Am tureedoona an tas`aloo Rasoolakum kamaa su`ila Moosa min qabl; wa mai yatabaddalil kufra bil eemaani faqad dalla sawaaa`as sabeel
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
ইতিপূর্বে মূসা (আঃ) যেমন জিজ্ঞাসিত হয়েছিলেন, (মুসলমানগন, ) তোমরাও কি তোমাদের রসূলকে তেমনি প্রশ্ন করতে চাও? যে কেউ ঈমানের পরিবর্তে কুফর গ্রহন করে, সে সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(मुसलमानों) क्या तुम चाहते हो कि तुम भी अपने रसूल से वैसै ही (बेढ़ंगे) सवालात करो जिस तरह साबिक़ (पहले) ज़माने में मूसा से (बेतुके) सवालात किए गए थे और जिस शख्स ने ईमान के बदले कुफ्र एख़तेयार किया वह तो यक़ीनी सीधे रास्ते से भटक गया
ইতিপূর্বে মূসা (আঃ) যেমন জিজ্ঞাসিত হয়েছিলেন, (মুসলমানগন, ) তোমরাও কি তোমাদের রসূলকে তেমনি প্রশ্ন করতে চাও? যে কেউ ঈমানের পরিবর্তে কুফর গ্রহন করে, সে সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়।
كَمَا سُئِلَ مُوسَى — যেমনটি মূসা (আঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল।
يَتَبَدَّلِ الْكُفْرَ بِالْإِيمَانِ — ঈমানের বদলে কুফরিকে গ্রহণ করে।
ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيلِ — সে সরল/সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে।
তাফসির:
হে মুমিনগণ! তোমরা কি সেই একই ধরনের জেদ ও অবাধ্যতার প্রশ্ন করতে চাও তোমাদের রাসূল মুহাম্মাদ (সা.)-এর কাছে, যেমনটি আগে মূসা (আঃ)-এর সম্প্রদায় তাকে জিজ্ঞেস করেছিল? তারা জেদ ও পরীক্ষার খাতিরে বলেছিল, “আমাদেরকে আল্লাহকে প্রকাশ্যে দেখাও” (সূরা নিসা: ১৫৩)। এমনিভাবে কেউ কেউ রাসূল (সা.)-এর কাছে অযৌক্তিক দাবি পেশ করত, যেমন—আকাশ থেকে একটি গ্রন্থ নামিয়ে আনা ইত্যাদি, যদিও সত্যের অসংখ্য প্রমাণ ইতিমধ্যে এসে গেছে।
আল্লাহ তাআলা এখানে মুমিনদের সতর্ক করে বলছেন: রাসূলের কাছে এমন প্রশ্ন বা দাবি করো না যা জেদ, কঠোরতা বা অহেতুক পরীক্ষার উদ্দেশ্যে হয়। কেননা এরূপ আচরণ পূর্ববর্তী উম্মতদের ধ্বংসের কারণ হয়েছিল। আর যে ব্যক্তি ঈমানের বদলে কুফরিকে বেছে নেয়—অর্থাৎ স্পষ্ট সত্য ও হিদায়াত দেখার পরও তা প্রত্যাখ্যান করে—সে তো সরল ও সুবিচারপূর্ণ পথ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত হয়ে গেল এবং চরম ক্ষতির সম্মুখীন হলো।
উপকারিতা ও শিক্ষা:
আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান রক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন; তাঁর কাছে এমন প্রশ্ন করা উচিত নয় যা তাকে কষ্ট দেয় বা তার মর্যাদার পরিপন্থী।
জেদ ও পরীক্ষামূলক প্রশ্ন করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়; বরং মুমিনের কাজ হলো নির্দেশ পাওয়া মাত্রই মেনে নেওয়া এবং বিনয়ের সাথে অনুসরণ করা।
পূর্ববর্তী উম্মতদের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া আমাদের জন্য অপরিহার্য; তাদের মতো কঠোরতা ও অযাচিত দাবি পরিহার করতে হবে।
ঈমানের পর কুফরে ফিরে যাওয়া অত্যন্ত ভয়াবহ—এটি মানুষকে চরম বিভ্রান্তির দিকে নিয়ে যায় এবং আল্লাহর সরল পথ থেকে সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে দেয়।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, সত্যের প্রমাণ যথেষ্ট হলে তারপর আর অলৌকিক দাবি না করে বরং তা মেনে নিয়ে আমল করা উচিত; এটাই সফলতার পথ।
ইতিপূর্বে মূসা (আঃ) যেমন জিজ্ঞাসিত হয়েছিলেন, (মুসলমানগন, ) তোমরাও কি তোমাদের রসূলকে তেমনি প্রশ্ন করতে চাও? যে কেউ ঈমানের পরিবর্তে কুফর গ্রহন করে, সে সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়।
আহলে কিতাবদের অনেকেই প্রতিহিংসাবশতঃ চায় যে, মুসলমান হওয়ার পর তোমাদেরকে কোন রকমে কাফের বানিয়ে দেয়। তাদের কাছে সত্য প্রকাশিত হওয়ার পর (তারা এটা চায়)। যাক তোমরা আল্লাহর নির্দেশ আসা পর্যন্ত তাদের ক্ষমা কর এবং উপেক্ষা কর। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং যাকাত দাও। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয় আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।