Lilfuqaraaa`il lazeena uhsiroo fee sabeelil laahi laa yastatee`oona darban fil ardi yah sabuhumul jaahilu aghniyaaa`a minat ta`affufi ta`rifuhum biseemaahum laa yas`aloonan naasa ilhaafaa; wa maa tunfiqoo min khairin fa innal laaha bihee `Aleem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
খয়রাত ঐ সকল গরীব লোকের জন্যে যারা আল্লাহর পথে আবদ্ধ হয়ে গেছে-জীবিকার সন্ধানে অন্যত্র ঘোরাফেরা করতে সক্ষম নয়। অজ্ঞ লোকেরা যাঞ্চা না করার কারণে তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। তোমরা তাদেরকে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে। তারা মানুষের কাছে কাকুতি-মিনতি করে ভিক্ষা চায় না। তোমরা যে অর্থ ব্যয় করবে, তা আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই পরিজ্ঞাত।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(यह खैरात) ख़ास उन हाजतमन्दों के लिए है जो ख़ुदा की राह में घिर गये हो (और) रूए ज़मीन पर (जाना चाहें तो) चल नहीं सकते नावाक़िफ़ उनको सवाल न करने की वजह से अमीर समझते हैं (लेकिन) तू (ऐ मुख़ातिब अगर उनको देखे) तो उनकी सूरत से ताड़ जाये (कि ये मोहताज हैं अगरचे) लोगों से चिमट के सवाल नहीं करते और जो कुछ भी तुम नेक काम में ख़र्च करते हो ख़ुदा उसको ज़रूर जानता है
التَّعَفُّفِ – আত্মমর্যাদা, কারও কাছে হাত না পেতে নিজেকে সংযত রাখা।
بِسِيمَاهُمْ – তাদের চেহারা ও অবস্থার চিহ্ন দ্বারা।
إِلْحَافًا – অতিরিক্ত তাগাদা করা, বারবার জিদ ধরে চাওয়া।
তাফসির:
আল্লাহ তাআলা এই আয়াতে মুমিনদেরকে সদকা ও দান-খয়রাতের সবচেয়ে উপযুক্ত পাত্র সম্পর্কে অবহিত করেছেন। তিনি বলছেন: তোমাদের সদকা-খয়রাত সেই ফকিরদের জন্য নির্ধারিত, যারা আল্লাহর পথে জিহাদে লিপ্ত থাকার কারণে নিজেদেরকে সম্পূর্ণরূপে সেদিকে নিয়োজিত রেখেছে। তারা জীবিকার সন্ধানে দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করতে সক্ষম নয়, কারণ তারা সীমান্ত পাহারায়, জিহাদে বা দ্বীনি শিক্ষা অর্জনে ব্যস্ত। বাইরের লোকজন যখন তাদেরকে দেখে, তখন তাদের সংযত আচরণ ও আত্মমর্যাদার কারণে মনে করে তারা সম্পদশালী, অথচ তারা অত্যন্ত অভাবগ্রস্ত। তবে যে ব্যক্তি গভীরভাবে লক্ষ্য করে, সে তাদের মুখমণ্ডলের চিহ্ন ও পোশাক-পরিচ্ছদের অবস্থা দেখে তাদের অভাব বুঝতে পারে। তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো—তারা মানুষের কাছে হাত পাতে না, আর প্রয়োজনে চাইলেও অতিরিক্ত তাগাদা বা জিদ ধরে চায় না; বরং অত্যন্ত লজ্জা ও সংকোচের সাথে চায়। এরপর আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন: তোমরা যে কোনো ভালো জিনিসই ব্যয় করো না কেন—তা অর্থ হোক বা অন্যান্য সম্পদ—আল্লাহ তা সম্পূর্ণরূপে জানেন এবং কিয়ামতের দিন তিনি এর সর্বোত্তম প্রতিদান দেবেন। কোনো দানই তাঁর জ্ঞান ও হিসাবের বাইরে নয়।
দাওয়াতি ও প্রেরণামূলক দিক:
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, ইসলাম কত সুন্দরভাবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি দৃষ্টি দেয়। যারা নিজেদের ইজ্জত-আবরু রক্ষা করে চুপচাপ অভাব সহ্য করে, তাদের প্রতি আমাদের খেয়াল রাখা উচিত। আমরা যখন এমন নীরব ফকিরদের খোঁজ করে তাদের পাশে দাঁড়াব, তখন আল্লাহর কাছে আমাদের দান অত্যন্ত মূল্যবান হবে। মনে রাখবেন, দান-সদকা শুধু সম্পদ বৃদ্ধি করে না, বরং অন্তরকে পবিত্র করে এবং সমাজে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতিটি ভালো কাজের হিসাব রাখেন এবং এর বিনিময়ে দেন অফুরন্ত পুরস্কার। আসুন, আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এমন নীরব অভাবীদের খোঁজ করি এবং তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হই—যাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি এবং সমাজে সুখ-শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারি।
খয়রাত ঐ সকল গরীব লোকের জন্যে যারা আল্লাহর পথে আবদ্ধ হয়ে গেছে-জীবিকার সন্ধানে অন্যত্র ঘোরাফেরা করতে সক্ষম নয়। অজ্ঞ লোকেরা যাঞ্চা না করার কারণে তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। তোমরা তাদেরকে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে। তারা মানুষের কাছে কাকুতি-মিনতি করে ভিক্ষা চায় না। তোমরা যে অর্থ ব্যয় করবে, তা আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই পরিজ্ঞাত।
যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-খয়রাত কর, তবে তা কতইনা উত্তম। আর যদি খয়রাত গোপনে কর এবং অভাবগ্রস্তদের দিয়ে দাও, তবে তা তোমাদের জন্যে আরও উত্তম। আল্লাহ তা’আলা তোমাদের কিছু গোনাহ দূর করে দিবেন। আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খুব খবর রাখেন।
তাদেরকে সৎপথে আনার দায় তোমার নয়। বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন। যে মাল তোমরা ব্যয় কর, তা নিজ উপাকারার্থেই কর। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যয় করো না। তোমরা যে, অর্থ ব্যয় করবে, তার পুরস্কার পুরোপুরি পেয়ে যাবে এবং তোমাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না।
খয়রাত ঐ সকল গরীব লোকের জন্যে যারা আল্লাহর পথে আবদ্ধ হয়ে গেছে-জীবিকার সন্ধানে অন্যত্র ঘোরাফেরা করতে সক্ষম নয়। অজ্ঞ লোকেরা যাঞ্চা না করার কারণে তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। তোমরা তাদেরকে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে। তারা মানুষের কাছে কাকুতি-মিনতি করে ভিক্ষা চায় না। তোমরা যে অর্থ ব্যয় করবে, তা আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই পরিজ্ঞাত।
যারা স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে, রাত্রে ও দিনে, গোপনে ও প্রকাশ্যে। তাদের জন্যে তাদের সওয়াব রয়েছে তাদের পালনকর্তার কাছে। তাদের কোন আশংঙ্কা নেই এবং তারা চিন্তিত ও হবে না।
যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।