Li yajziyal aahus saadiqeena bisidqihim wa yu`azzibal munaafiqeena in shaaa`a aw yatooba `alaihim; innal laaha kaana Ghafoorar Raheemaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
এটা এজন্য যাতে আল্লাহ, সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতার কারণে প্রতিদান দেন এবং ইচ্ছা করলে মুনাফেকদেরকে শাস্তি দেন অথবা ক্ষমা করেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ये इम्तेहान इसलिए था ताकि खुद सच्चे (ईमानदारों) को उनकी सच्चाई की जज़ाए ख़ैर दे और अगर चाहे तो मुनाफेक़ीन की सज़ा करे या (अगर वह लागे तौबा करें तो) खुदा उनकी तौबा कुबूल फरमाए इसमें शक नहीं कि खुदा बड़ा बख्शने वाला मेहरबान है
এটা এজন্য যাতে আল্লাহ, সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতার কারণে প্রতিদান দেন এবং ইচ্ছা করলে মুনাফেকদেরকে শাস্তি দেন অথবা ক্ষমা করেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
لِيَجْزِيَ – পুরস্কার দেওয়ার জন্য।
الصَّادِقِينَ – সত্যবাদীগণ, যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকারে অটল থাকে।
بِصِدْقِهِمْ – তাদের সত্যবাদিতার কারণে।
الْمُنَافِقِينَ – মুনাফিকরা, যারা অন্তরে কুফরি লুকিয়ে মুখে ঈমান প্রকাশ করে।
يَتُوبَ عَلَيْهِمْ – তাদের তাওবা কবুল করেন।
তাফসির:
আয়াতটি প্রসঙ্গ হচ্ছে আহযাব যুদ্ধের (খন্দকের যুদ্ধ) ঘটনা। মুমিনরা সত্যিকার অর্থে আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকারে অটল ছিল, আর মুনাফিকরা ছিল অঙ্গীকারভঙ্গকারী। এই আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা করছেন যে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে আল্লাহ মুমিনদের তাদের সত্যবাদিতা ও অঙ্গীকার পূরণের বিনিময়ে উত্তম প্রতিদান দেবেন। আর মুনাফিকদের ব্যাপারে তাঁর ইচ্ছা—তিনি চাইলে তাদেরকে শাস্তি দেবেন, অর্থাৎ তাদেরকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কুফরি ও নিফাকের ওপর ছেড়ে দেবেন, ফলে তারা জাহান্নামের শাস্তির উপযুক্ত হবে। অথবা তিনি চাইলে তাদের তাওবা কবুল করবেন, অর্থাৎ তাদেরকে হিদায়াত দান করে ঈমান ও সত্য পথে ফিরিয়ে আনবেন, ফলে তারা ক্ষমা পেয়ে যাবে। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু—যে বান্দা আন্তরিকভাবে তাওবা করে, তিনি তাকে ক্ষমা করেন এবং তার প্রতি রহমত বর্ষণ করেন।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
সত্যবাদিতা ও অঙ্গীকার পূরণের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভ করা যায়—এটাই মুমিনের সফলতার পথ।
আল্লাহর দয়া অপরিসীম; তিনি পাপী বান্দার তাওবা কবুল করতে প্রস্তুত, এমনকি মুনাফিকদের জন্যও তাওবার দরজা খোলা আছে।
আল্লাহর ইচ্ছার ওপর সবকিছু নির্ভরশীল; তিনি চাইলে শাস্তি দেন, চাইলে ক্ষমা করেন—এতে তাঁর পূর্ণ ক্ষমতা ও হিকমত প্রকাশ পায়।
এই আয়াত মুমিনদের ধৈর্য ও সত্যের ওপর অটল থাকার প্রেরণা দেয়, কারণ পরিণামে সাফল্য সত্যবাদীদের জন্যই।
ইসলামের শিক্ষা হলো—কেউ যত বড় পাপীই হোক না কেন, আন্তরিক তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমা লাভের আশা রাখতে পারে; এটাই আল্লাহর রহমতের ব্যাপকতা।
যখন মুমিনরা শক্রবাহিনীকে দেখল, তখন বলল, আল্লাহ ও তাঁর রসূল এরই ওয়াদা আমাদেরকে দিয়েছিলেন এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূল সত্য বলেছেন। এতে তাদের ঈমান ও আত্নসমর্পণই বৃদ্ধি পেল।
মুমিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে। তারা তাদের সংকল্প মোটেই পরিবর্তন করেনি।
এটা এজন্য যাতে আল্লাহ, সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতার কারণে প্রতিদান দেন এবং ইচ্ছা করলে মুনাফেকদেরকে শাস্তি দেন অথবা ক্ষমা করেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
আল্লাহ কাফেরদেরকে ক্রুদ্ধাবস্থায় ফিরিয়ে দিলেন। তারা কোন কল্যাণ পায়নি। যুদ্ধ করার জন্য আল্লাহ মুমিনদের জন্যে যথেষ্ট হয়ে গেছেন। আল্লাহ শক্তিধর, পরাক্রমশালী।
কিতাবীদের মধ্যে যারা কাফেরদের পৃষ্টপোষকতা করেছিল, তাদেরকে তিনি তাদের দূর্গ থেকে নামিয়ে দিলেন এবং তাদের অন্তরে ভীতি নিক্ষেপ করলেন। ফলে তোমরা একদলকে হত্যা করছ এবং একদলকে বন্দী করছ।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।