Falammaa jaaa`ahumul haqqu min `indinaa qaaloo law laa ootiya misla maaa ootiyaa Moosaa; awalam yakfuroo bimaaa ootiya Moosaa min qablu qaaloo sihraani tazaaharaa wa qaalooo innaa bikullin kaafiroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতঃপর আমার কাছ থেকে যখন তাদের কাছে সত্য আগমন করল, তখন তারা বলল, মূসাকে যেরূপ দেয়া হয়েছিল, এই রসূলকে সেরূপ দেয়া হল না কেন? পূর্বে মূসাকে যা দেয়া হয়েছিল, তারা কি তা অস্বীকার করেনি? তারা বলেছিল, উভয়ই জাদু, পরস্পরে একাত্ম। তারা আরও বলেছিল, আমরা উভয়কে মানি না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
मगर फिर जब हमारी बारगाह से (दीन) हक़ उनके पास पहुँचा तो कहने लगे जैसे (मौजिज़े) मूसा को अता हुए थे वैसे ही इस रसूल (मोहम्मद) को क्यों नही दिए गए क्या जो मौजिज़े इससे पहले मूसा को अता हुए थे उनसे इन लोगों ने इन्कार न किया था कुफ्फ़ार तो ये भी कह गुज़रे कि ये दोनों के दोनों (तौरैत व कुरान) जादू हैं कि बाहम एक दूसरे के मददगार हो गए हैं
অতঃপর আমার কাছ থেকে যখন তাদের কাছে সত্য আগমন করল, তখন তারা বলল, মূসাকে যেরূপ দেয়া হয়েছিল, এই রসূলকে সেরূপ দেয়া হল না কেন? পূর্বে মূসাকে যা দেয়া হয়েছিল, তারা কি তা অস্বীকার করেনি? তারা বলেছিল, উভয়ই জাদু, পরস্পরে একাত্ম। তারা আরও বলেছিল, আমরা উভয়কে মানি না।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
لَوْلَا – কেন নয় / হলে ভালো হতো না?
أُوتِيَ – তাকে দেওয়া হলো / প্রদান করা হলো।
سِحْرَانِ – দুটি জাদু (অর্থাৎ তাওরাত ও কুরআন)।
تَظَاهَرَا – পরস্পরকে সাহায্য করেছে / একে অপরকে সমর্থন করেছে।
তাফসীর:
যখন তাদের কাছে আমাদের পক্ষ থেকে সত্য এসে পৌঁছালো — অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মাধ্যমে কুরআন ও সত্য দ্বীন — তখন কাফিররা বলল: “এই ব্যক্তিকে কেন মূসা (আঃ)-কে যা দেওয়া হয়েছিল তার অনুরূপ কিছু দেওয়া হলো না?” অর্থাৎ তারা মূসা (আঃ)-এর মতো দৃশ্যমান মুজিযা (যেমন লাঠি, উজ্জ্বল হাত) এবং একত্রে নাজিলকৃত কিতাব দাবি করছিল।
আল্লাহ তা‘আলা এর জবাবে বলেন: “তারা কি আগে মূসা (আঃ)-কে যা দেওয়া হয়েছিল তা অস্বীকার করেনি?” অর্থাৎ ইয়াহুদীরা তো আগে থেকেই মূসা (আঃ)-এর প্রতি কুফরি করেছিল। তারা তাওরাত ও কুরআন সম্পর্কে বলেছিল: “এ দুটি জাদু, যা পরস্পরকে সমর্থন করে” — অর্থাৎ তারা মনে করত তাওরাত এবং কুরআন উভয়ই জাদু, যা একে অপরের সাহায্যে এসেছে। তারা আরও বলেছিল: “আমরা এ দুটির প্রতিটির প্রতিই কাফির।”
আরবের মুশরিকরা মদিনার ইয়াহুদী নেতাদের কাছে পাঠিয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিল। ইয়াহুদীরা সত্য জানা সত্ত্বেও তাকে মিথ্যা বলেছিল এবং এই অপবাদ রটিয়েছিল যে, তাওরাত ও কুরআন দুটিই জাদু। অথচ তারা আগে মূসা (আঃ)-এর যুগেও তার মুজিযা অস্বীকার করেছিল এবং এখন মুহাম্মাদ ﷺ-এর যুগেও একই কুফরি করছে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
সত্য গ্রহণের ক্ষেত্রে মানুষের মনোভাব নির্ভর করে তার অন্তরের দোষ-ত্রুটির উপর — যে সত্যকে মেনে নিতে চায় না, সে অজুহাত খুঁজতেই থাকে। কাফিররা মূসা (আঃ)-এর সময়ও মুজিযা দেখেও বিশ্বাস করেনি, আর এখন মুহাম্মাদ ﷺ-এর যুগেও নতুন অজুহাত দাঁড় করিয়েছে।
নবীগণের মুজিযা আল্লাহর ইচ্ছাধীন বিষয় — তিনি যাকে যা দিতে চান দেন। কোনো নির্দিষ্ট মুজিযা দাবি করা সঠিক নয়; বরং সত্য প্রমাণিত হলে তা গ্রহণ করাই কর্তব্য।
কুফরি ও হঠকারিতার কারণে মানুষ স্পষ্ট সত্যকেও জাদু বলে অপবাদ দিতে পারে — এটি তাদের অন্তরের রোগের প্রমাণ।
ইসলামের প্রতি ঈমান আনার জন্য বুদ্ধি-বিবেক ব্যবহার করা জরুরি; অজুহাত তৈরি করা নয়। কুরআনের চ্যালেঞ্জ ও রাসূল ﷺ-এর সত্যতা যেকোনো নিরপেক্ষ অনুসন্ধানকারীর জন্য যথেষ্ট প্রমাণ।
আমি যখন মূসাকে আওয়াজ দিয়েছিলাম, তখন আপনি তুর পর্বতের পার্শ্বে ছিলেন না। কিন্তু এটা আপনার পালনকর্তার রহমত স্বরূপ, যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে ভীতি প্রদর্শন করেন, যাদের কাছে আপনার পূꦣ2503;ব কোন ভীতি প্রদর্শনকারী আগমন করেনি, যাতে তারা স্মরণ রাখে।
আর এ জন্য যে, তাদের কৃতকর্মের জন্যে তাদের কোন বিপদ হলে তারা বলত, হে আমাদের পালনকর্তা, তুমি আমাদের কাছে কোন রসূল প্রেরণ করলে না কেন? করলে আমরা তোমার আয়াতসমূহের অনুসরণ করতাম এবং আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।
অতঃপর আমার কাছ থেকে যখন তাদের কাছে সত্য আগমন করল, তখন তারা বলল, মূসাকে যেরূপ দেয়া হয়েছিল, এই রসূলকে সেরূপ দেয়া হল না কেন? পূর্বে মূসাকে যা দেয়া হয়েছিল, তারা কি তা অস্বীকার করেনি? তারা বলেছিল, উভয়ই জাদু, পরস্পরে একাত্ম। তারা আরও বলেছিল, আমরা উভয়কে মানি না।
অতঃপর তারা যদি আপনার কথায় সাড়া না দেয়, তবে জানবেন, তারা শুধু নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। আল্লাহর হেদায়েতের পরিবর্তে যে ব্যক্তি নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, তার চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে? নিশ্চয় আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে পথ দেখান না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।