Wa law laaa an tuseebahum museebatum bimaa qaddamat aideehim fa yaqooloo Rabbanaa law laaa arsalta ilainaa Rasoolan fanattabi`a Aayaatika wa nakoona minal mu`mineen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর এ জন্য যে, তাদের কৃতকর্মের জন্যে তাদের কোন বিপদ হলে তারা বলত, হে আমাদের পালনকর্তা, তুমি আমাদের কাছে কোন রসূল প্রেরণ করলে না কেন? করলে আমরা তোমার আয়াতসমূহের অনুসরণ করতাম এবং আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और अगर ये नही होता कि जब उन पर उनकी अगली करतूतों की बदौलत कोई मुसीबत पड़ती तो बेसाख्ता कह बैठते कि परवरदिगार तूने हमारे पास कोई पैग़म्बर क्यों न भेजा कि हम तेरे हुक्मों पर चलते और ईमानदारों में होते (तो हम तुमको न भेजते )
আর এ জন্য যে, তাদের কৃতকর্মের জন্যে তাদের কোন বিপদ হলে তারা বলত, হে আমাদের পালনকর্তা, তুমি আমাদের কাছে কোন রসূল প্রেরণ করলে না কেন? করলে আমরা তোমার আয়াতসমূহের অনুসরণ করতাম এবং আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।
📜
অনুবাদ — Tafsir
কয়েকটি শব্দের অর্থ:
لَوْلَا: এখানে অর্থ "যদি না" বা "না হলে"।
مُصِيبَةٌ: বিপদ, শাস্তি, দুর্যোগ।
بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ: যা তাদের হাত আগে পাঠিয়েছে, অর্থাৎ তাদের কৃতকর্ম, পাপ ও কুফরি।
لَوْلَا أَرْسَلْتَ: কেন তুমি পাঠাওনি? অথবা "হায়! তুমি পাঠালে না কেন?"
آيَاتِكَ: তোমার নিদর্শনসমূহ, তোমার আয়াতসমূহ (কিতাব ও রাসূলের মাধ্যমে প্রেরিত নির্দেশনা)।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে কাফিরদের সেই অজুহাত ও আপত্তির কথা উল্লেখ করেছেন, যা তারা আখিরাতে বা শাস্তি আসার সময় পেশ করতে পারত। অর্থাৎ, যদি তাদের কৃতকর্মের কারণে (কুফরি, শিরক ও পাপাচারের কারণে) তাদের ওপর শাস্তি নেমে আসত, তাহলে তারা বলত, "হে আমাদের রব! আপনি আমাদের কাছে রাসূল পাঠালেন না কেন? আমরা তো আপনার আয়াত অনুসরণ করতাম এবং মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।"
আল্লাহ তাআলা বলেন, এই সম্ভাবনা দূর করার জন্যই তিনি রাসূল পাঠিয়েছেন। অর্থাৎ, শাস্তি দ্রুত নেমে আসেনি এবং রাসূল পাঠানো হয়েছে, যাতে তাদের কোনো অজুহাত বা যুক্তি না থাকে। তারা যেন না বলতে পারে যে, আমাদের কাছে সতর্ককারী আসেনি। রাসূল পাঠানোর মাধ্যমে আল্লাহর পক্ষ থেকে যুক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে এবং তাদের অজুহাত খণ্ডন করা হয়েছে। তারা যদি এখনও ঈমান না আনে, তবে তাদের শাস্তি হবে সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত, কারণ তাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ ও নির্দেশনা পৌঁছে গেছে।
মূলত, এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করছেন যে, তিনি কাউকে শাস্তি দেন না যতক্ষণ না তাদের কাছে রাসূল বা দাওয়াত পৌঁছে। এটি আল্লাহর ন্যায়বিচারের একটি অনন্য দিক। রাসূল প্রেরণের উদ্দেশ্য হলো মানুষের জন্য অজুহাতের পথ বন্ধ করা এবং হিদায়াতের পথ সুস্পষ্ট করা।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহর ন্যায়বিচার: আল্লাহ কাউকে অকারণে শাস্তি দেন না। তিনি প্রত্যেক জাতির কাছে রাসূল বা দাওয়াত পৌঁছানোর পরই তাদের হিসাব নেন। এটি প্রমাণ করে ইসলাম একটি ন্যায়সংগত ও যুক্তিসঙ্গত ধর্ম।
রাসূল প্রেরণের গুরুত্ব: রাসূলগণ আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য রহমত ও হিদায়াতের বাহক। তাদের মাধ্যমে মানুষ সঠিক পথ খুঁজে পায় এবং আল্লাহর আয়াত অনুসরণ করার সুযোগ পায়।
অজুহাতের অবকাশ নেই: ইসলাম গ্রহণের পর বা দাওয়াত পৌঁছানোর পর আর কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিটি মানুষের উচিত দাওয়াত পৌঁছানোর সাথে সাথে তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা এবং সত্যকে গ্রহণ করা।
কৃতকর্মের ফল: মানুষ যা কিছু করে, তার ফল সে পাবে। ভালো কাজের ফল ভালো এবং মন্দ কাজের ফল মন্দ। তাই আমাদের উচিত সর্বদা ভালো কাজ করা এবং আল্লাহর নির্দেশনা মেনে চলা।
আল্লাহর রহমত: আল্লাহ তা'আলা শাস্তি দিতে দেরি করেন, যাতে মানুষ তাওবা করার সুযোগ পায়। এটি আল্লাহর অশেষ রহমত ও দয়া। আমাদের উচিত এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।
কিন্তু আমি অনেক সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছিলাম, অতঃপর তাদের অনেক যুগ অতিবাহিত হয়েছে। আর আপনি মাদইয়ানবাসীদের মধ্যে ছিলেন না যে, তাদের কাছে আমার আয়াতসমূহ পাঠ করতেন। কিন্তু আমিই ছিলাম রসূল প্রেরণকারী।
আমি যখন মূসাকে আওয়াজ দিয়েছিলাম, তখন আপনি তুর পর্বতের পার্শ্বে ছিলেন না। কিন্তু এটা আপনার পালনকর্তার রহমত স্বরূপ, যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে ভীতি প্রদর্শন করেন, যাদের কাছে আপনার পূꦣ2503;ব কোন ভীতি প্রদর্শনকারী আগমন করেনি, যাতে তারা স্মরণ রাখে।
আর এ জন্য যে, তাদের কৃতকর্মের জন্যে তাদের কোন বিপদ হলে তারা বলত, হে আমাদের পালনকর্তা, তুমি আমাদের কাছে কোন রসূল প্রেরণ করলে না কেন? করলে আমরা তোমার আয়াতসমূহের অনুসরণ করতাম এবং আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।
অতঃপর আমার কাছ থেকে যখন তাদের কাছে সত্য আগমন করল, তখন তারা বলল, মূসাকে যেরূপ দেয়া হয়েছিল, এই রসূলকে সেরূপ দেয়া হল না কেন? পূর্বে মূসাকে যা দেয়া হয়েছিল, তারা কি তা অস্বীকার করেনি? তারা বলেছিল, উভয়ই জাদু, পরস্পরে একাত্ম। তারা আরও বলেছিল, আমরা উভয়কে মানি না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।