আল্লাহর নিকটবর্তী হয়, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা দান করেন।
📜 আয়াত 39-43 — সূরা আর-রাদ
অনুবাদ — আর-রাদ 41
সূরা আর-রাদ আয়াত 41 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে…সূরা আয়াত 41/43 — সূরা আর-রাদ الرعد (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আর-রাদ শুনুন, সূরা আর-রাদ অনুবাদ, সূরা আর-রাদ mp3, সূরা আর-রাদ pdf. আয়াত 39–43. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


